• শনিবার, জুন ৬, ২০২০

ইউরোপ :

ইংল্যান্ডে মাইলের পর মাইল বাইক চালিয়ে মানবসেবা করে যাচ্ছেন এক বাংলাদেশী

জামাল আহমদ:মোহাম্মদ মাস্তাদুর রহমান মিয়া এসেছিলেন জীবনের  তাগিদে  উন্নত মানের জীবনের আশায় পাড়ি জমান…

প্রবাসী হয়রানি বন্ধ করুন: ইউরোপীয় ডায়াস্পোরার নেতাদের আবেদন

লন্ডনঃ

ইউরোপে অবস্থিত প্রবাসী নেতা, সামাজিক ও উন্নয়ন কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব গতকাল প্রকাশিত এক যৌথবিবৃতিতে বাংলাদেশী কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে বাংলাদেশে ফিরে আসা প্রবাসী ও অভিবাসী কর্মীদের হয়রানির শিকার হচ্ছে । তাদের প্রতি মানবিক আচরণ প্রদর্শন করার জন্য বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে তারা আবেদন করেন।

তারা  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও আবেদন করেছেন যেন সেবার ক্ষেত্রে অভিবাসীদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে এবং যারা তাদের বসতি দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক তাদের সহায়তা করার জন্য।

তারা বলেন, রেমিট্যান্স বাংলাদেশের জিডিপি’র প্রবৃদ্ধির সর্বাত্মক। বাংলাদেশী অভিবাসী তাদের কঠোর শ্রম দেশটির জন্য ত্যাগ করে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশী অভিবাসী বার্ষিক ষোল বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স প্রেরণ করে যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সাম্প্রতিক দিনগুলিতে করোনার ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পরে স্বল্প সংখ্যক অভিবাসী বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলেন। তবে উদ্বেগের সাথে আমরা পর্যবেক্ষণ করছি যে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিবাসীদের বিদেশ থেকে করোনার ভাইরাস আনার জন্য দোষ দেওয়া হচ্ছে। দুর্ভাগ্যক্রমে, এর ফলস্বরূপ, প্রত্যাবাসিত অভিবাসীদের অপমান ও শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে বাংলাদেশের অনেক জায়গায়। প্রত্যাবাসিত অভিবাসীদের পাশাপাশি বিদেশী কর্মী সহ কয়েক হাজার মানুষ বিদেশ থেকেও দেশে ফিরে এসেছিলেন।

মিডিয়া এবং কিছু স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্নো ভাইরাস ছড়ানোর জন্য শুধুমাত্র অভিবাসীদের দোষ দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে অভিবাসীরা বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন । পুলিশ এবং ম্যাজিস্ট্রেটরা লাল পতাকা সহ অভিবাসীদের বাড়ি সনাক্ত করছে। প্রশাসন কেবলমাত্র অভিবাসীদের এবং যারা বিদেশ থেকে আসছে তাদের বাইরে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। এর ফলে অভিবাসীরা হয়রানির মুখোমুখি হচ্ছে যা মানবাধিকার লঙ্ঘন।

সাম্প্রতিক দিনগুলিতে করোনার ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে হাজার হাজার বাংলাদেশী অভিবাসী ইতালি ও স্পেন সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাকরি হারিয়েছেন। করোনার ভাইরাস বিশ্বব্যাপী মহামারী আকার ধারণ করেছে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লুএইচও) ১১ মার্চ ২০২০ সালে করোনাকে মহামারী হিসাবে ঘোষণা করেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এই ভাইরাসটিও বাংলাদেশে প্রভাব ফেলেছে।

অন্যদের মধ্যে যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেন ইউরোপীয় বাংলাদেশ ফোরাম (ইবিএফ) এর সভাপতি আনসার আহমেদ উল্লাহ, হাবিব বাবুল, চিফ এডিটর, শুদ্ধস্বর ডট কম, জার্মানি, সুধোশর ডটকম, , জার্মানি, বিকাশ চৌধুরী, চেয়ারম্যান, বাসুগ, নেদারল্যান্ডস, এএইচএম আবদুল হাই, প্রধান সম্পাদক, আওয়ার ভয়েস, জার্মানি, ডাঃ মজিবুর দফতরি, লেখক ও গবেষক, ফিনল্যান্ড, শরাফ আহমেদ, সাংবাদিক ও সামাজিক কর্মী, জার্মানি, মুরাদ খান, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, নেদারল্যান্ডস, এমএমআর মনোয়ার, সামাজিক ও মানবাধিকার কর্মী, যুক্তরাজ্য, খলিলুর রহমান, কান্ট্রি কোঅর্ডিনেটর, ইউরোপীয় বাংলাদেশ ফোরাম, সুইজারল্যান্ড এবং অরুণ বড়ুয়া, সভাপতি, সংখ্যালঘু কাউন্সিল, সুইজারল্যান্ড।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আইসিইউতে রাত পার করলেন

 ইউকেবিডি টাইমস ডেস্কঃ 

অবস্থার অবনতি হওয়ায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সেন্ট্রাল লন্ডনের একটি…

করোনাভাইরাস: ইউরোপে মৃতের সংখ্যা ৩০,০০০ ছাড়িয়েছে

 ইউকেবিডি টাইমস ডেস্কঃ 

এপ্রিলের প্রথম দিন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দাড়িয়েছে চুয়াল্লিশ হাজারে,…

করোনাভাইরাস: বাজার থেকে কেনা খাবার কতটা নিরাপদ?

ইউকেবিডি টাইমস ডেস্কঃ 

মাত্র কিছুদিন আগেও বাজারে যাওয়া নিয়ে মানুষের দুশ্চিন্তা ছিল না। দিব্যি যখন…

পর্তুগালে নিয়মিত হচ্ছেন অনিয়মিত বাংলাদেশিরা

ইউকেবিডি টাইমস ডেস্কঃ 

করোনাভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কের মধ্যে পর্তুগাল সরকারের এক ঘোষণায় অন্যান্য অভিবাসীদের সঙ্গে অনিয়মিত…

ব্রেক্সিট পরবর্তী অভিবাসন: কম দক্ষদের ভিসা দেবে না যুক্তরাজ্য

ইউকেবিডি টাইমস ডেস্কঃ 

কম দক্ষ বা সাধারণ কর্মীদের ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। আজ…

টাওয়ার হ্যামলেটসের নতুন অর্থ বছরের বাজেট পাশ

ইউকেবিডি টাইমস ডেস্কঃ 

টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল তার ২০২০/২১ অর্থ বছরের বাজেট অনুমোদন করেছে। এই বাজেটে বারার সবচেয়ে অসহায় বা অসুরক্ষিত বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কমিউনিটির নিরাপত্তা, আবাসন ও গণস্বাস্থ্য খাতকে সবচেয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের পূর্ণাঙ্গ সভায় প্রস্তাবিত বাজেট আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করে। বাজেট নিয়ে জনসাধারণের সাথে সুসমন্বিত আলোচনা পাওয়া ফিডব্যাক এবং বাসিন্দা ও ব্যবসায়ি সম্প্রদায় যে সকল সার্ভিসের ওপর নির্ভরশীল, গুরুত্বপূর্ণ সেই সকল সেবাখাতগুলোতে অর্থায়ন অব্যাহত রাখার অঙ্গিকারের প্রতিফল ঘটেছে পাশ হওয়া নতুন বাজেটে।

এ প্রসঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র জন বিগস বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারে অব্যাহত তহবিল কর্তনের ফলে সারা দেশের কাউন্সিলগুলো নজিরবিহীন আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। টাওয়ার হ্যামলেটসে, ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমাদেরকে ১৯০ মিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয় করতে হয়েছে এবং আগামী তিন বছরে আরো ৩৯ মিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয় করতে হবে বলে আমরা ধারনা করছি।

মেয়র আরো বলেন, এতদসত্বেও আমরা আগামী তিন বছরের জন্য উচ্চাভিলাসী এবং ইতিবাচক পরিকল্পনাসমূহ সুনির্দিষ্ট করে একটি বাজেট পাশ করেছি। এই বাজেটে আমাদের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বা অসহায় বাসিন্দাদের প্রথম স্থানে রেখে ফ্রন্টলাইন সার্ভিসগুলোকে সুরক্ষিত করার পাশাপাশি আমরা নতুন বাড়ি ঘর নির্মান, উন্নত কর্মসংস্থান এবং পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও নিরাপদ রাস্তাসমূহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করেছি।

উল্লেখ্য, কাউন্সিল ট্যাক্স বা কর হার এ বছর ১.৯৯ পার সেন্ট বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রদত্ত সোশ্যাল কেয়ার সার্ভিস পরিচালনার জন্য আরো ২ শতাংশ বাড়বে। এরপর টাওয়ার হ্যামলেটস এখনো দেশের সপ্তম সর্বনিম্ন কাউন্সিল ট্যাক্স বরা থাকবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।

নতুন পাশ হওয়া বাজেটে আইডিয়া স্টোর, লাইব্রেরী সমূহ, লেজার সেন্টার সমূহ ও পার্কগুলোর উন্নয়নে বিনিয়োগ, চিলড্রেন সোশ্যাল কেয়ার এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের জন্য ৭.২ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ, অসহায় প্রাপ্তবয়স্কদের সহযোগিতায় আরো ১২.৪ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধ মোকাবেলা ও রাস্তা ফুটপাতকে নিরাপদ রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ অফিসারদের জন্য তহবিলের যোগান অব্যাহত রাখা, নতুন কাউন্সিল হোমস এবং আরো সহস্রাধিক এফোর্ডেবল হোমস নির্মান ও সরবরাহ, বারার সকল প্রাইমারী স্কুল শিক্ষার্থীর জন্য ফ্রি স্কুল মিলস কার্যক্রম অব্যাহত রাখা, নতুন ইন-হাউজ ওয়্যেস্ট সার্ভিসের মাধ্যমে বারার রাস্তাগুলোকে পরিচ্চছন্ন রাখা, শত ভাগ কাউন্সিল ট্যাক্স ডিসকাউন্ট প্রদানের মাধ্যমে দরিদ্র লোকজনকে সুরক্ষা প্রদান এবং দারিদ্রতা মোকাবেলা তহবিলে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।

মেয়র জন বিগস কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ অংশিদার ও স্টেকহোল্ডারদের সাথে সমন্বয় করে একটি পোভার্টি কমিশন গঠনের মাধ্যমে দারিদ্রতা মোকাবেলা তহবিলকে আরো জোরদার করতে তাঁর আগ্রহের কথাও ঘোষনা করেন।

কেবিনেট মেম্বার ফর রিসোর্সেস এন্ড দ্যা ভলান্টারি সেক্টর, কাউন্সিলর ক্যানডিডা রোনাল্ড বলেন, বাজেট নিয়ে আমাদের কনসালটেশনগুলো থেকে আমরা এটাই অবগত চেয়েছি যে, চিলড্রেনস সার্ভিস, শিক্ষা এবং অসহায় শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদান আমাদের বাসিন্দাদের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের এই অগ্রাধিকারসমূহকে আমরা বাজেটে সন্নিবেশিত করেছি।

ওয়াপিংয়ে চলাচল নিরাপদ ও সহজতর করতে ১.১ মিলিয়ন পাউন্ডের প্রকল্প গ্রহণ

ইউকেবিডি টাইমস ডেস্কঃ 

টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল বরার ওয়াপিং এলাকায় পায়ে হেটে চলাচল, সাইকেল এবং গণপরিবহণকে আরো সহজতর ও নিরাপদ করতে ১ দশমিক ১ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

কাউন্সিলের বহু মিলিয়ন পাউন্ডের লিভেবল স্ট্রিট প্রোগ্রামের আওতায় বারার ১৭টি এলাকার রাস্তা ও পাবলিক স্পেসে গুণগত পরিবর্তন আনা হবে। 

ওয়াপিং এলাকায় ৬ শতাধিক মানুষের ওপর পরিচালিত এক মতামত জরিপে ফুটপাত, রাস্তা পারাপার ও স্কুলসমূহের বাইরে চলাচলে অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাউন্সিলের প্রস্তাবণার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন৭০ শতাংশ মানুষ। 

টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র জন বিগস বলেন, এই প্রস্তাবণাকে চূড়ান্তকরণে যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের সকলকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা যে ফিডব্যাক বা অভিমত পেয়েছি, তা চূড়ান্ত নকশা প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

মেয়র বলেন, আমাদের লিভেবল স্ট্রিট উন্নয়ন কর্মসূচির সুফল পাচ্ছে ওয়াপিং। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হচ্ছে পায়ে হেঁটে, সাইকেলে এবং গণ পরিবহনে যাতায়াতকে আরো সহজতর, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলা। একই সাথে আরা চাই, ওয়াপিং এর ভেতরের আবাসিক রাস্তাগুলো ব্যবহার করে কোনাকোনি চলাচলকারী গাড়ি চালকদের নিয়ন্ত্রণ করতে।

প্রাম, পুশচেয়ার, বাগিস ও হুইলচেয়ার নিয়ে ওয়াপিং এলাকায় চলাচল নির্বিঘ্ন ও সহজতর করতে ধারাবাহিক পেভমেন্ট ও অধিক সংখ্যক ড্রপ কার্ভ করা হবে। প্রতি বছর ২.৭ মিলিয়ন রেল জার্নি শুরু ও শেষ হয় ওয়াপিং এ। প্রস্তাবণায় স্টেশনে প্রবেশ নির্গমণ ব্যবস্থাকে আরো নিরাপদ এবং স্থানিয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দিক নির্দেশনাকে আরো উন্নত করার বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে এই প্রস্তাবণাটি কাউন্সিলের কেবিনেট মিটিংয়ে উত্থাপন করার কথা রয়েছে। যদি কেবিনেটে তা অনুমোদিত হয়, তাহলে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ জুলাই মাসে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মেট পুলিশে এথনিক কমিউনিটি থেকে ৪০ ভাগ নিয়োগের টার্গেট

ইউকেবিডি টাইমস ডেস্কঃ 

আগামী প্রজন্মের পুলিশ অফিসার নিয়োগে মেট্রোপলিটান পুলিশের সাথে ঘনিষ্টভাবে কাজ করছে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল।

মেট পুলিশ চাচ্ছে তাদের নতুন নিয়োগের ৪০ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ, এশিয় অথবা সংখ্যালঘু নৃতাত্বিক সম্প্রদায় থেকে নিয়োগ করতে লন্ডনের সবচেয়ে বৈচিত্রময় কাউমিউনিটি সমূহ যেখানে রয়েছে, সেখান থেকে যদি আবেদনকারীদের আকৃষ্ট করা না যায়, তাহলে পুলিশের নিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অনেক কঠিন হবে।

এ প্রসঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র জন বিগস বলেন, আমরা বিশ্বার করি যে, লন্ডনের পুলিশ ফোর্স যাদের সুরক্ষায় নিয়োজিত, সেই সকল কমিউনিটির যথার্থ প্রতিফলন পুলিশ ফোর্সে থাকা উচিত। মেট পুলিশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক এগিয়ে এসেছে, তবে তারা হবে প্রথম নিয়োগদাতা যারা এটা স্বীকার করে যে তাদের নিয়োগ কার্যক্রম আরো বৃহত্তর পরিসরে হওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

মেয়র বলেন, লন্ডনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তরুণ জনগোষ্টি রয়েছে টাওয়ার হ্যামলেটসের এবং সবেচেয়ে বৈচিত্র্যময় নৃতাত্বিক পরিচয়ের কমিউনিটি হচ্ছে আমাদের মূল শক্তি। বন্ধুত্ব, বিশ্বস্ততা ও পরিশ্রমী – এই সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেছে আমাদের কমিউনিটি। মেট পুলিশ তাদের ভবিষ্যত অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন আদর্শ জনপদ আর কোথাও পাবে বলে আমি মনে করিনা।

