• সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২০

তফসিল ঘোষণার পর সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত: ইসি সচিব

Posted on by

নিউজ লাইফ ডেস্কঃ তফসিল ঘোষণার পর সেনা মোতায়েন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ।সোমবার ইসির সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, সভায় তফসিল ঘোষণার বিষয়ে আলোচনা হয়নি। আগামী সভায় এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এছাড়া তফসিল ঘোষণার পর সেনা মোতায়েন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আরপিও সংশোধন হলে নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তুতি নেয়ার কথা জানান তিনি।সভায় নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছে উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন, আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রত্যেকটি শাখা তাদের প্রস্তুতির বিষয়গুলো তুলে ধরার পর তা চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আমরা কী পদক্ষেপ নিয়েছি, সামনে কী পদক্ষেপ নেব সে বিষয়ে কমিশন নির্দেশনা প্রদান করেছে।

তিনি জানান, নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং (ইভিএম) মেশিন ব্যবহারের প্রস্ততিও থাকবে। এক্ষেত্রে সরকারেরর কাছে আইন সংশোধনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আইন সংশোধন হলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। ইভিএমকে জনপ্রিয় করার জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দেশের নয়টি স্থানে এবং নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে দুইদিনব্যাপী ইভিএম মেলার আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচনে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। বিশেষ করে ফেমবোসা অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর কর্মকর্তাদের আমরা বিশেষ আমন্ত্রণ জানাব।সচিব বলেন,নির্বাচনে ফলাফল প্রকাশে প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে অনলাইন এবং নিজস্ব সিস্টেমের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।নির্বাচনে আমাদের প্রচুর লোকবলের প্রয়োজন হয়।এজন্য বিভিন্ন সংস্থা থেকে লোকবল সংগ্রহ করা হবে।ইতিমধ্যে সরকারের কাছে মাঠপর্যায়ে পদ ফাঁকা না রাখতে ইসির নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংলাপের ওঠে আসা বিষয়গুলোর মধ্যে সীমানা নির্ধারণ,ভোটার তালিকা প্রণয়নসহ যেসব বিষয় আমাদের এখতিয়ারভুক্ত সেসব বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করেছি।

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের সভা বর্জনের বিষয়ে ইসি সচিব বলেন,একজন কমিশনার বর্জন করলেও তাতে সভা বিঘ্নিত হয়নি।সভা বর্জনের ঘটনায় কমিশনের মধ্যে অনৈক্যতা বাড়ছে কী না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,এটা কমিশনের বিষয়।সচিবালয়ের কর্মকর্তা হিসেবে আমি মন্তব্য করতে চাই না।এতে সভা বিঘ্নিত হয়নি।সারা দিনব্যাপী সভা করেছি।যেসব বিষয় আলোচনা হয়েছে তা চার ভাগ করে চারজন কমিশনারকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।আমরা চাইব,সব কমিশনার সভায় উপস্থিত থাকবেন এবং তারা মতামত দেবেন।এর আগে বাকপ্রকাশ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণেরও অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের ৩৬তম সভাও বর্জন করেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

সোমবার ইসি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় তার দেয়া পাঁচ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে না দেয়ার প্রতিবাদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে সভা থেকে বেরিয়ে যান তিনি। পরে তার অনুপস্থিতিতে দিনভর ওই সভা চলে, নেয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত। ওই সভার পরে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে তার বাকপ্রকাশ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণেরও অভিযোগ তোলেন।এর আগে একবার ইভিএমের বিরোধিতা করে গত ৩০ আগস্টের সভাও বর্জন করেছিলেন মাহবুব তালুকদার।

Leave a Reply

Developed by: TechLoge

x