• শনিবার, ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০১৯

আওয়ামী লীগ যেন না ভাবে বিএনপি দুর্বল: মোশাররফ

Posted on by

ইউএনএন বিডি নিউজঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দেশের মানুষ এখন সরকারের প্রতি অসুন্তষ্ট। তারা ক্ষুব্ধ। কারণ দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তি একই সূত্রে বাঁধা। দেশের গণতন্ত্র নির্ভর করছে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির ওপর। কেননা তিনি ছাড়া অন্য কেউ গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারে না।

রোববার বিকালে বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। নগরীর ভুবনমোহন পার্কে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, আওয়ামী লীগ ২০১৪ সালের মতো প্রহসনের নির্বাচন করতে চাই। বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে আওয়ামী লীগ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু খালেদা জিয়া ছাড়া দেশে কোনো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। তাই তাকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচনের আয়োজন করা হলে দেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ছাত্র আন্দোলন সরকারকে নোটিস দিয়েছে। কিন্তু জনগণ মাঠে নামলে বিনা নোটিসেই খালেদা জিয়া জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করবে। আমরা বর্তমানে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। তাই বলে আওয়ামী লীগ যেন না ভাবে বিএনপি দুর্বল। এই আন্দোলনে কাজ না হলে আগামীতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে সরকারের পতন ঘটানো হবে।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু, মীর্জা আব্বাস, দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, ব্যারিস্টার আমিনুল হক, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন ফারুক ও মিজানুর রহমান মিনু।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হারুন অর রশিদ, রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত প্রমুখ। মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন সমাবেশ পরিচালনা করেন।

এর আগে দুপুর ২টা থেকে সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তাই দুপুরের মধ্যেই কানাই কানাই পূর্ণ হয়ে যায় ছোট্ট ভুবনমোহন পার্ক। এরপর নেতাকর্মীরা সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট, গণকপাড়া, মালোপাড়া, মনিচত্বর ও রাণীবাজারসহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন। এসব এলাকায় সতর্ক অবস্থানে থাকে পুলিশ।

Leave a Reply

Developed by: TechLoge

x