• শনিবার, আগস্ট ১৭, ২০১৯

কে হচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস না হান্ট?জানা যাবে ২৩ জুলাই



ইউকেবিডি টাইমস ডেস্কঃ কে হচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস না হান্ট? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে প্রায় একমাস। আর মাত্র এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে বৃটেন। আগামী ২৩ জুলাই জানা যাবে কে হচ্ছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী। বরিস জনসন না জেরেমি হান্ট। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ইতোমধ্যে বান্ধবীর সাথে ঝগড়ায় জড়িয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এমপিদের সমর্থনে এগিয়ে থাকা বরিস। এছাড়া তিনি ‘ডু অর ডাই’ ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন করবেনই বলে ঘোষণা দিয়েছেন। অপরদিকে জেরিমি হান্ট ৩১ অক্টোরের সময়সীমাকে ‘ফেইক ডেডলাইন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। শুরু থেকে বেশীসংখ্যক এমপির সমর্থন নিয়ে ফাইনাল রাউণ্ডে এসেছেন সাবেক ফরেন সেক্রেটারি বরিস জনসন। অপরদিকে বর্তমান ফরেন সেক্রেটারি জেরেমি হান্ট তাঁর অর্ধেক ভোট পেয়ে এ পর্বে পৌঁছান। আর এজন্য বরিসের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী দেখছেন অনেকে। তবে এতে ব্যত্যয় হবে না সেটির নিশ্চিয়তা নেই। কারন ব্রিটিশ রাজনীতি একটি ব্যাপার আছে যে, সবাই যাকে বিজয়ী মনে করে তিনিই শেষ পর্যন্ত হেরে যান। তাই কে হচ্ছেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তা এখন চূড়ান্তভাবে বলা দুরূহ।
দলের নেতার পদ থেকে থেরেসা মে পদত্যাগের পর নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে দলটি। নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণার তারিখ জানানো হলেও কবে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবেন তা ঘোষণা করা হয়নি।
এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে কনজারভেটিভ পার্টি জানিয়েছে, আগামী ২৩ জুলাই, মঙ্গলবার পরবর্তী নেতার নাম ঘোষণা করা হবে। উভয় প্রার্থীর সম্মতিতে এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
দলের পরবর্তী নেতা নির্বাচনের জন্য দলটির ১ লাখ ৬৬ হাজার কর্মীর কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু হবে ৬ ও ৮ জুলাই এবং ২২ জুলাই ৫টার সময় ভোট গ্রহণ শেষ হবে। এরপরই গণনা শুরু হবে। পরের দিন অর্থাৎ ২৩ জুলাই ফল ঘোষণা করা হবে। এর আগে উভয় প্রার্থী বেশকটি হাস্টিং-এ অংশগহ্রণ করতে হবে। একই সাথে চলবে বিভিন্ন টিভি বিতর্কও।
বিভিন্ন খবরে জানা গেছে, নতুন নির্বাচিত নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের শরৎকালীন ছুটি শুরু হচ্ছে ২৫ জুলাই থেকে। ফলে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে সেপ্টেম্বরের আগে এমপিদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে না।
ব্রেক্সিট ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থতা দলীয় এমপিদের ক্রমাগত চাপের মুখে গত মাসে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। গত ৭ জুন যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের নেতার পদ থেকে থেরেসার সরে দাঁড়ানোর পর নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করে রক্ষণশীল দল।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন দলীয় নেতা নির্বাচনে টোরি এমপিদের প্রথম দফা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফার ভোটে এমপিদের সর্বোচ্চ সমর্থন পান থেরেসা বরিস জনসন। তখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌঁড়ে প্রার্থী ছিলেন ১০ জন। প্রথম ধাক্কায়ই ছিটকে পড়েন হাউজ অব কমন্সের সবেক লিডার এনড্রি লিডজমসহ ৩ জন। দ্বিতীয় দফায় এসে ছিটকে পড়েন সাবেক ব্রেক্সিট সেক্রেটারি ডমেনিক রাব। আর তৃতীয় দফায় এসে ছিটকে পড়েন অভাবনীয়ভাবে এগিয়ে আসা রোরি স্টুয়ার্ট। আর সর্বশেষ দফায় সাজ ঘরে ফিরে যান এনভায়রোমেন্ট সেক্রেটারি মাইকেল গোভ ও হোম সেক্রেটারি সাজিদ জাভিদ।

Leave a Reply

Developed by: TechLoge

x