• বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১, ২০২০

সামিট গ্রুপের কর্ণধার আজিজ খান ফারুক খান দেশ ছাড়ছে!

Posted on by

দেশের বিদ্যুৎ খাতের বড় লুটেরা সামিট গ্রুপের কর্ণধার আজিজ খান ফারুক খান ভাতৃদ্বয় দেশ ছাড়ছে! পটপরিবর্তনে শেখ হাসিনার সেফ এগ্জিট নৌকায় সর্বশেষ যাত্রী হলেন এরা দু’জন। গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় জন্ম হওয়া খান ভাতৃদ্বয় শেখ হাসিনার ঘনিষ্ট আত্মীয়।

আত্মীয়তার সুবাদে কর্নেল ফারুক খানকে এমপি ও মন্ত্রী করেন হাসিনা। ২০০৯ সালে তাকে করা হয় বানিজ্য মন্ত্রী। পিলখানা ম্যাসাকারের পরে প্রধানমন্ত্রী হাসিনা বিভিন্ন তদন্ত রিপোর্ট সমন্বয়ের ভার দেন ফারুক খানকে। দায়িত্ব পেয়ে ফারুক যথারীতি ধামাচাপা দেন সেনা তদন্ত রিপোর্ট, যাতে উল্লেখ ছিল শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, শেখ সেলিম, ফজলে নূর তাপস, মহিউদ্দিন খান আলমগীর, হাসনুল হক ইনু সহ আওয়ামীগের মন্ত্রী নেতাদের জড়িত থাকার কথা। চলমান পট পরিবর্তন সম্পন্ন হওয়ার পরে ফারুক খান সেনাবাহিনীর কাছে আটক হবেন, এই ভয়ে হাসিনার প্লেনে চড়ে পার হতে যাচ্ছেন।

দেশের বৃহত্তম বিদ্যুত খাত লুটেরা সামিট গ্রুপকে একচেটিয়া ব্যবসা করতে দিয়েছে হাসিনা। বর্তমানে দেশে ১৪৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুত আসে এই সামিট গ্রুপ থেকে। আজিজ খান কোম্পানীর চেয়ারম্যান, ফারুক খান পরিচালক। রেন্টাল পাওয়ার থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট দেয়া হয়েছে সামিটকে। এত উচ্চমূল্যে তাদের কাজ দেয়া হয়েছে যে, এ নিয়ে কেনো প্রশ্ন বা মামলা এড়াতে ২০১০ সালে সংসদে বিল পাশ করে হাসিনা বিদ্যুৎ খাতকে “দায় মুক্তি” দেন। অর্থাৎ যা কিছুই করা হোক না কেনো, কোনো প্রশ্ন করা যাবে না। দায়মুক্তির ফলে লক্ষ কোটি টাকার কাজ পায় সামিট। তাদের কোনো কোনো প্রজেক্ট থেকে বাংলাদেশ সরকার বিদ্যুৎ কিনেছে ২৯ টাকা প্রতি ইউনিট। এত উচ্চমূল্যে পৃথিবীর কোথাও বিদ্যুৎ নাই। হিসাব করলে দেখা যাবে, এই মহা লুটপাটের বড় একটা অংশ (৫০ হাজার কোটি টাকার কম হবে না) গেছে শেখ হাসিনার পুত্র জয়ের কাছে। শুধু তাই নয়, আজিজ খানের মেয়ে আয়েশা আজিজ খান হলো জয়ের গার্ল-ফ্রেন্ড। ঢাকা এলে জয় আয়েশা একত্রেই থাকে।

পট পরিবর্তন হওয়ার পরে বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটের হিসাব দিতে পারবে না আজিজ। এমনকি মারাও পরতে পারে- তাই আজিজ খানও হাসিনার সেইফ এগ্জিট প্লেনের প্যাসেঞ্জার হতে যাচ্ছে।

Leave a Reply

More News from বাংলাদেশ

Developed by: TechLoge

x