আজকে

  • ৫ই ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২০শে আগস্ট, ২০১৮ ইং
  • ৮ই জিলহজ্জ, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

ব্যারিস্টার খালেদ মুঈদ আয়োজনে চ্যারিটি ল বিয়য়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত 

Published: শুক্রবার, জুলাই ২০, ২০১৮ ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: শুক্রবার, জুলাই ২০, ২০১৮ ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
 

লন্ডন সংবাদদাতাঃ এক্সসন্স ল ফার্মের উদ্যোগে টিভি ওয়ান এর প্রেজেন্টার ব্যারিস্টার খালেদ মুঈদ এর সাবির্ক ব্যবস্থাপনায়  Charity Law, Governance and Compliance এর উপর একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে সোমবার ১৬জুলাই। এতে  চ্যারিটি কমিশন এর চিফ এক্সিকিউটিভ, ডঃ হেলেন স্টিভেনসন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশী এবং মুসলিম কম্যুনিটিতে বিভিন্ন চ্যারিটি সংস্থা একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই চ্যারিটি সংস্থা এবং তাদের ট্রাষ্টিদেরকে নানাবিধ আইনী সমস্যায় পড়তে হয় বিশেষ করে চ্যারিটি কমিশন এর রেগুলেশন সংক্রান্ত জটিলতায় কম্যুনিটিতে অনেক সময় সঠিক আইনী সহায়তা পাওয়া যায়না। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কম্যুনিটিতে দক্ষ আইনী সহায়তা দেয়ার জন্য ব্যারিষ্টার খালেদ মুঈদ তাঁর ফার্মে চ্যারিটি ল’ প্র‍্যাকটিস চালু করেছেন।

উল্লেখ্য যে ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট এর মিনিষ্ট্রি Cabinet Office এ চ্যারিটি ল’ এডভাইজার হিসেবে ব্যারিস্টার খালেদ মুঈদ তাঁর লিগ্যাল ক্যারিয়ার শুরু করেন। সেখানে তিনি এমপি, মিনিষ্টার এবং হাউস অব লর্ডস এর সদস্যদের চ্যারিটি ল’ সংক্রান্ত এডভাইস দেন এবং নূতন আইন প্রনয়ন করার ক্ষেত্রে কাজ করেন। ওই সময় তিনি চ্যারিটি কমিশন এর বর্তমান চিফ এক্সিকিউটিভ, ডঃ হেলেন স্টিভেনসন এর অধীনে কাজ করেন৷

ডঃ হেলেন স্টিভেনসন তাঁর বক্তব্যে চ্যারিটি কমিশনের ভূমিকা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন যে চ্যারিটি কমিশনের রেজিষ্টারে ১৬৮,০০০ চ্যারিটি সংস্থা আছে এবং সাত লক্ষ ট্রাষ্টি জড়িত আছে বিভিন্ন সংস্থায়। তিনি বলেছেন যে সম্প্রতিকালে চ্যারিটি সেক্টর এর উপরে সাধারন মানুষের আস্থা অনেক কমে গেছে এবং চ্যারিটি কমিশন কাজ করে যাচ্ছে যাতে করে মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে। তিনি আরো বলেছেন যে চ্যারিটি কমিশন রেগুলেশনের ক্ষেত্রে সে সকল সংস্থায় জটিল রিস্ক এর আশংকা রয়েছে যেমন ফ্রড, দূর্ণিতি, জংগী অর্থায়ন সে সকল সংস্থার প্রতি বেশী নজরদারি করেন কারন চ্যারিটি কমিশন এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে চ্যারিটি সেক্টরের প্রতি মানুষের আস্থা সৃষ্টি করা।

উক্ত সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন  মুসলিম এইড, আল খায়ের ফাউন্ডেশন এবং ইসলামিক হেল্প চ্যারিটির প্রাক্তন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মিঃ সাইফ আহমেদ। তিনি তার বক্তব্যে গুরুত্ব আরোপ করেছেন যে আন্তর্জাতিক চ্যারিটি সংস্থাগুলোর উচিৎ ইউনাইটেড নেশনস এর Sustainable Development Goals কে সামনে রেখে কাজ করা।

ব্যারিস্টার খালেদ মুঈদ তাঁর প্রেজেন্টেশনে চ্যারিটি কমিশন বিভিন্ন সংস্থার উপর যে এনকোয়ারি করে থাকে তার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন ,চ্যারিটি কমিশন এর উদ্দেশ্য হচ্ছে বিভিন্ন সংস্থা যেন চ্যারিটি ল’ এর আওতায় আসে। চ্যারিটি সংস্থা বন্ধ করে দেয়া অথবা ট্রাষ্টিদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া চ্যারিটি কমিশন এর উদ্দেশ্য নয়৷

ব্যারিস্টার খালেদ মুঈদ তাঁর ফার্ম থেকে বিনা মূল্যে বিভিন্ন সংস্থা এবং তাদের ট্রাষ্টিদের লিগ্যাল ট্রেনিং দেয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। এই বিষয়ে তাঁর সাথে বিস্তারিত যোগাযোগ করার ইমেইল এড্রেসঃ khaled@exons.legal.

উক্ত সেমিনারে কম্যুনিটির বিশিষ্ট জনের মধ্যে  উপস্থিত ছিলেন মুসলিম কাউন্সিল অব বৃটেনের সেক্রেটারি জেনারেল হারুন খান, ইস্ট লন্ডন মসজিদ এর ডাইরেক্টর দেলোয়ার খান, ইমিগ্রেশন জাজ বেলায়েত হোসেন এবং গ্লোবাল ওয়ান চ্যারিটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ডঃ হুসনা আহমেদ।

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার