• বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২০

মিয়ানমারের মানচিত্রে সেন্টমার্টিন দ্বীপপুঞ্জ: রাষ্ট্রদূতকে তলব

Posted on by

মিয়ানমারের মানচিত্রে সেন্ট মার্টিন দ্বীপপুঞ্জকে দেখানোর ঘটনায় দেশটির রাষ্ট্রদূতকে ডেকে তার প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

শনিবার দুপুরে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত লুইন উকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতের হাতে সেন্টমার্টিন দ্বীপ নিয়ে মালিকানার দাবির বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে একটি কূটনৈতিক পত্র দেয়া হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল (অবসরপ্রাপ্ত) মো. খুরশেদ আলমের দপ্তরে মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়।

রাষ্ট্রদূতকে দুপুর ১টায় মন্ত্রণালয়ে খুরশিদ আলমের কক্ষে ঢুকতে দেখা যায়; তিনি এক ঘণ্টা পর বেরিয়ে আসেন। তবে বেরিয়ে আসার সময় এ বিষয়ে কোন কিছু বলেননি চাননি রাষ্ট্রদূত লুইন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমার সরকারের জনসংখ্যা বিষয়ক বিভাগের ওয়েবসাইট সম্প্রতি তাদের দেশের যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে, তাতে সেইন্ট মার্টিন দ্বীপপুঞ্জকে তাদের ভূখণ্ডের অংশ দেখানো হয়ে। ওই মানচিত্রে মিয়ানমারের মূল ভূখণ্ড এবং বঙ্গোসাগরে বাংলাদেশের অন্তর্গত সেইন্ট মার্টিন দ্বীপকে একই রঙে চিহ্নিত করা হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশের ভূভাগ চিহ্নিত করা হয় অন্য রঙে।

বাংলাদেশের ভূখণ্ড মিয়ানমারের মানচিত্রে এভাবে প্রদর্শনের ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয় রাষ্ট্রদূতের কাছে।

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যে মিয়ানমারের এই তৎপরতাকে খাটো করে দেখছে না বাংলাদেশ।

কক্সবাজার সংলগ্ন প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন সৃষ্টি থেকে বর্তমান বাংদেশের ভূখণ্ডের অন্তর্গত। ব্রিটিশ শাসনাধীনে ১৯৩৭ সালে যখন বার্মা ও ভারত ভাগ হয়, তখন সেন্ট মার্টিন ভারতে পড়েছিল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে সেন্ট মার্টিনবাংলাদেশে অন্তর্গত।

নিউজবাংলাদেশ.কম

Leave a Reply

Developed by: TechLoge

x