• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০

বিএনপির আন্দোলন দমনে টেস্ট কেস মাদকবিরোধী অভিযান: রিজভী

Posted on by

নিউজ লাইফ ডেস্কঃ বেআইনি হত্যার জন্য তো গোটা সরকারই দায়ী মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের আশকারাতেই কথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে চলছে দেশব্যাপী মানুষ হত্যার বিভীষিকা। আসন্ন আন্দোলন সম্পর্কে কম্পমান হয়েই মানুষ হত্যায় লিপ্ত হয়েছে সরকার।মাদকবিরোধী যুদ্ধের আড়ালে চলছে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। মাদকবিরোধী অভিযানে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড বিএনপির ঈদোত্তর আন্দোলন দমনে একটি টেস্ট কেস।

রোববার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। সরকারই গডফাদারদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করছে বলে্ও অভিযোগ করেন বিএনপির এ মুখপাত্র।এ ধরনের মহৎ অভিযানে দুই একটি ভুল হতেই পারে– আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, মানুষের জীবন নিয়ে ভুল! ওবায়দুল কাদের সাহেবের এমন বক্তব্য মানবাধিকারকে ঠাট্টা করা। মানুষের দুঃখ কষ্টকে নিয়ে এমন মন্তব্য তারাই করতে পারে যারা অবৈধ ক্ষমতায় মশগুল থেকে মানবিক গুণাবলী হারিয়ে ফেলে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমি ওবায়দুল কাদের সাহেবের উদ্দেশে বলতে চাই, ড্রাগ চেইনের লিংক হিসেবে চুরি চোট্টামি করা ছিঁচকে কিছু মানুষসহ প্রমাণহীন আরো অজ্ঞাত অনেকের বিরুদ্ধে হত্যা অভিযান চালানো হচ্ছে। কিন্তু চেইনের শীর্ষে বসে থাকা অমিত ক্ষমতাধর গডফাদাররা বসে আছে কি করে? প্রশ্ন হচ্ছে সরবরাহের উৎস পথ আঁটকে যাচ্ছে না কেন? তাহলে কারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মাদক ঢুকতে সহায়তা করছে? রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া কি উৎসমুখ খোলা থাকে? কারণ এই উৎসমুখগুলো নিয়ন্ত্রণ করেন বদিদের মতো এমপিরা প্রশাসনের সহায়তায়। বদিসহ ক্ষমতাসীনদের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কিভাবে এতগুলো গোয়েন্দা সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশ ছেড়ে গেল জাতি তা জানতে চায়।

আওয়ামী লীগ মাদকের বিস্তার ঘটিয়েছে এমন অভিযোগ করে রিজভী বলেন, এতে আওয়ামী লীগেন সহায়তাকারী হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য। তাদের এ সাড়ে নয় বছরে মাদকে ছেয়ে গেছে দেশ। প্রতিবেশী দেশ তথা ভারত থেকে ফেনসিডিল ও মিয়ানমার থেকে ইয়াবা আমদানিকে মদদ দিয়ে যুবসমাজকে ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে।

একরামুল হক হত্যা তদন্ত করবে একজন ম্যাজিস্ট্রেট– স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এসব মনভোলানো কথায় জনগণের আতঙ্ক দূর হবে না। এ ধরণের বক্তব্যও একটা তামাশা।বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন,বেগম জিয়ার জামিন নিয়ে কানামাছি খেলবেন (সরকার) না। অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন।মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের পূর্বে বেগম জিয়ার মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুক,হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

More News from বাংলাদেশ

More News

Developed by: TechLoge

x