• বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১, ২০২০

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাসহ ৯০ জনের বিরুদ্ধে সরকার উৎখাতের মামলা

Posted on by

ইউএনএন বিডি নিউজঃ ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপিত ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য মসিউর রহমানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের ২৫ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ পুর্বক অজ্ঞাত আরো ৮০/৯০ জনের বিরুদ্ধে সরকার উৎখাতের মামলা করেছে পুলিশ। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কাতলামারী পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মোঃ আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে রোববার এই মামলা করেন। যার মামলা নং ০৯। মামলা দায়েরের পর পুলিশ গ্রেপ্তার অভিযান শুরু করেছে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কাতলামারী পুলিশ ক্যাম্পের ৫৭ নং জিডির প্রেক্ষিতে পুলিশ রাত্রিকালীন রণপাহারা ও বিশেষ অভিযানের জন্য বের হয়। সদর উপজেলার হলিধানী বাজারে অবস্থানকালে বাদী গোপন সুত্রে জানতে পারেন ঝিনাইদহ-২ আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মসিউর রহমানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় আসামিরা নগরবাথান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বৈঠক করছেন।
তাদের উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত, জননিরাপত্তা বিপন্ন করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজে বাধা প্রদান, শান্তিপ্রিয় জনসাধারণের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি, রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্থ করে জনগনের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে ঘৃনা বা শত্রুতার মনোভাব সৃষ্টির মাধ্যমে উসকানী দেয়া। এজাহারে দেয়া তথ্যমতে পুলিশ রোববার ভোরে নগরবাথান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অভিযান চালিয়ে কেসি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুস সালাম ও হরিণাকুন্ডু উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আতিয়ার রহমান বকুলকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ জানতে পারে ওই স্থানে হরিণাকুন্ডু উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এড আব্দুল আলীম, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহিদুজ্জামান মনা, বিএনপির সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান, বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন, ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম আনন, আবুল বাশার বাশি, সাধুহাটীর জামায়াত নেতা আতিয়ার রহমান, মহারাজপুরের তোতা, মধুহাটীর ডাঃ ওবাইদুর রহমান, দুর্গাপুরের মুক্তার হোসেন, সাধুহাটীর মাগুরাপাড়ার শহিদুল ইসলাম, বেজিমারা গ্রামের আহসান, ডাকবাংলার বকুল ডাক্তার, বাজারগোপাপুরের আব্দুর রাজ্জাক, পোতাহাটীর হাবিবুর রহমান, মহারাজপুরের মোহাম্মদ আলী, মগরখালির মিলন জোয়ারদার, শামিমা ক্লিনিক পাড়ার নয়ন হোসেন, সাগান্নার চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন আল মামুন, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম ও নাথকুন্ডুর গোমির উদ্দীনসহ আরো অজ্ঞাত ৮০/৯০ জন বিএনপি জামায়াতের নেতা দেশি অস্ত্র ও ককটেল বোমাসহকারে গোপন বৈঠক করছিলো। পুলিশ চারিদিকে ঘিরে ফেল্লে আসামীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।  এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩০টি লাঠি, ৩৫ টুকরো ইটের খোয়া, ৫০টি জালের কাঠি, ৮টি স্প্রইটের খালি বোতল, দুই লিটার পেট্রোল, ৬টি ককটেল ও ১৫টি স্যান্ডেল উদ্ধার করে। সেখানে তাৎক্ষনিক ভাবে উপস্থিত মাধবপুর গ্রামের সাক্ষি বাবলু মন্ডল, নগরবাথানের জাহিদুল ও আব্দুল ওয়াদুদের মোকাবেলায় পুলিশ তালিকা জব্দ করে।

Leave a Reply

Developed by: TechLoge

x