আজ বৃহস্পতিবার,২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলহজ্জ, ১৪৩৮ হিজরী

বিচ্ছেদ–পরবর্তী দুই বছর শুল্ক জোটে থাকতে চায় যুক্তরাজ্য

প্রকাশিত: আগস্ট ২১, ২০১৭ ৭:১০ অপরাহ্ণ   আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৭ at ৭:১৪ অপরাহ্ণ
 
ইউকে বিডিটাইমস ডেস্কঃ

বিচ্ছেদ-পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) শুল্কজোটে (কাস্টমস ইইউনিয়ন) থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য। গত মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট-বিষয়কমন্ত্রী ডেভিড ডেভিস সরকারের এমন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। ইইউর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদের বিষয়টি ‘ব্রেক্সিট’ নামে পরিচিত, যা ব্রিটেন এক্সিট-এর সংক্ষেপিত রূপ।

অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য যুক্তরাজ্য শুল্ক জোটে থাকার সুযোগ পাবে কি না, তা নির্ভর করবে ইইউর সম্মতির ওপর। এ শুল্ক জোটের মাধ্যমে ইইউভুক্ত দেশগুলো ইউনিয়ন-বহির্ভূত দেশের সঙ্গে বাণিজ্য করার ক্ষেত্রে সমান শুল্কনীতি মেনে চলে।

২০১৬ সালের ২৩ জুন অনুষ্ঠিত গণভোটে যুক্তরাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ইইউর সদস্যপদ ছাড়ার পক্ষে ভোট দেয়। ওই গণভোটের রায় অনুযায়ী বিচ্ছেদ কার্যকরের আনুষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে উভয় পক্ষ। চলমান প্রক্রিয়া অনুযায়ী ২০১৯ সালে মার্চ মাসে বিচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার কথা।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে দেয়া বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে ডেভিড ডেভিস বলেন, বিচ্ছেদ কার্যকর হওয়ামাত্রই যেন বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য শুল্কজোটে থাকতে চায় ব্রিটেন। বিষয়টি ইইউর বাকি সদস্য দেশগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ইইউর বাকি দেশগুলোর কাছে যুক্তরাজ্য বছরে ২৩০ বিলিয়ন ইউরোর পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে। বিপরীতে ইইউভুক্ত বাকি দেশগুলো যুক্তরাজ্যের কাছে বছরে ২৯০ বিলিয়ন পাউন্ডের পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে।

ডেভিস বলেন, স্বল্পকালীন সময়ের জন্য শুল্ক জোটের অংশীদার থাকলেও যুক্তরাজ্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের কাজ চালিয়ে যাবে। মূলত এখানেই ইইউর পক্ষ থেকে আপত্তি আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কেননা, ইইউ শুল্ক জোটের নীতি অনুযায়ী, কোনো সদস্য রাষ্ট্র আলাদা করে বাণিজ্য শুল্ক নির্ধারণ করতে পারে না, ‘কাস্টমস ইইউনিয়ন’ তা নির্ধারণ করে। এ ছাড়া চলতি সপ্তাহে দুই আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা নিয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান তুলে ধরা হবে জানিয়ে ব্রেক্সিট-বিষয়কমন্ত্রী বলেন, আলোচনায় অভিবাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। আর্থিক দেনা-পাওনার (ব্রেক্সিট বিল নামে পরিচিত) বিষয়টি চলতি বছরে শেষ না-ও হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।কৃতজ্ঞতাঃপ্রথম আলো

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1121 বার
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 

ক্যালেন্ডার