আজকে

  • ৯ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২৩শে জুন, ২০১৮ ইং
  • ৮ই শাওয়াল, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের সম্মানে ইস্ট লন্ডন মসজিদের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

Published: রবিবার, জুন ৩, ২০১৮ ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: সোমবার, জুন ১১, ২০১৮ ১:০৭ অপরাহ্ণ
 

ইউকেবিডিটাইমস : কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের সম্মানে ইস্ট লন্ডন মসজিদ গত ৩১ মে আয়োজন করে ইফতার মাহফিল। লন্ডন মুসলিম সেন্টারে অনুষ্টিত উক্ত মাহফিলে ইফতারপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মসজিদের বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় সমূহ সম্পর্কে উপস্থিত অথিতিদের অবগত করা হয় এবং ইফতার মাহফিলে উপস্থিত অতিথিদের কাছ থেকেও পরামর্শ গ্রহণকরা হয়।
ইস্ট লন্ডন কর্তৃপক্ষ জানান , মসজিদের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন পাউন্ড। অন্যদিকে দানলীশদের অর্থসহ বিভিন্নভাবে বছরে আয় হয় প্রায় ৩ মিলিয়ন পাউন্ড। তবে দানের অর্থ কমে গেলে আয়ও কমে যায়। এ জন্য মসজিদের স্থায়ী আয় বাড়ানোর অংশ হিসেবে ‘ওয়াকফ ফান্ড’ গঠন করা হয়েছে। এই ফান্ডে তিনভাবে দান করা যাবে। প্রথমত এই ফান্ডে যে কোনো অংকের নগদ অর্থ দান করা যাবে। দ্বিতীয়ত, এই ফান্ডে দীর্ঘ মেয়াদী ক্বর্জে হাসানা প্রদান করা যাবে। আর তৃতীয়ত, সম্পদের একটি অংশ অসিয়তের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে দিতে পারবেন, যা অসিয়তকারীর মৃত্যুর পর স্বজনরা মসজিদে দান করে দেবেন। তবে অসিয়তের ক্ষেত্রে শুধু ওয়াকফ ফান্ডে জমা না দিয়ে মসজিদের অন্য যেকোনো কার্যক্রমে দান কন্ডের অর্থ বিনিয়োগ করে মসজিদের স্থায়ী আয় বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হবে। দানশীল ব্যক্তিরা চ্যানেল এসের ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠানে অথবা আলাদাভাবে মসজিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওয়াকফ ফান্ডে দান করতে পারবেন।
সংবাদ রে যেতে পারবেন। মরিয়ম সেন্টার নির্মান এবং সিনেগগ ক্রয় বাবদ এখনো প্রায় ২ দশমিক ৯ মিলিয়ন পাউন্ডের ঘাটতি রয়েছে। এই অর্থ কমিউনিটির মানুষের কাছ থেকে ক্বর্জে হাসানা হিসেবে নেওয়া হয়েছিল। সেই অর্থ পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করা হচ্ছে। তবে এই ক্বর্জে হাসানা পরিশোধের পাশাপাশি মসজিদের দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে কমিউনিটির দানশীলদের সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করা হয়।

পরবর্তীতে সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইস্ট লন্ডন মসজিদ ও লন্ডন মুসলিম সেন্টারের সেক্রেটারী আয়ূব খান। পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর দিলওয়ার খান। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইস্ট লন্ডন মসজিদ ও লন্ডন মুসলিম সেন্টারের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান।
উল্লেখ্য প্রতি বছর ইস্ট লন্ডন মসজিদ এবং লন্ডন মুসলিম সেন্টারে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ ভিজিট করেন। আর রামাদানে ভিজিটরের সংখ্যা বেড়ে যায় দ্বিগুন। প্রতি বছর রামাদানে প্রায় ৫শ মুসল্লিকে ইফতার খাওয়ানো হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই ইফতারের অর্থ দান করেন। দানশীল কোন ব্যক্তি চাইলে জনপ্রতি ২ পাউন্ড ধরে এক হাজার পাউন্ড দান করে এক সাথে ৫শ মানুষের জন্যে একদিনের ইফতারের আয়োজন করাতে পারেন।
আরো জানানো হয় ,মরিয়ম সেন্টার নির্মান এবং সিনেগগ ক্রয় বাবদ এখনো প্রায় ২ দশমিক ৯ মিলিয়ন পাউন্ডের ঘাটতি রয়েছে। এই অর্থ কমিউনিটির মানুষের কাছ থেকে ক্বর্জে হাসানা হিসেবে নেওয়া হয়েছিল। সেই অর্থ পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করা হচ্ছে। তবে এই ক্বর্জে হাসানা পরিশোধের পাশাপাশি মসজিদের দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে কমিউনিটির দানশীলদের সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করা হয়।
অন্যদিকে অন্যান্য বছরের মতো এবারো রামাদানে বিদেশী চারজন হাফেজ তারাবী নামাজে ঈমামতি করছেন। এবারো লটারির মাধ্যমে প্রায় তিন শতাধিক নাম থেকে ১শ মুসল্লিকে বাচাই করা হয়েছে এতেক্বাফের জন্যে। এবার ইস্ট লন্ডন মসজিদ এবং লন্ডন মুসলিম সেন্টারে ৫টি ঈদের জামাত হবে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে প্রতি ১ ঘন্টা পরপর সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে ঈদের জামাত।
ইউকে ও ইউরোপের সর্ববৃহত এই মসজিদে এক সঙ্গে প্রায় ১০ হাজার মুসল্লি এক সঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের দীর্ঘস্থায়ী আয় বাড়ানোর জন্যে ওয়াকফ ফান্ডে দান করার পাশাপাশি বিগত দিনের মতো আগামীতেও সর্বদা মসজিদের পাশে থাকার জন্য কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে শুরু থেকে আজ অবদি মসজিদের পাশে থাকার জন্যে কমিউনিটির সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার