• মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০

সংলাপের উদ্যোগ নিতে সরকারকে ফের আহ্বান ফখরুলের

Posted on by

নিউজ ডেস্কঃ সরকারকে সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আবারও আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘সংবিধানের দোহাই না দিয়ে সংলাপের উদ্যোগ গ্রহণ করুন।বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি।মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অনির্বাচিত সংসদে তৈরি সংবিধান দেশের মানুষ সমর্থন করে না। তাই সংবিধানের বুলি না তুলে সংলাপের উদ্যোগ নিন। একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনা করতে দেন।সরকারের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে কেউ কথা বলতে বা লিখতে চাইলে তাদের গুম করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মামলায় সাজা দিয়ে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখার ষড়যন্ত্র করছে সরকার। একটি কথা স্পষ্ট বলতে চাই, দেশে আগামী নির্বাচন হবে সব দলের অংশগ্রহণে এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। শেখ হাসিনার অধীনে কোনও নির্বাচন হবে না। খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনও নির্বাচন হবে না। ২০১৪ সালের মতো প্রহসনের নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল দেশে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, বেকারদের কর্মসংস্থান করা, যেখানে সাধারণ মানুষ অর্থনৈতিক মুক্তি পাবে। কিন্তু আজ সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ তো দূরের কথা, বরং একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল একদলীয় শাসন চালাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের আইন অঙ্গনে যা ঘটনা ঘটছে, তা অত্যন্ত মর্মান্তিক। সরকার নিজের হাতে বিচার ব্যবস্থাকে খণ্ড-বিখণ্ড করে দিয়েছে। ফলে এখন সরকার ইচ্ছে করলে বিচারককে অপমান করতে পারবে, অজুহাত দিয়ে বিদায় করতে পারবে।মওদুদ বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করছি না। খালেদা জিয়া সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে বার বার সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু তারা (আ.লীগ) কোনও সাড়া দিচ্ছে না। তাই আমাদের প্রতিজ্ঞা করতে হবে। আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। কারণ, আমরা জানি, কোনও স্বৈরাচার সরকার থেকে সমঝোতার মাধ্যমে কিছু আশা করা যায় না।বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্সী বজলুল বাসিত, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ড. মাহবুব উল্লাহ, ড. সুকোমল বড়ুয়া প্রমুখ।

Leave a Reply

Developed by: TechLoge

x