• সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে : আমীর খসরু

Posted on by

ইউএনএন বিডি নিউজঃ বিএনপির চেয়ারপারসন কারাবন্দি ও অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে সরকার ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া, কোনো বিচারিক রায়ে জেলে যাননি, উনি জেলে আছেন রাজনীতির কারণে।

বর্তমান সরকার রাজনীতির প্রতিপক্ষ হিসেবে দেশনেত্রীকে জেলে পাঠিয়েছে। আজকে তার চিকিৎসা করতে না দেয়ার পেছনেও ষড়যন্ত্র আছে। এখন উল্টো তারা বলছে এ নিয়ে রাজনীতি করবেন না। কত বড় দুঃসাহস। কারা রাজনীতি করছে জনগণ বুঝে? খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে দেশ দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে আছে এবং তার চিকিৎসা হবে কি হবে না এটা নিয়ে আজকে আলোচনা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে আরাফাত রহমান কেকো স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশারের মুক্তির দাবিতে এই সভা হয়। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, কেন্দ্রীয় নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শামীমুর রহমান শামীম, রফিক শিকদার প্রমুখ।

স্বাধীনতার পর এমন প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হয়নি মন্তব্য করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্রের সংগ্রামটা বিশ্বব্যাপী। স্বাধীনতার মুক্তির ভিত হচ্ছে গণতন্ত্র। এরশাদের বিরুদ্ধে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যদি আপোসহীন না হতেন তাকে বিদায় করা যেতো কিনা সন্দেহ আছে। আমরা অন্য নেত্রীকে দেখেছি তাদের ভুমিকা কি ছিল। এরশাদের সঙ্গে সেদিন নির্বাচনে গিয়ে তাকে বৈধতা দিয়েছিল। খালেদা জিয়ার শক্ত অবস্থানের কারণে ওয়ান ইলেভেন যারা এনেছিল তারা বিতাড়িত হয়েছিল। অন্য নেত্রী অবশ্য বলেছিলেন তার আন্দোলনের ফসল।

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের ভোটের যে অপশন তা তারা বন্ধ করে দিতে চায়। খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠিয়ে তারা যদি ভোটের অপশনটা বন্ধ করতে পারে তাহলে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল হবে। একদলীয় শাসনের মাধ্যমে দেশ শাসন করবে। জনগণের আর কোনো কিছু থাকবে না। সার্বভৌমত্বের মালিকানা জনগণের কাছ থেকে একটি দলের কাছে চলে যাবে! বাংলাদেশের মানুষের মালিকানা ও সার্বভৌমত্ব একটি দল বা গোষ্ঠির কাছে চলে গেছে। সেই মালিকানা তারা ফিরিয়ে দিতে চাচ্ছে না। যে কারণে দেশনেত্রীকে আজ জেলে থাকতে হচ্ছে।

আমীর খসরু বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে আজকে আলোচনা হচ্ছে। তার চিকিৎসা নিয়ে তারা হেলাফেলা করছে। তারাই রাজনীতি করছে। অথচ তারা বলছে চিকিৎসা নিয়ে রাজনীতি করবেন না। একটি ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠিয়ে যারা ক্ষমতায় বসে থাকতে চায় তারা আবার রাজনীতিকরণের কথা বলছে। নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করার প্রেক্ষাপট সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। দেশের জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে আনতে হলে অবশ্যেই আগামী নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনে হতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, নির্বাচন কমিশনের বৈঠক করে সেনা মোতায়েনের কথা বলেছি। রাষ্ট্র যখন সন্ত্রাসী ভুমিকায় নামে, সেই সন্ত্রাসীরা যখন নির্বাচনী ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে। সেই কারণে আজকে সেনা মোতায়নের প্রশ্ন আসছে এবং সেনা মোতায়নের মাধ্যমে অনেকগুলো নির্বাচন হয়েছে।

Leave a Reply

More News from বাংলাদেশ

More News

Developed by: TechLoge

x