• বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২০

‘আমরা যদি না জিতি মা’, কোটা হাতুড়ি এবং ব্রাজিল আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ সমাচার!!

Posted on by

নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই নানা ঘটনা দুর্ঘটনা ঘটে যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে । যদিও নির্বাচন ব্যবস্থা এখন কতদূর কার্যকর আছে তা প্রশ্নসাপেক্ষ। কিছুদিন আগে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন হয়ে গেল। নির্বাচন কমিশনের সচিবের ভাষায় তা আন্তর্জাতিক মানের নির্বাচন হলেও, বলাবাহুল্য বাস্তবে কতদূর কি হয়েছে তা সোশ্যাল ও মূল ধারার মিডিয়ার বদৌলতে দেশবাসী বুঝে নিয়েছে নিজেদের মত করে। প্রায়শ: জনগণকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানানো ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের মেনিয়াতে পরিণত হয়েছে। তা মাদক নির্মূল হোক, পরিবেশ রক্ষা হোক কিংবা নারী নির্যাতন প্রতিরোধসহ নানা ইস্যু হোক। সব সময় জনগণকে এগিয়ে আসার আহবান । বয়স যখন অল্প ছিল, তখন এই এগিয়ে আসার আহ্বানের মাজেজাটা সেভাবে বুঝতাম না। সব সময় খুবই ইতিবাচক মনে হোত। দিনে দিনে দেখা জানা বোঝার জগতটা সম্প্রসারিত হবার সাথে সাথে এখন এটাকে কথার কথা বা সচেতন বা অবচেতনভাবে ভন্ডামি বলে মনে হয়। বিশেষ করে কথাটা যখন ক্ষমতাসীন কিংবা ক্ষমতাধর প্রভাবশালী রাজনীতিকরা বলেন! মাদক নির্মূল বলেন পরিবেশ রক্ষা বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধ বলেন; এমন আর্থ সামাজিক ও নানা কারণে রাজনীতি ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে সাধারণ মানুষ কতটুকুই বা করতে পারে? আইনের প্রয়োগ যদি যথাযথ হোত, পুলিশ, প্রসিকিউশন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নেতৃত্ব যদি বিশেষ অপরাধী নির্বিশেষে সবার প্রতি আইনের সমান প্রয়োগে গুরুত্বারোপ করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কাজটি করতো তাহলে সন্ত্রাস মাদক নিয়ন্ত্রণের সিংহভাগ কাজ হয়ে যেত। এক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের ভূমিকা কেমন হতে পারে?
নাগরিকরা কি আসলে কখনো নিশ্চুপ থাকে? না থাকতে পেরেছে? যখন নদী খাল বিল মাঠ গুলো একের পর এক সংকুচিত হতে থাকল, তখন কি মানুষ বুঝতে পারে নি এর প্রতিক্রিয়ায় কী বিপর্যয় ভবিষ্যতে আসছে? যে জেলে খাল বা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে, দখলদাররা যখন আর্থিক এবং সচরাচর রাজনৈতিক ক্ষমতাপুষ্ঠ হয়ে সে খাল বা নদীতে বাঁধ দিয়েছে তখন অন্তত: নিজের জীবন ও জীবিকার বিষয়ে আশংকিত সে জেলে কী ক্ষীণ হলেও প্রতিবাদ করে নি? এই তো সেদিন নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে ভাংগনের হুমকির শিকার মানুষজন বালু খোর চক্রের মেশিনপত্র জ্বালিয়ে দিয়েছে এমন খবর দেখেছি পত্রিকায়। এমন ঘটনা সব সময়ে ঘটে না। কতদূর অসহায় হলে মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নেয়! শরীরের একটি বিশেষ অংগে ব্যথা করলে ঔষুধটা হয়তো সেখানে প্রয়োগ করা যায়, কিন্তু ব্যথাটা যখন সর্বাঙ্গে ছডিয়ে পড়ে তখন তো অসহায়ের মত বলে উঠতে হয়’ সর্বাঙ্গে ব্যথা ঔষুধ দিব কোথা’। অনেক রক্তের মূল্যে যে স্বাধীনতা সে স্বাধীন দেশের জনজীবন আজ প্রাতিষ্ঠানিক অপ্রাতিষ্ঠানিক নানা অপশক্তির কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নামার দরকার নেই। সমস্যাটা যেন ঘর থেকেই শুরু।বিদ্যুৎ এর ট্রান্সফরমার বিস্ফোরিত হলো। ছোট বেলা থেকে দেখেছি এসব ক্ষেত্রে সাধারণত: যা হয়- ঝড় বৃস্টিতে এক সাথে অনেকগুলো বিকল না হলে সাধারণত: কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ট্রান্সফরমারের সমস্যা মিটে যেত। সেদিন দেখলাম এক ভাই ফেইসবুকে লিখেছেন-আমাদের সেই পুরোনো পৌর শহরে আমাদের এলাকায় ট্রান্সফরমার ঠিক করার জন্য বিদ্যুতের লোকেরা নাকি ২০ হাজার টাকা চেয়েছে। এলাকার অনেকে সঙ্গতকারণেই আপত্তি করেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঐ টাকাটা নাকি দিতেই হয়েছে। পুরোনো একুশ ( না ঊনিশ?) জেলার একটির জেলা শহর। সেই ছোটখাটো মফ:স্বল শহরে একটি খাল ছিল। সরকারের পর সরকার এসেছে। রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটেছে। পুরোনো দখলদারের জায়গায় নতুন দখলদার এসেছে। পরিবর্তন শুধু এটুকু। এরিমাঝে দিনে দিনে খাল হারিয়ে গেছে। ডিসি অফিসের সামনে বিরাট দীঘি। দীঘির পাড়ে মাঠ। শৈশবে পাড়ার সব ছেলে মেয়ের বৈকালিক খেলাধুলার এক অবশ্যাম্ভাবী গন্তব্য ছিল। উন্নয়নের নামে দিনে দিনে কংক্রিটের আসন বসেছে, মাঠ শেষ। দেয়াল দিয়ে ঘেরা হয়েছে। এক পর্যায়ে পৌরসভা সেখানে একটি কংক্রিটের ক্যাফেটেরিয়া বানিয়ে উন্নয়নের ষোলকলা পূর্ণ করেছে। এখন পাড়ার ছেলে মেয়েদের খেলাধুলার মাঠ নেই। কেউ কম্পিউটার আবার কেউবা টিভি সেটের সামনে বসে বসে শৈশব আর কৈশোর হারিয়ে ফেলছে। এখন তাদের কাছে খেলাটা যত না নিজের অংশগ্রহণের বিষয় তার চাইতে বেশি দেখার বিষয়। উপভোগের খেলা আজ তাদের কাছে হয়ে গেছে উম্মাদনার উপলক্ষ! বিশ্বকাপ খেলছে ইতিমধ্যে সেমি ফাইনালে পৌঁছে গেছে এমন একটি দেশে আছি। কিন্তু সেখানে খেলা নিয়ে এমন উম্মাদনা নেই। যদিও তাদের প্রায় সব এলাকায় ফুটবল ক্লাব আছে। সে সব ক্লাবের বিশাল মাঠ যেমন আছে, তেমনি কারো কারো আছে মিলিয়ন বিলিয়ন পাউন্ডের তহবিল।
এটা কে না জানে, শিশু কিশোর তরুণরা যখন নির্মল আনন্দ থেকে বন্চিত হয়, তখন তাদের মধ্যে নানা অবান্চিত জিনিস এসে পড়ে। মাদকের সর্বগ্রাসী বিস্তারও সে পথে হয়ে গেল সারা দেশে। ইয়াবা নামের মরণ নেশার প্রভাবে কত ঘর যে ভেংগেছে কত যুবক যুবতী নানা বয়সী মানুষ যে ভুক্তভোগী হয়েছে তা কম বেশি সবার জানা। হঠাৎ করে সাম্প্রতিক কালে সরকার এ নিয়ে নড়েচড়ে উঠল। চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে। বাহারী শ্লোগান দিয়ে শুরু হয়ে গেল বন্দুক যুদ্ধের নামে মানুষ খুন। এক রাতে ১০ জনের অধিক তথাকথিত মাদক ব্যবসায়ীও মেরে ফেলা হলো। এক পর্যায়ে কক্সবাজারে কমিশনার একরামকে হত্যা করা হলো। খুনের অডিও বের হলো। দেশব্যাপী মানুষ স্তব্দ হয়ে গেল। অথচ সরকারেরই বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে ইয়াবার প্রধান পৃষ্ঠপোষক এমপি বদি সব যুদ্ধের বাইরে থেকে গেলেন। অভিযানের মধ্যে ওমরা করতে আত্নীয়স্বজন নিয়ে তার সৌদী আরব যেতেও কোন সমস্যা হয়নি। স্বরাস্ট্রমন্ত্রী বললেন বদির ব্যাপারে তথ্য আছে প্রমাণ নেই। প্রিয় পাঠক, যারা ভুক্তভোগী, যার স্বজন মরণনেশায় আসক্ত কিংবা সাধারণ সচেতন মানুষ তারা কি মাদকের বিস্তারের পর্বে প্রতিবাদ করেনি ? করেছে। এই যেমন প্রতিবাদ করার প্রতিদান হিসেবে ভৈরবে মাদক বিরোধী সংগঠনের এক সংগঠককে এক পুলিশ কর্মকর্তা ডেকে নিয়ে সংগঠনের কাজ বন্ধ করতে বলেন। বেচারা তা মানতে পারে নি। উপরন্তু পদস্থ কর্মকর্তাদের সামনে তা উত্থাপন করেছে। অত:পর ঐ মাদক বিরোধী সংগঠনের সংগঠককে মামলা দিয়ে জেলে ঢুকিয়েছেন ঐ পুলিশ কর্মকর্তা। বছরের পর বছর ঐ ভদ্রলোক প্রতিবাদের মাশুল গুনছেন। অভিযোগ উঠেছে পুলিশের চট্রগ্রাম অন্চলের একজন ডিআইজি লেবেলের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যিনি ধৃত ইয়াবা কারবারীর পক্ষে প্রভাব খাটিয়েছেন। প্রিয় পাঠক যেখানে অর্থ ও রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাবে দুর্নীতি দখলদারিত্ব অপরাধ সন্ত্রাস চলে সেখানে এসব সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে মানুষ কতটুকুই বা করতে পারে। অথচ মর্মান্তিক হচ্ছে সেই আমজনতাকেই এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানানো হয় সেই তাদের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির দায় দায়িত্ব কম বেশি যাদের উপর পড়ে!
এবার অন্য প্রসংগে যাই, কোটা ভালো না খারাপ সেটা নিয়ে বিতর্ক থাকতেই পারে। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি তখন একবার জেলা কোটা বাতিলের জন্য দাবি উঠেছিল। সে যাক ৫৬ % কোটার সংস্কার নিয়ে আন্দোলন শুরু হলে প্রধানমন্ত্রী সেই মে মাসে সংসদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করলেন সংস্কার পুরো কোটাই তিনি বাতিল করে দিলেন। অভিযোগ আছে কোটার অপব্যবহার হচ্ছে। কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়ার সুযোগে দুর্নীতির মাধ্যমে অন্য প্রার্থী নিয়োগ দেয়া হয়। সরকারের রুলস অব বিজনেস অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর সুস্পস্ট ঘোষণার সাথে সাথে অন্য সব বিষয়ের মত এর বাস্তবায়নের কাজ আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কিন্তু তা হয়নি। সবচে মজার বিষয় ছিল সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠন সংস্কারের আন্দোলন শুরু হবার পর তা দমন করতে চেস্টা করেছিল। পরে প্রধানমন্ত্রীর কোটা বাতিলের ঘোষণায় তারা বিজয় মিছিলও করে। কিন্ত অতি সম্প্রতি সংস্কারবাদীরা যখন প্রজ্ঞাপনের দাবিতে কর্মসূচী পালন করতে শুরু করে তখনই সেই ছাত্রলীগ হামলা নির্যাতন করে তা দমন করার পথে এগিয়ে আসে। ইতোমধ্যে শহীদ মিনারে এক ছাত্রীর উপর ছাত্রলীগের বর্বর কায়দায় ঝাপিয়ে পড়ার দৃশ্য কিংবা রাজশাহীতে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে এক সংস্কারবাদী ছাত্রের পা এবং মেরুদন্ড ভেংগে দেবার রোমহর্ষক ঘটনা মানুষকে স্তম্ভিত করেছে। সংস্কার আন্দোলন যারা করছে তাদের নেতাদের মামলা রিমান্ডসহ তাদের পরিবারকে হুমকি দেবার ঘটনা ঘটছে। সংস্কারবাদীদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তাদের বিরোধীরা সোচ্চার, যদিও এখন পর্যন্ত তাদের দাবির সপক্ষে সে রকম জোরালো কোন প্রমাণ তারা উত্থাপন করতে পারেন নি। এপ্রিলের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সংসদে ঘোষণা দেবার পর এ বিষয়ে যে আর গত প্রায় তিন মাসে যে আর কিছু করা হয়নি যখন দেখা গেল জুলাইয়ের প্রথমে প্রজ্ঞাপনের দাবিতে নতুন করে সংস্কারবাদীদের আন্দোলন শুরু হবার পর সচিবদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হলো।

সংস্কারবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলা হচ্ছে- নির্বাচনের বছর এ সংস্কার আন্দোলন বিশেষ উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এটা এখন স্পষ্ট -সরকারের লোকজন আরো একবার নির্বাচনী বৈতরণী পার হবার জন্য যখন বিশেষ উদগ্রীব তখন এ সংস্কার আন্দোলনকে তারা ভিন্ন চোখে দেখছেন। এখন প্রশ্ন হলো যে নির্বাচন প্রসংগ টেনে এনে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করা হচ্ছে সেই নির্বাচন ব্যবস্থাটা এখন কেমন কাজ করছে। শুরুতেই খুলনার ‘ আন্তর্জাতিক’ মানের নির্বাচনের প্রসংগ উল্লেখ করেছিলাম। এর মধ্যে অতি সম্প্রতি গাজিপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হয়ে গেল। ক্ষমতাসীন প্রধান দলের সাধারণ সম্পাদক ভালোই বলেছেন – এর চেয়ে বেশি ভালো নির্বাচন তাদের পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়! সত্যিইতো প্রতিপক্ষ প্রার্থীর এজেন্ট গায়েব বা কেন্দ্র থেকে বহিস্কার, লাগাতার বিরোধী কর্মীদের গ্রেফতার, পুলিশের গাড়িতে চড়ে সরকার পক্ষের প্রার্থীর প্রচারণা, ভোটারদের কস্ট না দিয়ে পুলিং প্রিজাইডিং অফিসার এবং দেশপ্রেমিক পুলিশ ভাইদের সহযোগিতায় ব্যালটে সীল মেরে ভোটের বাক্স ভর্তি করা …। কাদের সাহেব ঠিকই বলেছেন এর চেয়ে ভাল নির্বাচন আর কিই বা হতে পারে এবং মনে করা হচ্ছে নিজেদের সরকারের অধীনে এরকম সুন্দর ব্যবস্থাপনায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে কোটি কোটি ভোটার নাগরিকের ভোট কেন্দ্রে যাবার কস্ট টুকুই করতে হবে না। এমন ভোটে জনগণের দরকার খুব একটা নেই। এজন্য সর্বাত্নক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বৃহৎ প্রতিবেশি ভারতের সমর্থন অনুকম্পা পাবার প্রতিযোগিতা চলছে। ভিক্ষুক যেমন ক্ষত দেখিয়ে ভিক্ষার সুবিধা নিতে চায় তেমনি নানা ক্ষত দেখানো হচ্ছে ভারতকে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম তো বলে দিয়েছেন ভারত ওদেরকে চাবে না। মাঠের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপিও ভারতের মন জয়ের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। দেশের মানুষ কোন ছার! বিদেশীরা ক্ষমতায় বসাবে। আর আমরা প্রকাশ্য গোপন নানা চুক্তি সমঝোতায় গরীব দু:খিত উন্নয়নশীল দেশের সম্পদ সম্ভাবনার যে টুকু আছে সবটুকু দিয়ে হলেও গদিতে যাবো বা থাকবো!!! কাজেই যে আন্দোলনের কোন দাবির মধ্যেই সরকার পতনের কথা নেই, সে আন্দোলন দমনের জন্য এত নির্মমতা কেন? রাস্তায় লোক জন জমলেই এত ভয় কেন?? তবে কি নৈতিকভাবে আমাদের সরকার রাস্ট্র দিনে দিনে দুর্বল হয়ে গেছে। এমন দুর্বলতায় প্রতিটি ভিন্নমত আতংকের। আর এমন আতংক যখন কোন রাস্ট্র সরকারকে আচ্ছন্ন করে তখন নাগরিকের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠে। হে ক্ষমতার ত্রাতাগণ আর জনগণকে উদাত্ত আহবান নয়, নিজেদের সাংবিধানিক দায়িত্বটুকু পালন করার চেস্টা করুন তাতে জনগণ সামান্য হলেও সাধারণভাবে বেঁচে থাকার মত মুক্তি পাবে। দেশও বাঁচবে, গণতন্ত্রও বাঁচবে! দেশ এবং আপনাদের আত্মসম্মান ও কিছুটা হলেও রক্ষা পাবে।

-শাহ আলম ফারুক : লন্ডনে নির্বাসিত
বাংলাদেশী মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবী
সাবেক সিনিয়র তদন্ত কর্মকর্তা,
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)
faruk69@gmail.com

Leave a Reply

Developed by: TechLoge

x