আজ বৃহস্পতিবার,২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলহজ্জ, ১৪৩৮ হিজরী

সিলেট শহরের তেমুখী এখন ‘সুরঞ্জিত চত্বর’ঃস্মরণ সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৭ ২:৩২ পূর্বাহ্ণ   আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৭ at ২:৩২ পূর্বাহ্ণ
 

 

বিশেষ প্রতিনিধি, সিলেট থেকে
প্রয়াত সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের স্মরণ সমাবেশে সুনামগঞ্জ থেকে সিলেট নগরীর প্রবেশ মুখ তেমুখীকে ‘সুরঞ্জিত চত্বর’ নামকরণের ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। শোকসভার আয়োজক সংগঠন ‘দিরাই-শাল্লা সম্প্রীতি পরিষদ’ তেমুখীকে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নামে নতুন নামকরণের প্রস্তাব করলে তিনি এ ঘোষণা দেন।
শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একজন জাতীয় নেতা মারা গেলে আমরা সিলেটে স্মরণসভা করি। কিন্তু সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত মারা গেছেন প্রায় সাত মাস অতিবাহিত হয়েছে, আমরা তাঁর স্মরণে কোনো সভা করতে পারিনি। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। এ জন্য আমরা সবাই দায়ী। সিলেট- সুনামগঞ্জ সড়কের তেমুখী পয়েন্টের গোল চত্বর প্রয়াত সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের নামে হবে।’


রাজনীতিবিদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত গত ৫ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসন থেকে ১৯৭০ সাল থেকে তিনি টানা সাতবার সাংসদ নির্বাচিত ছিলেন। সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটসহ ঢাকায় যাতায়াতে একমাত্র সড়কপথ সিলেট-সুনামগঞ্জ। ‘বাইপাস মোড়’ হিসেবে পরিচিত তেমুখী এলাকা সুনামগঞ্জ, সিলেট নগর ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মিলনস্থল।
শোকসভায় দিরাই-শাল্লা সম্প্রীতি পরিষদের সভাপতি ধীরেন্দ্র চ›ন্দ্র দাস রায় ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক প্রাণকান্ত দাস তেমুখীর নতুন নামকরণের প্রস্তাব শোকসভায় উপস্থাপন করেন। ওই পথ দিয়ে সুরঞ্জিত জীবদ্দশায় নিয়মিত যাতায়াত করেছেন-এমন স্মৃতিচারণা থেকে তেমুখীকে ‘সুরঞ্জিত চত্বর’ নামকরণের প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর নিকট রাখা হয়। এ প্রস্তাবে সম্মতি প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী নতুন নামকরণের ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘এ প্রস্তাবে আমি সম্মত। নামকরণ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুতই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
অর্থমন্ত্রীর এ ঘোষণায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের স্ত্রী সাংসদ জয়া সেনগুপ্ত। জনগণই ছিল সুরঞ্জিতের একমাত্র আপনজন-এ কথা জানিয়ে শোকসভায় তিনি বলেন, ‘ছোট বেলায় বাবা মা হারানো সুরঞ্জিত সেনের কোনো আত্বীয়স্বজন ছিলেন না। ভাটির আলো বাতাসে বেড়ে ওঠা সুরঞ্জিত হাওরের মানুষের ভালোবাসা মমতা নিয়ে জাতীয় নেতা হয়েছেন। এ জন্য তিনি দিরাই-শাল্লার মানুষকে তাঁর আপনজন ভাবতেন। মানুষও তাঁকে ভালোবেসে নিজেদের ছেলের মতো, পরিবারের একজন মনে করতেন। নিজ নির্বাচনী এলাকাসহ দেশে-বিদেশে তাঁর আপনজন জনগণের মাঝে তিনি বেঁচে থাকবেন।

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1268 বার
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 

ক্যালেন্ডার