আজ বৃহস্পতিবার,২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলহজ্জ, ১৪৩৮ হিজরী

মৌরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে অনন্য রেকর্ড করেছে

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭ ৬:৫৫ অপরাহ্ণ   আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭ at ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
 

ইউকে বিডিটাইমস ডেস্কঃমৌরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গেছে।পুরো নাম মাকসুদা পারভিন মৌরি, ক্লাসের বন্ধুরা তাকে ডাকে এলিয়েন গার্ল বলে। রাজবাড়িতে জন্ম নেয়া মৌরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গেছে। চার বছরের স্নাতকে ৩.৯৪ পাওয়ায় তাকে নিয়ে এখন পরিবার, সহপাঠী এবং শিক্ষকরা দারুণ খুশি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনঅর্গানিক বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. আনওয়ারুল ইসলাম বলেন, নতুন পরিবেশে এসে সে যে অর্জন করেছে তা প্রশংসনীয়। এটার পিছনে তার বিভাগের সকল শিক্ষকদের অবদান রয়েছে। আমার বিশ্বাস, মৌরি তার সময়টাকে পড়ালেখায় ব্যয় করেছে বলেই এই সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে। বর্তমানে সে আমার বিভাগের অধীনে মাস্টার্স কোর্স করছে। আমরা আশাকরি ভবিষ্যতে আরও ভাল করবে।

মাকসুদার আরেক শিক্ষক ড. এম এ ইমরান কাইয়ুম বলেন, মাকসুদা শুরু থেকেই ক্লাসে খুব মনযোগী ছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই সাফল্য। তার মতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে যেকোন শিক্ষার্থীরই ভাল ফলাফল করার সুযোগ আছে। তাদেরকে শুধু মনযোগী হতে হবে। মাকসুদাকে দেখে তারা অনুপ্রেরণা পেতে পারে।

মাকসুদার মা বলেন, তার কোন ছেলে নেই। মেয়েরা তার ছেলের মত। তার কনিষ্ঠ কণ্যার সাফল্যে তিনি খুব আনন্দিত। ছেলে না থাকার আক্ষেপ মাকসুদা মিটিয়েছেন বলে জানান তিনি। সাফল্যের অবদানের কথা জানতে চাইলে মাকসুদা বলেন, সবথেকে বড় অবদান তার বাবা-মা। শত প্রতিকুলতার মাঝেও তারা আমার পাশে ছিলেন। এছাড়া তার শিক্ষকরা তাকে সকল প্রকার সহায়তা করেছেন।

অনুপ্রেরণা কিভাবে পেলেন জানতে চাইলে মাকসুদা বলেন, সবসময় নিজেকে ছেলে হিসেবে চিন্তা করে আসছেন।একটা ছেলে যেটা পারে একটা মেয়েরও চেষ্টা করলে তা করা সম্ভব। শুধু প্রচেষ্টার প্রয়োজন। ভবিষ্যতে তিনি শিক্ষা পেশায় নিয়োজিত থাকার পাশাপাশি গবেষণায় মনোনিবেশ থাকতে চান এই মেধাবী।

উল্লেখ্য, ৮ম শ্রেণীতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়া মাকসুদা এসএসসি ও এইসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে ২০১২-১৩ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন। প্রথম বর্ষ পরীক্ষায় ৩.৮৮ পেয়ে সকলের নজর কারেন তিনি। চার বছরে তার সিজিপিএ দাড়ায় ৩.৯২। যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিপিএ নিয়ম চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

সূত্রঃইত্তেফাক

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1197 বার
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

সব মেনু এক সাথে

 

ক্যালেন্ডার