আজকে

  • ৫ই শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২০শে জুলাই, ২০১৮ ইং
  • ৫ই জিলক্বদ, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

বিএনপি – জামায়াত জোট: সিলেটে হয়েছিল শুরু। সিলেটেই কি হবে শেষ ?(ভিডিও)

Published: বৃহস্পতিবার, জুলাই ৫, ২০১৮ ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: শুক্রবার, জুলাই ৬, ২০১৮ ১:১০ পূর্বাহ্ণ
 

বিএনপি – জামায়াত জোট: সিলেটে হয়েছিল শুরু। সিলেটেই কি হবে শেষ ?

আমিমুল এহসান তানিম : শুধু সিলেটে নয় দেশে বিদেশে অবস্থান রত রাজনীতি সচেতন সকল বাংলাদেশী নাগরিদের চোখ এখন সিলেটের রাজনৈতিক হালচাল নিয়ে। সিলেটের সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থিতা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা।কেন্দ্রীয় বিএনপি দলীয় আরিফুল হক চৌধুরীর নাম মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করলেও তা মেনে নেননি খুঁদ সিলেট বিএনপির বড় একটি অংশ ২০ দলীয় জোটের শরিকরা। এমনকি তারা অংশ নিচ্ছেনা আরিফ কর্তিক আয়োজিত কোন ধরণের সভা সমাবেশে। অন্য দিকে এখনো নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপির আরেক প্রভাবশালী নেতা বদিউজ্জামান সেলিম।এদিকে স্যোশাল মিডিয়ায় ভাসছে সিলেট বিএনপির আরেক কান্ডারি সামসুজ্জামান জামানের একটি ভিডিও ,সেখানে তিনি শত শত কর্মীর সামনে স্পষ্ট নির্দেশনা দিচ্ছেন আরিফের পক্ষে কাজ না করার জন্য। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ কামরানকে প্রতিহত করণে কার্যত্ লেজেগোবরেঅবস্থায় বিএনপি।
নির্বাচনের আর বাকি এক মাসেরও কম সময়। এই অল্প সময়ে আরিফের পক্ষে কোন অবস্থায় সম্বব নয় দল এবং জোটকে সংগঠিত করে নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করা এমনটি মনে করেন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক লেবারপার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সিলেট মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ।
বর্তমান অবস্থায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে কার্যত সিলেট ২০ দলীয় জোট দুটি ভাগে বিবক্ত্য হয়ে পড়েছে একটি অংশ জামায়াতের আমির জুবায়েরকে চাচ্ছেন প্রার্থী হিসেবে অন্য ক্ষুদ্র অংশ চাচ্ছেন আরিফকে।
ইউকে বিএনপির একজন প্রথম সারির নেতা নাম প্রকাশ না করে বলেন সাবেক মেয়র আরিফের ২০ দলীয় জোটকে বা স্থানীয় বিএনপিকে একক ভাবে কাছে না পাওয়ার কারণ সূমহ হচ্ছে, বিগত দিনে ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয়তা জোটের নেতা কর্মীদের অবমূল্যায়ন এবং গঠন মূলক উন্নয়ন না করে সস্তা জনপ্রিয়তার আশায় লোক দেখানো কর্মসূচি পালন ।এমন কি লন্ডনে কয়েকবার তিনি আসলেও ইউকে বিএনপির সাথে সমন্বয় করতে ব্যার্থ হন।
সিলেট জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলাম শাহীন ইউকেবিডিটাইমেস কে বলেন এহসানুল মাহবুব জুবায়ের হচ্ছেন সেই নেতা যিনি সর্ব দলীয় ছাত্র ঐক্য গঠন করে ২০০১ সালে জোট সরকারের বিজয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। জোটকে সংগঠিত করেছিলেন জুবায়ের ,তাই দেশ ব্যাপী জোটের ঐক্যকে সুসংহত এবং ঐক্য বদ্ধ রাখতে সিলেটে জোটের প্রার্থী হিসেবে জুবায়েরকে মনোনয়নের কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন গত নির্বাচনে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিলেন আরিফের বিজয় নিশ্চিত করণে আজ তারা আরিফের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেছেন এবং তিনি মনে করেন আওয়মীলীগের হাত থেকে বিজয় ছিনিয়ে আনতে প্রয়োজন গণজোয়ার ,যা সম্ভব এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের মাধ্যমে। তিনি আরো বলেন বিগত দিনের অত্যাচার নির্যাতন সত্ত্বেও দেশের রাজনীতিতে জামায়াতের সুদৃঢ় ভূমিকা জামায়াতে ইসলামীকে কে সারা বাংলদেশে ব্যাপক ভাবে জন প্রিয় করে তুলেছে সাধারণ মানুষের কাছে। যার প্রমান বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় নির্বাচন গুলোতে জামাতের অভাবনীয় সাফল্য। আর সিলেট অঞ্চলের জামায়াত ইসলামী হচ্ছে বাংলাদেশের অন্নান্য অঞ্চলের তুলনায় বেশি সংগঠিত এবং সামাজিক ভাবে গ্রহণ যোগ্য প্রভাবশালী একটি সংগঠন এই বাস্তবতা যদি বিএনপি বুজতে অক্ষম হয় তবে তাদেরকে সামনে আরো মাশুল দিতে হবে ”

এখন অপেক্ষার পালা কে আসলে হচ্ছেন ২০ দলীয় মনোনীত প্রার্থী ,বুধবার বিকালে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠক শেষ ব্রিফিংয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২০ দলীয় জোট একক প্রার্থী দেবে এবং জোটগতভাবে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবে।
এসময় সিলেট সিটি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী দেয়ার বিষয়ে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আমাদের একক প্রার্থীর জন্য কাজ করার বিষয়টি জামায়াত অনুমোদন করেছে। তবে জামায়াতের পক্ষথেকে মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয় একাদিক কেন্দ্রীয় নেতা তাদের ফেইসবুক থেকে এই বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করেন। মেয়র প্রার্থী জুবায়ের তার ফেসবুকে লিখেন “২০ দলীয় জোটের আজকের কেন্দ্রীয় বৈঠকে বরিশাল ও রাজশাহীতে বিএনপির প্রার্থী যথাক্রমে মুজিবুর রহমান সারোয়ার ও মোসাদ্ধেক হোসেন বুলবুল কে সমর্থন দেওয়া হয়েছে।সিলেটের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। এ ব্যাপারে আমাদের ভাইদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও সিলেট মহানগর নায়েবে আমীর মোঃ ফখরুল ইসলাম ভাই অনুরুধ জানিয়েছেন।”
অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা স্পষ্ট ভাবে বুজা যাচ্ছে জামায়েত এই বার কোন অবস্থায় ছাড় দিতে নারাজ শুধুমাত্র নেতারা নন তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীরাও আপোসহীন ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। জামাতের সিলেট মহানগর আমির এহসানুল মাহবুব জুবায়ের একটি কর্মী সমাবেশে বলেন যদি সিলেটে বিএনপি জামাতের একক প্রার্থিতা না মেনেনেন তবে বরিশাল এবং রাজশাহীতেও প্রার্থিতা দিতে পারে জামায়েত।
এই অবস্থায় বিশ্লেষকরা সংক্ষিত আছেন ২০ দলীয় জোটের ভবিষ্যৎ পথচলা নিয়ে। বিএনপির অনমনীয়তা হতে পারে জোটের জন্য হুমকি।

 

সিলেটের মেয়র হিসেবে আরিফকে প্রত্যাখ্যান করেছে সিলেটের সকল বি এনপি নেতা। সে মুনাফিক আওয়ামীলীগের সাথে আঁতাত করে এত দিন ক্ষমতায় ছিল। বিএনপি প্রার্থী আরিফের সাথে নির্বাচনে কাজ করতে চায় না সিলেট বিএনপির নেতা কর্মীরা। আরিফ সাহেব মেয়র হওয়ার স্বপ্ন না দেখে নিজের ঘর সামলান।——- ———-সিলেট বিএনপির সিনিয়র নেতাদের অভিমত

Posted by Taj Uddin Ahmed Taj on Wednesday, 4 July 2018

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার