• মঙ্গলবার, জুলাই ২৩, ২০১৯

প্রধানমন্ত্রীর চারটি চ্যালেঞ্জ : আমার কিছু ভাবনা

Posted on by

দেওয়ান ফয়সল:

গত ৩০শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন। বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলই এতে অংশ গ্রহণ করেছে। আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে দেশবাসীর কাছে এবং বিশ্বের দরবারে তার ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে সক্ষম হয়েছে। আর বিএনপি পরাজয়ের গ্লানি মাথায় নিয়ে রাজনীতি থেকে বিদায় নেয়ার পথে। নির্বাচনের আগে বানরের পিঠা ভাগ’ শিরোনামে আমি এক কলাম লিখেছিলাম
জনমত পত্রিকায়। তাতে তখন বিরোধীদলীয় রাজনীতিবিদদের রাজনৈতিক কার্য্যকলাপ দেখে লিখেছিলাম, ্য়ঁড়ঃ;গণফোরামের সাথে বিএনপি সহ ছোট ছোট কয়েকটি রাজনৈতিক সংগঠন তাদের প্রত্যেকের দলের পদ নিয়ে দরকষাকষি করে যে ভাবে সময় নষ্ট করছেন, তাতে শেষ বেলায় এসে দেখবেন নির্বাচনে
তাদের প্রচারাভিযান চালানোর মতো সময় আর নেই। হাতে মাত্র সপ্তাহ দু’য়েক সময় আছে। এই অল্প সময়ে তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার সময় আর পাবেননা। শেষ পর্য্যন্ত নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করলেও খালি হাতে ঘরে ফিরতে হবে অন্যথায় নির্বাচন বনচালের চেষ্টা করবেন”। শেষ পর্য্যন্ত দেখলাম আমার ধারণাটাই বাস্তবে পরিণত হয়েছে। বিএনপি তার ঐক্যফ্রন্ট জোট নিয়ে ভোটের আসর থেকে খালি হাতেই
বিদায় নিতে হলো। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধানরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীও এরই মধ্যে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সকল এমপিদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সুন্দর এবং সফল ভাবে সম্পন্ন করেছেন। বিভিন্ন বিভাগে মন্ত্রীদের নিয়োগ করে তাদের উপর দায়িত্বও অর্পনকরেছেন। এবারের সংসদে রয়েছেন অনেক নতুন মুখ। তারা ঠিক মতো কাজ করছেন কি না অর্থাৎ তাদের গাইড দেয়ার জন্য যারা আগের বারের সংসদের ঝানু ঝানু মন্ত্রী ছিলেন তাদের মন্ত্রীত্ব পদ না দিয়ে, তাদেরকে অভিভাক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন নতুনদের ঠিক মতো পরিচালনা করার জন্য।এতে নতুন মন্ত্রী, এমপিরা যেমন ক্ষমতা কি ভাবে দেশের স্বার্থে কাজে লাগাতে হবে, তা তারা শিখতে পারবেন।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এটা একটা চমৎকার আইডিয়া। তবে আমার বিশ্বাস, এবার যারা নির্বাচিত হয়ে সংসদে গিয়েছেন তারা মনোযোগ দিয়েই নিজেদের এলাকার জন্য কাজ করবেন এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে চলবেন। বর্তমান সরকারকে মনে রাখতে হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথায় বিশ্বাস করে বাংলাদেশের জনগগণ আওয়ামী লীগকে
ভোটের মাধ্যমে আবারও ক্ষমতায় বসিয়েছে, সুতরাং জনগণকে দেয়া ওয়াদা পূরণে যদি সরকার কার্য্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে তাহলে তার সুফল জনগণ ভোগ করবে এবং আজীবন আওয়ামী লীগই তাদের কান্ডারী বলে মেনে নেবে আর যদি এতে হেরফের হয় তাহলে আওয়ামী লীগকে সারা জীবনের জন্য সবকিছু গুটিয়ে
ফেলতে হবে। সুতরাং বর্তমান সরকারের জন্য সামনে একটি কঠিন পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় তাদের পাশ করতেই হবে যে কোন ত্যাগের বিনিময়েই হোক।গত ১৯শে জানুয়ারী শনিবার বিকেলে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ্য়ঁড়ঃ;বিজয় উৎসব” উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথির ভাষণে বলেছেন-্য়ঁড়ঃ;বিজয় পাওয়া
যত কঠিন, জনগণের জন্য কাজ করে সেই বিজয় ধরে রাখাআরো কঠিন, স্ধেসঢ়;ই কঠিন কাজটি আমাদের করতে হবে।”


তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা যখন হাতে এসেছে, সরকার দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করবে। প্রতিটি জনগণ প্রতিটি নাগরিক আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, প্রত্যেকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবো, সেখানে কোন দল বা মত দেখা হবে না”। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এবং দুর্নীতি এই ধরণের সংক্রামক রোগ থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে , এর জন্য যা যা প্রয়োজন তাই করবো। এটি এখন সময়ের প্রয়োজন। দেশ থেকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দূর্নীতি নির্মুল করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এই উদ্যোগ নেয়ায় প্রমাণিত হয়, তিনি ক্ষমতায় আরোহনের জন্য জনগণের ম্যান্ডেট নেননি, তাঁর উদ্দ্যেশ্যই হচ্ছে দেশকে শান্তিপূর্ণ ভাবে পরিচালিত করে দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে।মানুষ যাতে শান্তিতে দুমুঠো ভাত খেতে পারে, নিশ্চিন্তে কাজ কর্ম করতে পারে, শান্তিতে ঘুমোতে পারে, -মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, দুর্নীতি এসবে কবলে পরে যাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম নষ্ট না হয়, সেজন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী ওয়াদাবদ্ধ হয়েছেন।
এখন একটু আলোচনা করা যাক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, দুর্ণীতি নির্মূল এর
পদক্ষেপ নিয়ে। আমি প্রথমেই আলোচনা করবো মাদক নিয়ে।মদ্যপান আমাদের দেশে সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। আমাদের ছোটবেলায় দেখেছি মদ্যপান ছিলো বড়লোকের একটা ফ্যাশন। বড় বড় টাকাওয়ালা, ব্যবসায়ী, এমপি,মন্ত্রী, বড় বড় চাকুরীজীবীরা মনে করতেন মদপান এটা বড়লোকের জন্য। মদ্যপানে তারা খুবই গর্ববোধ করতেন।ঢাকায় থাকাকালে এটা আমার নিজের দেখা। আর নীচের স্তরে
গেলে দেখা যেতো চা-বাগানগুলোর কর্মীরা মদ পান করতো,তাও নি¤œমানের। এভাবে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীতে মদ্যপানের প্রচলন ছিলো, এটা অস্বিকার করার উপায় নেই।এটা আদিকাল থেকে চলে আসছে এবং এখনও চলছে। এর সাথে বর্তমানে আরও যোগ হয়েছে গাজা, ইয়াবা সহ অন্যান্য নেশাজাত দ্রব্যাদি। গত ১১জানুয়ারী সম্পাদক ডট কম -এ ব্যাপারে এক রিপোর্ট বেরিয়েছে তার হুবহু আমিএখানে তুলে ধরছি। তাহলে পাঠকরা বুঝতে পারবেন আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম কোথায় গিয়ে পৌছেছে। ্য়ঁড়ঃ;ঢাকার উঠতি
র‌্যাম্প মডেল সুমাইয়া আক্তার। মডেলিং ছাড়াও বিভিন্ন মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেন নিয়মিত। শুটিংয়ের সুবাদে মাঝে মধ্যে আসেন ইয়াবার ট্রানজিট পয়েন্ট কক্সবাজারে।শুটিং শেষে বাড়ি ফিরে যাওয়ার পথে নিয়ে যান ইয়াবার চালান।অভিন্ন কায়দায় ইয়াবা পাচার করতে গিয়ে গত সেপ্টেম্বরে
দুই লাখ পিছ ইয়াবা সহ শুটিং ইউনিটের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৭।শুধু শুটিং ইউনিট নয়, কখনো কখনো পর্য্যটক, কখনো মসজিদের ইমাম, কখনো সাপুড়ের বেশে কক্সবাজার থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার হচ্ছে ইয়াবা। যদিও এর নগন্য কিছু চালান আটক করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সদস্যরা। চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বলেন, মাদক পাচারের রুটে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অধিক সক্রিয় রয়েছেন। তাই মাদক পাচারকারীরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে। এই কৌশলের অংশ হিসেবে বিভিন্ন পেশার লোকজন ইয়াবা পাচারে যুক্ত
হচ্ছে। এদের মধ্যে রয়েছে, মডেল কন্যা, বিমানবালা,মসজিদের ইমাম, আইনজীবী, সাপুড়ে, বাবুর্চি সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। গত ৯ ফেব্রুয়ারী পর্য্যটেকের বেশে ইয়াবা পাচারের সময় ৮ জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পৃথক দুটি অভিযানে ২ লাখ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ও দুটি বাস জব্দ করা হয় ২৬ জানুয়ারী নগরীর মইজ্জ্যার টেক এলাকায় ইয়াবা পাচারের সময় এনায়েত উল্লাহ নামে মসজিদের এক ইমামকে
গ্রেফতার করা হয়। তার পেট থেকে ২হাজার পিস ইয়াবা বের করা হয়। সাপুড়ে সেজে সাপের বাক্সে করে ইয়াবা পাচারের সময় আবুল হোসেন নামে অপর এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার
করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।২২ জানুয়ারী নগরীর স্টেশন রোড এলাকায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয় বেসরকারী একটি এয়ারলাইন্সের বিমানবালা স্মৃতি আক্তারকে। এ সময় তার কথিত প্রেমিক জুবাইরকেও গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৮ হাজার পিস
ইয়াবা জব্দ করা হয়। এভাবে ইয়াবা পাচার এখন বাংলাদেশের শহর এবং গঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।তবে কথা হচ্ছে, এ এই মাদক রোধের বিষয়টি সামনের কাতারে আসার কারণ কি, তা একটু খতিয়ে দেখা দরকার। সমুদ্রে যখন ঘূর্নিঝড়ের সৃষ্টি হয়, তখন ঘুর্ণিঝড়ের সেই বাতাস সারা দেশে প্রবাহিত হয়। কম হোক আর বেশি হোক, সেই বাতাসের ধাক্কা সারা দেশে সব জায়গাতেই আঘাত হানে। মাদকও ঠিক একই ভাবে সমাজের উচ্চবিত্ত পরিবার থেকে শুরু হয়ে এখন সমাজের বিভিন্ন স্তরে আঘাত হেনেছে। এই মাদক বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানী করা হয় এবং পেছনে রয়েছে সমাজের উচ্চবিত্ত শ্রেণীর লোকদের হাত। এতে করে তারা যেমন লাভবান হন তেমনি এ ব্যবসায়ে যারা জড়িত তারা বড় অংকের টাকা উপার্জন করতে পারে। বর্তমানে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যেতে যেমন সহজ তেমনি অল্প সময়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাদের এজেন্টদের কাছে তা পৌছে দেয়া সম্ভব হয়েছে। যার ফলে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি এলাকার যুবক-যাবতীদের কাছে মদ গাজা. ইয়াবা পাওয়াটা সহজলভ্য হয়ে গেছে। তারা সহজেই বিক্রেতাদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে নেশা করতে পারে। এত করে সমাজের যতো কুকর্ম আছে তারা করতে দ্বিধাবোধ করে না। মারপিঠ, ধর্ষণ, বিবাহ ভেঙ্গে যাওয়া, স্বামী স্ত্রীকে, স্ত্রী
স্বামীকে হত্যা, প্রেমের নামে অপহরণ ইত্যাদি সমাজে যতো খারাপ কাজ তা এখন দিন দিন শুধু বেড়েই চলেছে। ঘটনা খতিয়ে দেখা যায়, এসব নেশাজাতীয় পানের কারণেই এসব ঘটনার অধিকাংশই ঘটে। যার ফলে সমাজের মূল মেরুদন্ডই ভেঙ্গে পড়ার পথে। অভিভাকরাও কোন কোন ক্ষেত্রে তাদের সন্তানদের
বারন করতে ভয় পান, তারা এখন অসহায় পড়েছেন। কিন্তু যারা এই ব্যবসার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জাড়িত তারা তো সেই এলিট শ্রেণী বা উচ্চবিত্ত পরিবারে লোকজনই। এদের
সামাল দেবে কে? আইন রক্ষাকারী সংস্থা? তারাও তো এদের অংশীদার! সুতরাং এই মাদক নির্মূল করতে হলে অবশ্য আমি একেবারে নির্মূল বলবো না, বলবো কমিয়ে আনতে হলে প্রথমেই আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোকে কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রনে আনতে হবে। এরপর যে সব জায়গায় এসবের প্রকোপ বেশী, সেই এলাকা নিয়ন্ত্রণের জন্য এলাকার অভিবাক, চেয়ারম্যান, এমপি সবার সহযোগিতা নিয়ে এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে এ ব্যবসায় যারা জড়িত তাদেরকে কঠোর শাস্তির আওতায় এনে শাস্তিদানের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমান আদালত স্থাপন করে একজন ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়েগ করে সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে দোষিদের কঠোর শাস্তি দানসহ প্রয়োজনে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এ রকম দু’একটি বিচার হয়ে গেলেই পরিস্থিতি অনেকটা আয়ত্বে আনা সম্ভভ হতে পারে। এই বিচার ব্যবস্থার ফলে জনগণ যদি তার সুফল পায়, এবং তারা শন্তিতে থাকতে পারে, তাদের ছেলেমেয়েরা বইরে গেলে যাতে দু:শ্চিন্তার কারণ না হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সরকারকে ফুল সাপোর্ট দিয়ে যাবে একথা নি:সন্দেহে বলা যায়। আমার সন্দেহ হচ্ছে, বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যেভাবে অভিযান শুরু হয়েছে এবং তার ফলাফলও জনগণ দেখতে পাচ্ছে ঠিকই কিন্তু কতদিন তা চলবে? এই অভিযানতো নির্ভর
করছে, উপরের এলিট ক্লাস থেকে শুরু করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী , মাদক নিয়ন্ত্রণ দফতর থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগগুলোর উপর। এসব বিভাগগুলোর যেসব অসাধু কর্মকর্তা আছে যারা এগুলোর সাথে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে এদের বিরুদ্ধে যতদিন পর্য্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা না
নেয়া হবে, ততদিন পর্য্যন্ত এই অভিযান কতটুকু সাফল্যের মুখ দেখবে তা-ই আমি ভাবছি। (চলবে)

সাংবাদিক ও লেখক

Leave a Reply

Developed by: TechLoge

x