সকল আবেদনকারীর মতোই টাওয়ার হ্যামলেটসের আবেদনকারী বাসিন্দাদেরকেও সমান মূল্যায়ন ও ভেটিং বা পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবে কাউন্সিলের কর্মসংস্থান সহায়ক বিভাগ ওয়ার্কপাথ এ ব্যাপারে বারার আবেদনকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। 

ওয়ার্কপাথ এর পক্ষ থেকে এর আপার ব্যাংক স্ট্রিটে অবস্থিত অফিসে আয়োজন করা হবে প্রি-এপ্লিকেশন ইনফরমেশন ডে, যেখানে সম্ভাব্য আবেদনকারীরা পুলিশ ফোর্সে কী ধরনের কেরিয়ার গড়ে যাবে, সেসম্পর্কে যাবতীয় তথ্য পাবেন।

যারা আবেদন করতে আগ্রহী হবেন, তাদেরকে এসেসমেন্ট ও ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।এ প্রসঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটস’ কাউন্সিলের ওয়ার্ক এন্ড ইকোনোমিক গ্রোথ বিষয়ক কেবিনেট মেম্বার, কাউন্সিলর মতিন উজজামান বলেন, আমাদের কমিউনিটির সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ অফিসাররা অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে থাকেন। এটি এমন একটি ক্যারিয়ার, যা কমিউনিটিগুলোর একদম প্রাণের মধ্যে কাজ করার, দলের অংশভূক্ত হওয়ার এং সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখার সুযোগ করে দেয়।কাউন্সিলর মতিন আরো বলেন, এরপরও এটা আমি স্বীকার করি যে, আমাদের অনেক বাসিন্দাই আগে ক্যারিয়ার হিসেবে এটাকে বিবেচনা করার সুযোগ পাননি। আমি তাদেরকে এই সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে এবং পুলিশ ফোর্সে কোন ধরনের ক্যারিয়ার গড়ে তোলা যায়, তা খুঁজে বের করতে অনুরোধ জানাচ্ছি।

টাওয়ার হ্যামলেটসে নতুন প্ল্যানিং ডিরেক্টর হিসেবে যোগ দিলেন জেনিফার পিটারস

লন্ডনঃটাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ফর প্ল্যানিং এন্ড বিল্ডিং কন্ট্রোল হিসেবে যোগ দিয়েছেন জেনিফার পিটারস। তিনি এখানে যোগ দেয়ার আগে গ্রেটার লন্ডন অথরিটিতে লন্ডন প্লান এন্ড গ্রোথ স্ট্র্যাটেজি বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

স্থানিয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের আবাসন ও পরিকল্পনা ক্ষেত্রে তাঁর রয়েছে দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা। ২০১২ সাল থেকে তিনি রাজধানীতে কাজ করে আসছেন। সর্বশেষ দায়িত্ব পালন কালে তিনি প্ল্যানিং ফ্রেমওয়ার্কসমূহের আওতায় লন্ডনের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন, সম্পুরক পরিকল্পনা নির্দেশনা তৈরীতে নেতৃত্ব দেন।

জেনিফার বলেন, টাওয়ার হ্যামলেটস হচ্ছে লন্ডনের সবচেয়ে প্রবৃদ্ধির বরা, যার রয়েছে এফোর্ডেবল হাউজিং নির্মান ও সরবরাহে, এবং অবকাঠামোতে দেশব্যাপি সুনাম। লন্ডনের একটি অংশ হিসেবে এখানে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের গতি, জটিলতা সকল ক্ষেত্রেই রয়েছে পেশাগত চ্যালেঞ্জ।

তিনি বলেন, কাউন্সিল সম্প্রতি যে লকাল প্ল্যান গ্রহণ করেছে, তা নিয়ে আমি অভিভূত। এখানে অত্যন্ত দূরদর্শী চিন্তার সম্মিলন ঘটছে। টেকসই উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধির ধারাকে যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা, নতুন ও বর্তমান কমিউনিটির সার্বিক কল্যান নিশ্চিত করতে যে টিম লকাল প্ল্যান বাস্তবায়ন করবে, তাদের নেতৃত্ব দিতে আমি ভীষণ আগ্রহী।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের এপ্রিলে ওয়েন হয়েলি অবসরে যাওয়ার পর থেকে ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন ডেভিড উইলিয়ামস, এখন তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবেন জেনিফার পিটারস।

কর্পোরেট ডিরেক্টর ফর প্লেস, এ্যান স্যুটক্লিফ এক বিবৃতিতে নবনিযুক্ত প্ল্যানিং ডিরেক্টরর জেনিফারকে স্বাগত জানান।

টাওয়ার হ্যামলেটসে নবম পরিচ্ছন্ন সপ্তাহ

লন্ডনঃটাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নবম পরিচ্ছন্ন অভিযান সপ্তাহ ২২ ফেব্রæয়ারী শনিবার থেকে শুরু হয়েছে।ঐদিন সকাল সাড়ে ১০টায় মাইল এন্ড পার্কে পরিচ্চছন্ন অভিযানে মেয়র জন বিগস এর সাথে যোগ দেন স্থানিয় বাসিন্দা, কাউন্সিল স্টাফ, স্থানিয় ব্যবসায়ি ও স্কুল শিক্ষার্থীরা।

`নিজের এলাকাকে ভালোবাসুন’ এই বার্তা ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে কাউন্সিল কিছু দিন পর পর এই পরিচ্ছন্ন সপ্তাহের আয়োজন করে।

এ প্রসঙ্গে মেয়র জন বিগস বলেন, আমরা ভাগ্যবান যে লন্ডনের মধ্যে সেরা কয়েকটি সবুজ উন্মুক্ত স্থান রয়েছে আমাদের। আমাদের প্রত্যেকেরই দায়িত্ব হচ্ছে এই সকল পার্ক, উন্মুক্ত স্থানগুলোকে আবর্জনামুক্ত রাখা।

কেবিনেট মেম্বার ফর দ্যা এনভায়রনমেন্ট, কাউন্সিলর ডেভিড এডগার বলেন, যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা আমাদের পরিবেশকে দূষিত করে এবং বাসিন্দাদের বিরক্ত করার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে অপরিচ্ছন্নতা। কাউন্সিলের দ্যা বিগ ক্লিন আপ অপারেশনের উদ্দেশ্য হচ্ছে কমিউনিটিকে এই কাজে একত্রিত হয়ে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করা এবং নিজেদের বারাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে, এর পরিচর্যায় তারাও যে আন্তরিক, তা তুলে ধরা। বছরকালেরও বেশি সময় ধরে যারা স্বেচ্চছাসেবী হিসেবে এই কাজে অংশ নিয়েছেন, আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ৮ম ক্লিন-আপ সপ্তাহে ১১৮ ব্যাগ আবর্জনা ও রিসাইকল উপযোগি সামগ্রী সংগ্রহ করা হয়। অর্থাত ১৮৭ কেজি আবর্জনা যা আমাদের রাস্তা, ফুটপাত, পার্ক ও খালে ফেলা হয়েছিলো। 

২০১৭ সালে কাউন্সিলের লাভ ইওর নেইবারহুড ক্যাম্পেইন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ৬৮টি পরিচ্ছন্ন অভিযানে ৭০০ স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন।

বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যানকে হিথ্রো বিমানবন্দরে অর্ভ্যথনা

লন্ডন প্রতিনিধিঃ বড়লেখা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুয়েব আহমেদ তিন সপ্তাহের ইউরোপ সফরে লন্ডনের হিথ্রো…

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বার্মিংহাম উদীচীর পুস্থ স্তবক অর্পন

বার্মিংহাম থেকে সংবাদদাতাঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান একুশ ফেব্রুয়ারী উপলক্ষে  বার্মিংহাম এর স্মলহীথ…

লুটনে জাকঝমক আয়োজনে বৃটিশ বাংলাদেশী বিজনেস ফোরামের এওয়ার্ড ও গালা ডিনার সম্পন্ন

ইউকেবিডি টাইমস ডেস্কঃ  

ইস্ট ইংল্যান্ডের লুটনে জাকঝমক আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় গেলো বৃটিশ বাংলাদেশী ফোরাম বিবিবিএফ …

1 2 3 8

Developed by: TechLoge

x