আজকে

  • ৮ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
  • ২১শে জানুয়ারি, ২০১৮ ইং
  • ২রা জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

সারা দেশের মধ্যে বেশী বাড়ী বানিয়ে আরো বেশি বরাদ্ধ পেলো টাওয়ার হ্যামলেটস

Published: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১১, ২০১৮ ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১১, ২০১৮ ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
 

ইউকেবিডি টাইমস ডেস্কঃ

নতুন বছরের শুরুতেই টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের হাউজিং খাত দুটি সুখবর লাভ করেছে। সুখবর দুটি হচ্ছে সরকারী হিসাবমতে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল গত বছর সারা দেশের মধ্যে সবচাইতে বেশী বাড়ী বানিয়েছে এবং একইসাথে ২০১৮/১৯ আর্থিক বছরের জন্য ষ্ক্রনিউ হোম বোনাস ফান্ডম্ব থেকে সারা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ২০ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ পেয়েছে।

উল্লেখ্য যে, নিউ হোম বোনাস ফান্ডম্ব হচ্চেছ সরকারের বিশেষ তহবিল যা থেকে লোকাল অথরিটিগুলোকে নতুন বাড়ী বানানোর জন্য উ্সাহিত করতে বরাদ্দ দেয়া হয়। এই তহবিল থেকেই টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল সর্বোচ্চচ বরাদ্দ লাভ করলো। সরকারী পরিসংখ্যান মতে গত বছর টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল সামর্থ্যরে মধ্যে (এফোরডেবল হাউজিং) ১ হাজার ৮৫টি ফ্ল্যাট বানিয়েছে। একইসাথে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সর্বোপরি মোট ৩ হাজার ৩শ ৪৭টি বাড়ী বানিয়েছে। দুটিই ক্ষেত্রেই টাওয়ার হ্যামলেটস সারা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চচ।

সাবেক মেয়রের আমলের শেষের দুই বছর অর্থাত ২০১৩/১৪ সালে ৫৯৫ টি এবং ২০১৪/১৫ সালে ৬৩৫টি এফোরডেবল বাড়ী বানানো হয়েছিলো। জন বিগস মেয়র হওয়ার পর এই সংখ্যা বছরে ১ হাজারে গিয়ে দাঁড়ায়। একই সাথে মেয়র জন বিগসের আমলে এফোরডেবল হাউজিং এর সংজ্ঞাও বদলানো হয়। অর্থ্ ানতুন নির্মিত কাউন্সিল বাড়ীর ভাড়া কমিয়ে সত্যিকার অর্থে সোশাল রেন্ট নির্ধারন করা হয়, যার ফলে কোন কোন পরিবার বছরে সর্বোচ্চচ ৬ হাজার পাউন্ড সাশ্রয় করতে সক্ষম হবে। উল্লেখ্য যে, টাওয়ার হ্যামলেটসের জনসংখ্যা সম্প্রতি ৩শ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

আগামী ২৫ বছরের মধ্যে এর সাথে আরো ৮৭ হাজার যোগ হবে বলে অনুমান করা হচ্চেছ। অন্যদিকে বর্তমানে বাড়ীর জন্য টাওয়ার হ্যামলেটসে অপেক্ষামান বাসিন্দার সংখ্যা হচ্চেছ প্রায় ১৯ হাজার। নির্বাহী মেয়র জন বিগস এব্যাপারে তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমি আনন্দিত যে, বাড়ী বানানোর ক্ষেত্রে আমাদের সাফল্য অতিরিক্ত বরাদ্দের মাধ্যমে স্বীকৃতি লাভ করলো। বাসিন্দাদের জন্য এটি একটি বিরাট বিজয় এবং এর দ্বারা প্রমাণিত হলো বারার হাউজিং সমস্যার সমাধানে আমরা কাজ করে যাচ্চিছ। হাউজিং বিষয়ক লিড মে“ার এবং ডেপুটি মেয়র কাউন্সিলার সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই অর্জনগুলো আমাদের গর্বিত করেছে। তাই এই ফান্ডিং আমাদেরই প্রাপ্য।

আমরা কেবল লন্ডনের মধ্যে নয়, সারা দেশের মধ্যেই সেরা। কেবিনেট মে“ার ফর স্ট্র্যাটিজিক ডেভেলাপমেন্ট কাউন্সিলার র‌্যাচেল ব্ল্যাক বলেন, হাউজিং সমস্যার সমাধানে আমরা সর্বোচ্চচ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্চিছ। নতুন বাড়ী নির্মান, অবকাঠামোতে ফান্ডিং এবং প্রাইভেট ভাড়ায় থাকা বাসিন্দাদের সহযোগিতা করে যাচ্চিছ। এই ফান্ডিং আমাদের কঠোর পরিশ্রমকেই স্বীকৃতি দিলো।

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1065 বার
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার