• বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

‘ছাত্রলীগকে ছাত্রী নির্যাতন জারি রাখার ছাড়পত্র দিয়েছে সরকার’

Posted on by

ইউএনএন বিডি নিউজঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলে গভীর রাতে ছাত্রীদের সম্পূর্ণ অমানবিক আচরণের মাধ্যমে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘এটি দেশের ইতিহাসে একটি অন্যতম ন্যাক্কারজনক ও কলঙ্কজনক ঘটনা। ছাত্রীদের প্রতি ছাত্রলীগের নির্যাতনকে জারি রাখার ছাড়পত্র দিয়েছে বর্তমান সরকার।’

শুক্রবার (২০ এপ্রিল) সকালে বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী সমর্থিত শিক্ষক ও ছাত্রলীগ একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ বলে মনে করনে রিজভী। তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের অপকর্মের মদদদাতা আওয়ামী সমর্থিত  শিক্ষকরা যে এতো নিচে নামতে পারে, সেটি দেখে বিবেকবান মানুষেরা আজ বিস্মিত ও হতভম্ব। ক্ষমতার বলয়ে ঢুকে এরা শিক্ষার মূল আদর্শকেই জলাঞ্জলি দিয়েছেন।’

উল্লেখ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি সুফিয়া কামাল হলের তিন ছাত্রীকে রাতের আঁধারে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। তারা হলেন, শারমীন ‍শুভ (গণিত, তৃতীয় বর্ষ), কামরুন্নাহার লিজা (থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ, চতুর্থ বর্ষ) ও পারভীন (গণিত)। বৃহস্পতিবার (১৯ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে পারভীন ও লিজা এবং রাত ১২টার দিকে শুভকে হল ছাড়তে হয়। তাদের অভিভাবকরা এসে তাদের নিয়ে যান। এ সময় পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রিমির বাবা ধামরাই থেকে সুফিয়া কামাল হলে উপস্থিত হন রাত সাড়ে ১২টার দিকে। পরে তিনি একাই হল অফিস থেকে বেরিয়ে আসেন।

তবে ছাত্রীদের বের করে দেওয়া হয়নি দাবি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘মেয়েদের বের করে দেওয়া হয়নি।তিন ছাত্রীকে অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বের করে দেওয়ার কথাটা গুজব।এর মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। হল থেকে কাউকেই বের করে দেওয়া হয়নি।শুক্রবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপাচার্য ড. মো. আক্তারুজ্জামান এসব কথা বলেন।কেন তিন শিক্ষার্থীকে হল ছাড়তে হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা কারণ জানার চেষ্টা করছি।তা জানতে পারলে জানাবো।

এদিকে কবি সুফিয়া কামাল হলের তিন শিক্ষার্থীর অভিভাবক স্বেচ্ছায় নিজেদের মেয়েদের নিয়ে গেছেন বলে দাবি করেছেন হলটির প্রভোস্ট ড.সাবিতা রেজওয়ানা রহমান। তিনি বলেন, ‘এশা একজন শিক্ষার্থীর রগ কেটে দিয়েছিল বলে যে গুজব ১০ এপ্রিল ছড়ানো হয়েছিল, মোবাইল চেক করে ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করেছি।যারা ওই ঘটনায় জড়িত ছিল, তাদের অভিভাবকদের হলে ডেকেছি।তাদের ওই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভিডিওগুলো দেখানো হয়েছে। তখন অভিভাবকরা নিজেরাও লজ্জা পেয়েছেন এবং তারা স্বেচ্ছায় তাদের মেয়েদের নিয়ে গেছেন।’

Leave a Reply

More News from বাংলাদেশ

More News

Developed by: TechLoge

x