আজকে

  • ৮ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
  • ২১শে জানুয়ারি, ২০১৮ ইং
  • ২রা জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

ট্রাম্পকে নিয়ে বইয়ে কী সব ‘চমকপ্রদ তথ্য’ আছে জানেন?

Published: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১১, ২০১৮ ১:৫১ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: শুক্রবার, জানুয়ারি ১২, ২০১৮ ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে লেখা বই প্রকাশ নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। বইটি প্রকাশে বাধা দিতে এরই মধ্যে প্রেসিডেন্টের তরফ থেকে লেখককে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

তবে বিবিসির খবর বলছে,  শুক্রবার থেকেই বইটি বাজারে কিনতে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন এর লেখক সাংবাদিক মাইকেল ওলফ।

‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি : ইনসাইড দ্য ট্রাম্প হোয়াইট হাউস’ নামে বইটিতে মাইকেল ওলফ বেশ কিছু ‘চমকপ্রদ’ তথ্য তুলে ধরেছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আইনজীবীদের অভিযোগ, বইটিতে ট্রাম্প সম্পর্কে অনেক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া বইটির সঠিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্পের আইনজীবীরা।

ট্রাম্পকে নিয়ে লেখা ‘বিস্ফোরক’ এই বইটিতে মাইকেল ওলফ জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ের পর দ্বিধায় বা সংশয়ে পড়ে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অভিষেকের দিনটিও তাঁর ভালো লাগেনি। আর হোয়াইট হাউস নিয়ে তাঁর ভীতি ছিল। এ ছাড়া বইটিতে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

দুইশর বেশি সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে ট্রাম্পকে নিয়ে বইটি লিখেছেন সাংবাদিক মাইকেল উলফ। অভিষেকের দিন থেকে শুরু করে ট্রাম্পের প্রশাসনকে খুব কাছে থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন লেখক। বইটিতে এমন কিছু অভিনব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা আগে খুব একটা সামনে আসেনি।

বইটির তথ্য অনুসারে, হোয়াইট হাউসের সাবেক কর্মকর্তা স্টিভ ব্যানন বলেছেন, ২০১৬ সালের জুনে রাশিয়ার কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে ট্রাম্প টাওয়ারে একটি বৈঠক করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। ওই বৈঠকে রাশিয়ানরা ট্রাম্প জুনিয়রকে হিলারি ক্লিনটনের বিষয়ে কিছু নেতিবাচক তথ্য তুলে দেন। আর পুরো ঘটনাটিকে রাষ্ট্রদ্রোহের সঙ্গে তুলনা করেন ব্যানন। তবে এর ব্যাখ্যায়, স্টিভ ব্যাননকে পাগল বলে আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প।

নির্বাচনে জিতে সংশয়ে পড়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, বইয়ে এমন দাবি করা হলেও অনেকের ব্যাখ্যার সঙ্গে মাইকেল ওলফের এই বর্ণনা ঠিক মেলে না। এ ছাড়া বইতে বলা হচ্ছে, অভিষেকের দিনটি উপভোগ করেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর কারণ হিসেবে প্রথম সারির বেশিরভাগ তারকার অনুষ্ঠান বর্জনকেই উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এসব তথ্য নাকচ করে দিয়েছে মার্কিন ফার্স্ট লেডির দপ্তর।

মাইকেল ওলফ লিখেছেন, হোয়াইট হাউস নিয়ে উদ্বিগ্ন আর খানিকটা ভীত হয়ে পড়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সে কারণেই নিজের জন্য আলাদা একটি শোয়ার ঘর, যেখানে দুটি টেলিভিশন আর দরজায় তালা লাগানোর নির্দেশ দেন। যদিও তাতে আপত্তি করেছিলেন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের কাছে হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ কেটি ওয়ালশ জানতে চেয়েছিলেন, অগ্রাধিকারের তালিকায় কোন কাজগুলো থাকবে? কিন্তু তার কোনো জবাব দিতে পারেননি কুশনার। ওলফ লিখেছেন, পরের ছয় সপ্তাহের মধ্যেও এ বিষয়ে কুশনারের কাছ থেকে কোনো জবাব পায়নি হোয়াইট হাউসের কর্মীরা।

বইটিতে আরো মজার কিছু তথ্য উল্লেখ আছে, ট্রাম্পের চুল নিয়ে ইভাঙ্কার মশকরা এবং চুলে রাসায়নিক রঙের ব্যবহারের বিষয়টিও বাদ পড়েনি। এ ছাড়া মিডিয়া মোগল খ্যাত রুপার্ড মারডক ফোনালাপে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গাধা বলে ডাকাসহ নানা বিষয়ের সাবলীল বর্ণনা দিয়েছেন লেখক মাইকেল ওলফ।

তবে হোয়াইট হাউসের গণমাধ্যম সচিব সারাহ স্যান্ডার্স বলছেন, বইটি অসত্য আর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য দিয়ে ভরা।

 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1159 বার
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার