• বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২০

পেটে গজ রেখে সেলাই: ক্ষতিগ্রস্ত মাকসুদা ৯ লাখ টাকা পাবেন

Posted on by

নিউজ ডেস্কঃ পটুয়াখালীর বাউফলের নিরাময় ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসার শিকার মাকসুদা বেগমকে ৯ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে অপারেশনকারী ভুয়া ডাক্তার কথিত রাজন দাসকে (অর্জুন চক্রবর্তী) ৫ লাখ টাকা ও নিরাময় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে ৪ লাখ টাকা দিতে হবে। এ বিষয়ে তদারকি করার জন্য পটুয়াখালীর সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।আদালতে মাকসুদা বেগমের শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জেসমিন সামসাদ।এর আগে ভুল চিকিৎসার শিকার মাকসুদা বেগম ক্ষতিপুরণ চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছন। ২৮ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়।সাড়ে তিন মাস পর পেট থেকে বের হল গজ!’ শিরোনামে গত ২২ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. শহিদউল্লা। এ প্রতিবেদন দেখার পর আদালত ২৩ জুলাই আদেশ দেন। আদেশে পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন, বরিশাল মেডিক্যালের গাইনি বিভাগের প্রধান এবং নিরাময় ক্লিনিকের মালিককে তলব করেন। এরপর তারা আদালতে হাজির হন। আদালত বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন। এরপর সিভিল সার্জন তদন্ত শেষে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চিকিৎসক হিসেবে রাজন দাসের সনদ জাল। আদালতের আদেশে কথিত রাজন দাস এখন জেলে রয়েছেন।মাকসুদা বেগম পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বিলবিলাস গ্রামের মো. রাসেল সরদারের স্ত্রী। গত মার্চে বাউফলের নিরাময় ক্লিনিকে অস্ত্রোপচার করে মাকসুদা একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। তখন তার পেটে গজ রেখে সেলাই করে দেন চিকিৎসক। পরে ১২ জুলাই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মাকসুদার অস্ত্রোপচার হয়। তখন তার পেটের ভেতর থেকে গজ বের করা হয়। এ নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আদেশ দেন হাইকোর্ট।

Leave a Reply

More News from অন্যান্য

More News

Developed by: TechLoge

x