আজকে

  • ৫ই ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২০শে আগস্ট, ২০১৮ ইং
  • ৮ই জিলহজ্জ, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

সময় পেলে বাংলাদেশে যাবেন কেইমেন আইল্যান্ড গভর্ণর আনোয়ার চৌধুরী

Published: শনিবার, মে ১৯, ২০১৮ ১:৪৫ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: শুক্রবার, জুন ২২, ২০১৮ ৪:১০ অপরাহ্ণ
 

মোহাম্মদ শাকির হোসাইন:

সুনামগঞ্জের কৃতি সন্তান আনোয়ার চৌধুরী এখন বৃটিশশাসিত কেইমেন আইল্যান্ডের গভর্ণর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এরআগে কোনো বাংলাদেশীতো দুরের কথা কোনো এশিয়ানই এতবড় পদে অধিষ্ঠিত হতে পারেননি।গত মার্চ মাস থেকে তিনি আছেন এই দায়িত্বে।

প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী, গভর্নর এ দ্বীপের প্রধান। ব্রিটেন থেকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার মাইল দূরে অবস্থিত এই দ্বীপপুঞ্জ।

বিশ্বের অন্যতম ফাইন্যানশিয়াল সেন্টার হিসেবে পরিচিত কেইম্যান আইল্যান্ডের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আবর্তিত হয় ব্যাংকিং, হেজ ফান্ড, বিনিয়োগ এবং ক্যাপ্টিভ ইন্সুরেন্স ও সাধারণ কর্পোরেট কার্যক্রম ঘিরে। কেইম্যান আইল্যান্ড হলো বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ব্যাংকিং সেন্টার যেখানে ২৭৯টি ব্যাংক রয়েছে এবং এর মধ্যে ২৬০টি আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ের জন্য অনুমোদিত।

আনোয়ার চৌধুরী নিজ মাতৃভুমি বাংলাদেশ ছাড়াও ব্রিটিশ হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন পেরুতে।

গত (১৪ মে ২০১৮) লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টারে দেখা হয় এই বরেণ্য কূটনীতিবিদের সাথে। ২০০৮ সালের পর আবার তাঁর মুখোমুখি। পরিচয় দিতেই চিনলেন। নিজগ্রাম প্রভাকরপুর ও সৈয়দপুরে গিয়েছিলাম তাঁর সফর কভার করতে। সেসময়ে আমি ছাড়াও কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীর নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন এই বৃটিশ কুটনীতিক। সেসময়ে দেখতেও অনেক সুদর্শন ছিলেন তিনি। এরই মধ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছে তাঁর জীবনে। একে একে পৌছেছেন সাফল্যের স্বর্ণশিখরে। সেই সাথে চেহারায় স্পষ্ট হয়েছে বয়সের ছাপ। চেহারার উজ্জলতা কমলেও নামের ওজন বেড়েছে বহুগুন।

মোটাদাগের কি ধরনের কাজ করছেন গভর্ণর হিসেবে জানতে চাইলে আনোয়ার চৌধুরী বলেন, ‘আমি মুলত ফিন্যানশিয়াল সেক্টরটা বেশি দেখরাম’ সংক্ষেপে জানালেন মিস্টার চৌধুরী। এর বেশি কিছু শুনতে আমি আশা করেছিলাম কিন্তু বৃটিশ এই ডিপ্লোম্যাট প্রসঙ্গ পরিবর্তন করে বলতে লাগলেন ‘ইটা এখটা ধনী দেশ। খুবই সুন্দর দেশ’।

আমরা আপনাকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি এমন কথায় তিনি হাসলেন।

বাংলাদেশে কবে যাবেন এর উত্তরে বললেন, ‘আমার টাকা পয়সা নাই কিলা যাইতাম, আর দেশেতো আমার কেউ নাই গিয়া কিতা করতাম’।

আপনি দেশে গেলে অনেক মানুষের উপকার হবে, নতুন প্রজন্ম আপনাকে দেখে অনুপ্রাণিত হবে, তরুণরা স্বপ্ন দেখবে আপনার মতো হওয়ার। আপনাকে অনুকরণ করবে, এটা একটি প্রজন্মকে এগিয়ে নেয়ার জন্য যথেষ্ট যোগ করলাম আমি। আরো বললাম, টাকার সহযোগীতার চাইতে এটি অনেক বড় পাওয়া হবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।আমার কথা শুনে মুখে হাসি ফুটে উঠল আনোয়ার চৌধুরীর। আমার কাঁধে হাত রেখে বললেন, ‘ঠিক আছে যাইমুনে’।

কবে যাবেন? মামা বাড়ির আব্দারের মতো আবার জিজ্ঞেস করতেই বললেন ‘অখন কইতাম পারতামনায়, দেখা যাউক যাইমুনে এখসময়’।

জানালেন কদিন আগে পিতাকে চিরবিদায় জানিয়েছেন, এখন মায়ের শরীরিক অবস্থাও তেমন ভাল যাচ্ছেনা। তাই তাকে দেখতে লন্ডনে এসেছেন কেইমেন আইল্যান্ড গভর্ণর আনোয়ার চৌধুরী।

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার