আজকে

  • ১লা ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ১৬ই আগস্ট, ২০১৮ ইং
  • ৪ঠা জিলহজ্জ, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

কবি শাহনাজ সুলতানা’র সাথে কিছুক্ষণ

Published: রবিবার, এপ্রিল ২২, ২০১৮ ১:১৮ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: রবিবার, এপ্রিল ২২, ২০১৮ ১:১৯ পূর্বাহ্ণ
 
শেলি রহমানঃ
নারী এশিয়ান ম্যাগাজিন সম্পাদক কবি শাহনাজ সুলতানার সাথে প্রাণবন্ত  চায়ের আড্ডায় কবিতা নিয়ে কিছু প্রশ্ন করেছিলাম, যা হুবুহু  পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-
কবিতা লিখা কি ভাবে শুরু?
কবিতা মূলত দু’ধরণের হয়। একটি হচ্ছে মূর্ত, অন্যটি বিমূর্ত। মূর্ত হলো  যে কবিতার শব্দগুলো মূর্তমান, বিমূর্ত হলো যে কবিতার ভাবগুলো মূর্তমান থাকে। সত্যি বলতে কি সময় আমাকে দিয়ে কবিতা লিখাচ্ছে। লিখতে লিখতে এক সময় মনে হলো এটাই কবিতা।
দুই যুগ এর বেশি সময় ধরে কবিতা লিখছেন। একজন  মা, সম্পাদক ও ব্যস্ত সমাজকর্মী, এতকিছুর পরও কবিতার সাথে কি ভাবে সম্পর্ক রাখেন?
-জীবনের সব বিষয়ের সাথে কবিতা সম্পৃক্ত। যা কিছু করি, সবকিছুকেই কবিতার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখি। সুতরাং কবিতার সাথে জীবনের সম্পর্ক খুবই গভীর থাকে। এখানে সময়  নির্ধারিত করে সম্পর্ক করা যায় না।
বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে সামনে রেখে কথা বলছি, স্বদেশ প্রেম থেকে কি কোন কবিতা লিখেছেন?
-আমার সব কবিতাই মানব প্রেমের ভিত্তিতে লিখা। দেশ হলো ভৌগলিক স্থান। কবির কোন দেশ কাল নেই। যেহেতু বিজয় বাঙালী জাতির জীবনে মাইলস্টোন, এটা আমার ভেতর কাজ করে। হ্যাঁ আমি বিজয় নিয়ে বেশ কিছু কবিতা লিখেছি।
আপনার কবিতার সিংগভাগে রয়েছে প্রেম, এখানে কি কোন ম্যাসাজ আছে পাঠকদের জন্য?
-পৃথিবীতে প্রেমের বাইরে কোনকিছুই নেই। মায়ের সাথে সন্তানের, ভাইয়ের সাথে বোনের, স্বামীর সাথে স্ত্রীর প্রেম। এই প্রেমগুলোর মধ্যেও ভিন্ন রুপ রয়েছে। সুতরাং প্রেমহীন কোন কিছু্ই সম্ভব নয়।
সম্পাদক নারী এশিয়ান ম্যাগাজিন এডিটরশীপ  কবিতাকে  কি ভাবে প্রভাবিত করেছে?
-কবিতাই নারী সত্তাকে প্রভাবিত করেছে।
আপনি কোন স্টাইলে কবিতা লিখেন?
-ফ্রি স্টাইলে
কেন?
-মুক্ত ছন্দের মধ্যে স্বস্তিতে নিঃশ্বাস নেওয়া যায়। নির্ধারিত ফরমেটে এক ধরণের বন্দিত্ব মনে হয়।
এ পর্যন্ত আপনার দুটি কবিতার বই বেরিয়েছে, ‘শূন্য করতল’ ও ‘ছায়া সংহিতা’ নামে। ‘শূন্য করতল’ নামকরণের কারণ কি??
-শূণ্যেটাই স্মীতিশীল, শূণ্যের পরে কিছু নেই।  সে জন্যই এমন নাম করণ। আমাদের পৃথিবী গোলক একটি শূণ্যের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে।
কিছু লিখতে গিয়ে কখনও কি ব্লক হয়েছেন , যদি হন তা হলে চিন্তাটাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যার কি ভাবে?
-এটা সব লেখকদের বেলায় ঘটে। এটার জন্য অপেক্ষা করতে হয় ভাবকে পূর্ণভাবে ধারণ করার জন্য। ভাবটা যখন পূর্ণ হয়ে যাবে তখন এ থেকে বেরিয়ে আসা যায় সহজেই।
এমন  কবিতা কি লিখেছেন যা এতো পারর্সনাল যে. আত্মপ্রকাশ থেকই বিরত ছিলেন। যদি তাই হয় এ কবিতার ব্রেকগ্রাউন্ড কি?
-যা কিছু ভাবের ভেতর আসে, যে অনুভূতি শব্দরুপ প্রকাশ পায় সে গুলো প্রকাশ করেছি, তবে যে অনুভূতিগুলো শব্দরুপ পায়নি তা বলতে পারব না।

আপনি কি জীবনের উপর কবিতা লিখেছেন?
-জীবনের সবকিছুর সাথে সম্পৃক্ত কবিতা। আমার সব কবিতাই জীবন নিয়ে।
আপনাকে কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ না উপন্যাস বেশি আকৃষ্ট করে?
-আমাকে সবচেয়ে বেশি কবিতাই আকৃষ্ট করে। কবিতা কম কথায় চিত্র ঘটনা অতি সহজেই বুঝা যায়।
কবিতা কার ইদানিং বেশি পড়ছেন?
নিজের লেখা কবিতাই বেশি পড়ি।
প্রিয় কবি কে?
রবীন্দ্রনাথ এবং জীবনানন্দ দাশ।
সুনীল,  নেই কেন?
-অ-পছন্দের ব্যাপারটা কিন্তু ব্যখাতীত
অন্য কোন ক্রিয়েটিভ কাজের সাথে সম্পৃক্ত আছেন কি?
কবিতা নিজেই একটা  ক্রিয়েটিভ  কাজ। এই কাজটাই আমি বেশি করি।
পারিবারিক জীবন ব্যালেন্স করেন কি ভাবে?
পারিবারিক জীবনের সবকিছুই কবিতার অর্ন্তভুক্ত। সুতরাং ব্যলেন্স করার কিছুই নেই।
কোন মানুষটির বেশি অবদার জীবনে?
-আমার মা।
চমৎকার লাইন দিয়ে শেষ করেন
এ- মন একবারই ছুঁয়ে যেতে পারে কেউ…
এ- মন একবারই লুকায় অন্য কোন খাঁচায়
মনের কী দোষ বলো বন্দি মন তো পাথর নয়…
 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার

    আগষ্ট ২০১৮
    রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
    « জুলাই    
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০৩১