আজকে

  • ৬ই ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২১শে আগস্ট, ২০১৮ ইং
  • ৯ই জিলহজ্জ, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

দুদক মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৬ সাংবাদিক

Published: বুধবার, মার্চ ২৮, ২০১৮ ৬:৩৮ অপরাহ্ণ    |     Modified: সোমবার, এপ্রিল ৯, ২০১৮ ৯:০৩ অপরাহ্ণ
 

ইউকেবিডি টাইমসডেস্কঃঅনুসন্ধানী ও প্রতিরোধ কার্যক্রমে সৃজনশীল প্রতিবেদনের জন্য গণমাধ্যমের ছয়জন সাংবাদিককে পুরস্কৃত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার বিকেলে দুদকের সম্মেলন কক্ষে ছয় সাংবাদিককে পুরস্কার হিসেবে নগদ অর্থ, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এম এ মান্নান বলেন, দুদকের সব কাজে সরকার গৌরবান্বিত হয়। বর্তমানে কমিশনের কার্যক্রম ভালো হচ্ছে, মানুষের মধ্যে দুর্নীতি করতে ভয়ভীতির সঞ্চার হচ্ছে। তিনি বলেন, ব্যাংক কেলেঙ্কারিসহ অনেক দুর্নীতির কথা শোনা যায়, তারপরও দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহতভাবে ৭-এর ওপরে রয়েছে। বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হচ্ছে। এই উন্নয়নের ধারা সম্মিলিতভাবে ধরে রাখতে হবে।

বিজয়ী সাংবাদিক ও জুরিবোর্ডের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে নিরন্তর লড়াই চলছে, সে লড়াইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হচ্ছেন সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যম। তিনি বলেন, দুদকের দোষ-ত্রুটি, এমনকি দুর্নীতির কোনো ঘটনাও যদি আপনাদের গোচরে আসে, তাহলে আমাদের বিরুদ্ধেও সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করবেন।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কমিশন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান বা তদন্ত করে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়। অভিযোগ অনুসন্ধানকালে ব্যক্তির রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাগত বা অন্য কোনো পরিচয় কমিশনের কাছে ন্যূনতম গুরুত্ব বহন করে না। কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জনগণের সম্পদ বা অর্থ লুণ্ঠনকারীকে শনাক্ত করা এবং আইনের মুখোমুখি দাঁড় করানো। অর্থাৎ অপরাধকে শনাক্ত করতে গিয়ে, চূড়ান্ত পর্যায়ে অপরাধী তো আসবেই।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, কমিশনের গোয়েন্দা ইউনিট বিভিন্ন বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য পাচ্ছে যে কতিপয় দুর্নীতিপরায়ণ ব্যবসায়ী, গুটিকয়েক সরকারি কর্মকর্তা এবং কতিপয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহায়তায় ট্রেড-বেইজড মানি লন্ডারিং হচ্ছে। দেশের অর্থপাচার হচ্ছে—এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। যেকোনো মূল্যে কমিশন অর্থ পাচার রোধ করতে চেষ্টা করবে। এ প্রসঙ্গে মানি লন্ডারিং আইনের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আইনটি সংশোধনের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনকে কিছুটা হলেও দুর্বল করা হয়েছে। তিনি তরুণ প্রজন্মের সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, সাহসের সঙ্গে দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরি করুন। আপনাদের চাকরি কেউ খেতে পারবে না। চাকরি ইচ্ছা করলেই কেউ খেতে পারে না। কারণ, দেশে আইন রয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনও তরুণ সাংবাদিকদের পাশে থাকবে।

প্রিন্ট মিডিয়া ক্যাটাগরিতে এবারের দুদক মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী সাংবাদিকেরা হলেন দৈনিক সমকালের আবু সালেহ রনি প্রথম, দৈনিক যুগান্তরের নেছারুল হক খোকন দ্বিতীয় ও দৈনিক জনকণ্ঠের বিভাষ বাড়ৈ তৃতীয়। ইলেকট্রনিকস মিডিয়া ক্যাটাগরিতে বিজয়ীরা হলেন এটিএন বাংলার মাহবুব কবির চপল প্রথম, মাছরাঙা টিভির বদরুদ্দোজা বাবু দ্বিতীয় এবং এনটিভির এ এস এম জহিরুল ইসলাম তৃতীয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন দুদক কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, দুদক সচিব শামসুল আরেফিন, জুরিবোর্ডের সদস্য মনজুরুল আহসান বুলবুল, পিআইবির মহাপরিচালক শাহ আলমগীর প্রমুখ।(প্রথম আলো)

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার