আজকে

  • ১লা ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ১৬ই আগস্ট, ২০১৮ ইং
  • ৪ঠা জিলহজ্জ, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

সুনামগন্জ আওয়ামীলীগ কমিটি:এক ঘরমে দো পীর, তিন পীর 

Published: মঙ্গলবার, মার্চ ২৭, ২০১৮ ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: মঙ্গলবার, মার্চ ২৭, ২০১৮ ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ
 

আবির রায়হানঃ

এক : 

দলীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার দীর্ঘদিন পর সম্প্রতি সুনামগন্জ জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘােষিত হয়েছে। এ নবঘোষিত কমিটি নিয়ে সুনামগন্জের দলীয় নেতাকর্মীসমর্থক, এমনকি আওয়ামীপ্রেমী সাধারণ জনমনে ব্যাপক অসন্তোষ এবং ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।দেশে-বিদেশে সর্বত্র সুনামগন্জ আওয়ামীলীগের দেশপ্রেমিক নিষ্ঠাবান নেতা কর্মীসমর্থকদের  ‘টক অভ দ্যা বৈঠকে’ রূপ নিয়েছে। অসংখ্য নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের হতাশা এবং ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। গত কদিন ধরে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী লেখালেখি বলাবলি করছেন: 

প্রথমত, কমিটিতে জেলার সব থানা/ সব অন্চলের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়নি। 

দ্বিতীয়ত, দীর্ঘদিন তৃণমূলে সক্রিয় দলের দু:সময়ে পরীক্ষিত নিবেদিতপ্রাণ ত্যাগী  বহু নেতাকে সঠিক মূল্যায়নপূর্বক যথোপযুক্ত প্রাপ্য পদ থেকে অন্যায়ভাবে বন্চিত করা হয়েছে। এ বন্চনা একজন নেতার জন্য যতটা না কষ্টের, তার চেয়ে সহস্রগুণ অসম্মানজনক এবং ক্ষতিকর দলের জন্য। যোগ্য ত্যাগী নেতার ঊপযুক্ত মূল্যায়ন না হলে সেই দৃষ্টান্ত তরুণ নেতাকর্মীরা গভীর মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ ও বিচার বিশ্লেষণ করবে। ফলে এ থেকে তারা কী শিখবে? শিখবে, নিজেকে যোগ্য ত্যাগী আদর্শ নেতা হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা অর্থহীন পণ্ডশ্রম। দল সেটার ঊপযুক্ত মূল্যায়ন করে না। এইভাবে স্থানীয় আওয়ামীলীগ ক্রমশ পুরোটাই ‘ভোগীদের’ আর ‘খাই খাই’ পার্টির খপ্পরে চলে যাবে।

তৃতীয়ত, কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া নেতাদের বয়স, তাদের পুরো রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ব্যাপ্তিকাল ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্তি অবদান, সিনিয়র বা প্রভাবশালী কোনো না কোনো নেতার সঙ্গে পারিবারিক সম্বন্ধ বন্ধন ইত্যাদি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয়, সিংহভাগ গুরুত্বপূর্ণ পদ বৃহত্তর সুনামগন্জের মাত্র ২/৩টি থানার ২/৩টি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নিজ নিজ ‘মাসল আর মানির’ আনুপাতিক হারে গোপন এক রহস্যময় সমঝোতার মাধ্যমে ব্যবসার ‘লভ্যাংশের’ মতো ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়া হয়েছে।

 এই নেতাদের ভাবখানা যেনো এমন যে, স্থানীয় আওয়ামীলীগ জনভিত্তিক জননন্দিত জনবন্দিত গণমুখী দীর্ঘকালের গণতান্ত্রিক এৈতিহ্যবাহী কোনও রাজনৈতিক সংগঠন নয়। সুনামগন্জ জেলা আওয়ামীলীগ যেনো এই গুটিকয়েক প্রভাবশালী পরিবারের বহুমুখী স্বার্থরক্ষায় নিয়োজিত একটি ‘সিণ্ডিকেটমাত্র’। পুরো কমিটির দিকে দৃষ্টিপাত করলে সবার কাছেই তা দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে ধরা পড়ে। এজন্য বিশেষ নজর বা গবেষণার দরকার নেই। ‘আমি পেলাম মাথা-মগজ / তুমি হারালে ল্যাজ’ (Heads I win , tails you lose) এই নীতির নির্লজ্জ হীন দৃষ্টান্ত হলো এই নয়া কমিটি।

দুই : 

প্রায় ৫ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত শিল্প বাণিজ্যে সমৃদ্ধ  দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ থানা ছাতক। কোনও কোনও ক্ষেত্রে বহু জেলা থেকে ছাতক থানা অধিক তাৎপর্যপূর্ণ।নবঘোষিত জেলা কমিটিতে এই থানার মাত্র দুজন নেতা সম্পাদকীয় পদ পাওয়ার দুর্লভ গৌরব অর্জন করেছেন। এই দুজন শুধু একই পরিবারের সদস্য নন, সম্পর্কে তারা সহোদর। এই দৈন্য, এই হীনম্মন্যতা- ছাতক থানার বঙ্গবন্ধুপ্রেমী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আস্থাশীল  সকল নিবেদিতপ্রাণ নীরব নির্লোভ নির্মোহ নেতাকর্মীর জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক। নয়া কমিটির সম্পাদক ‘দু-ভায়ের’ একজন তরুণ বয়সী। তার প্রায় দ্বিগুণ বয়সী, শিক্ষায় কর্মে ত্যাগে জ্ঞানে অধিক যোগ্যতর বহু নেতা এই ছাতকে মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে  দীর্ঘকাল ধরে নিভৃতে দলের জন্য দিনরাত কাজ করছেন। তাঁরা আর্থিক পারিবারিক নানা  ত্যাগ স্বীকার করে দু:সময়ে আওয়ামীলীগকে তৃণমূলে শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের নিরলস কর্ম আর বিপুল ত্যাগের বিনিময়েই ছাতকের মাটি আজ আওয়ামীলীগের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি।কিন্ত কমিটি গঠনকালে সেসব নেতাদের ন্যূনতম মূল্যায়ন করা হয়নি। তাঁদের অযোগ্যতা কী? অযোগ্যতা হলো তাঁরা দলের ঊপর সওয়ার হয়ে, দলের নাম ভাঙিয়ে কালো টাকার পাহাড় গড়তে পারেন নি। তাই তাঁরা লাঠিয়াল বাহিনি পুষতে পারেন না, ৬০ লাখ টাকার পাজেরোও হাঁকাতে পারেন না। তাঁদের নাই পেশিশক্তি, নাই বড়ো নেতার সঙ্গে ‘কুটুম্বিতা’ । অন্যদিকে তাদের নাই ৩০/৪০ লাখ টাকা দিয়ে ‘পদ’ খরিদের ‘ক্ষ্যামতা’। 

এই ছাতকে জন্ম নিয়েছিলেন মোহাম্মদ আবদুল হক, এমএনএ, ডা. মো: হারিছ আলি, মদরিছ আলি চৌধুরী, শমসু মিয়া চৌধুরীসহ দলের অসংখ্য গুণী নেতাকর্মী। তাঁরা নিজেদের  মেধা শক্তি শ্রম অকাতরে দান করে গেছেন এই দলটির বিকাশ ও প্রসারে।এমনকি আপন পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধিও হাসিমুখে বিসর্জন দিয়ে তিলে তিলে আওয়ামীলীগকে গড়ে তুলেছিলেন । সমগ্র ছাতক দোয়ারায় তাঁদের হাতে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য নেতাকর্মী। তাঁরা কোনোদিন নিজ পরিবারের সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় দলকে অপব্যবহার করেন নি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, মো: আবদুল হক আর ডা. হারিছ আলির ঘামে-শ্রমে গড়া ছাতক আওয়ামীলীগের কজন নেতার এই অধ:পতন অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ।

একই চিত্র বিরাজ করছে জগন্নাথপুর এবং দিরাই থানা আওয়ামীলীগে। জেলার সভাপতি সেক্রেটারি এই দুই থানার। শুধু এই কারণে কমিটিতে এই দুই থানার নেতাও বেশি! জগন্নাথপুরের সেক্রটারির পরিবারের ৩ জন্য সদস্য এবং দিরাইয়ের সভাপতির পরিবারের ৩ জন সদস্য নবগঠিত জেলা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদকীয় পদ বাগিয়ে নিয়েছেন। 

তিন : 

লক্ষ করলে আমরা দেখি, বাংলাদেশে কখনই কোনো রাজনৈতিক দলের কোনও কমিটি, বিশেষ করে জেলা থেকে প্রত্যন্ত ইঊনিয়ন লেভেল পর্যন্ত সময়মতো ঘোষিত হয়না। জেলা লেভেলের সম্মেলন চলাকালে তো হয়-ই না বরং এর কমপক্ষে দেড় দু-বছর পর পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা আসে। সম্মেলনও কালেভদ্রে হয় ২/৪ জন মানুষের সুবিধে-অসুবিধে বিচারবিবেচনা করে। দলের স্থানীয় ‘রথী-মহারথীরা” আপন বলয়ের প্রভাব নিশ্চিতে পরিপূর্ণভাবে সন্ত্তষ্ট হবার পর ধীরেধীরে কমিটির পূর্ণ অবয়ব দলীয় কর্মী আর জনগণের সামনে ঊন্মোচিত হয়। এই দেড়-দু-বছর পর্দার আড়ালে চলে দলের বিভিন্ন ঊপদল গোষ্ঠীর নানামুখী টানাপোড়েন দরকষাকষি আর তৎপরতা। ইদানিং শুরু হয়েছে আরেক ‘বেশরম রাজনৈতিক ক্রীড়া’ ! দলের নাম ভাঙিয়ে যারা দু-হাতে লুটপাট করে ইতিমধ্যেই সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে তারাই স্থানীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো সোজাসাপটা দরদাম হাঁকিয়ে ‘খরিদ’ করে নিয়ে আসে। ঠিক যেমনটা হয়ে থাকে হাওর বাওর জলাশয়ের নীলামে ! রাজনৈতিক পদ হয়ে গেছে আজ নীলামের পণ্য ! একটা সমাজ জাতির জন্য এর চেয়ে নিচ, এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আর কী হতে পারে ! 

সে কারণে নয়া কমিটির ঘোষণায় যেমন দীর্ঘ সময় লাগে, তেমনি বিশেষ করে, জেলা থানা পর্যায়ে কমিটির আয়ু কবে কখন কিভাবে কার ইশারায় কোন ঊদ্দেশ্যে শেষ হবে তাও কেঊ বলতে পারে না।

চার : 

প্রশ্ন হলো কেনো এমন হয়? কেনো একটি রাজনৈতিক দল তার স্থানীয় কমিটিসমূহ নির্দিষ্ট মেয়াদান্তে সুষ্ঠু সুন্দর গণতান্ত্রিক পরিবেশে গঠন করতে পারেনা? কেনো একটি রাজনৈতিক দল তৃণমূলের সংখ্যাগরিষ্ট নেতাকর্মী আর সমর্থকদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অবদান যোগ্যতা অঙ্গীকার ইত্যাদি বিবেচনা করে না? কেনো মতৈক্য সমঝোতার ভিত্তিতে সঠিক সময়ে সর্বসম্মত কমিটি গঠন করতে রেগুলারলি ফেইল মারে? এসব প্রশ্নেরও কোনও সহজ জবাব নেই। 

এর জবাবে নানাজন নানা মত প্রকাশ করবেন। বেশিরভাগ মানুষের শর্টকাট জবাব হবে অনেকটা এরকম, ‘আরে ভাই, ওসব গণতান্ত্রিক রীতিনীতির কথা আমাদের দেশে চলবে না’। একটা ঊল্লেখযোগ্য সংখ্যক পাবলিক (বাস্তবে অধিকাংশ) মনে করে “ভালো এবং সমাজের সামষ্টিক কল্যাণকর ধারণা ঊদ্যোগ রীতি  এদেশের রাজনীতিতে কোনও দিনই প্রতিষ্ঠিত হবেনা”। এমন নৈরাশ্যজাগানিয়া জবাব শোনার পর সেই সব লোকের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলার আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না। তারা ‘হবে না’ বলে এক বাক্যেই সবাইকে লাজওয়াব করে দেয়। এই দলভুক্ত মানুষকে আমরা যদি পাল্টা জিজ্ঞেস করি ‘কেনো হবে না একটু বুঝিয়ে বলবেন?’ এর জবাবও তারা এক লাইনে দেবে। ঊত্তরটা হবে প্রায় এরকম “বললাম তো ভাই, এসব বড় বড় নীতির বুলি এদেশে চলবে না’। এর বেশি ব্যাখ্যা দিতে, হয় তারা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে অক্ষম অথবা তারা ভবিষ্যৎদ্রষ্টা । আসলে তারা দুটোর কোনোটাই নয়। সমাজের নানা ক্ষেত্রের নেতৃস্থানীয় কিছু লোক যেহেতু ওঠতেবসতে জিকির তুলে ‘কিচ্ছু হবে না, এইভাবেই রাজনীতি চলবে।’ সেই হুজুগে ঊদ্দীপ্ত হয়ে সাধারণ মানুষও পথেঘাটে শোনা সেই জিকির জাস্ট জাবর কেটে চলে। বিষয়টা অনেকটা দশচক্রে ভগবান ভূতের মতো। 

কেঊ তাদের আরো প্রশ্ন করতে পারে, একটা ত্রুটিপূর্ণ রীতিনীতি ধারা বা অনিয়ম  অতীতে শুরু হয়ে যুগযুগ ধরে আজতক বিনা চ্যালেন্জে প্রচলিত আছে বলে সেটা ভবিষ্যতেও যুগযুগ ধরে নির্বিঘ্নে নির্বিবাদে চলবে? কতো কতো অনিয়ম অনাচার দুনিয়াতে অতীতে ছিল। কোনো কোনোটি শতশত নয়, হাজার হাজার বছর ধরে বিনা প্রতিবাদে বিনা বাধায় প্রায় সমস্ত বিশ্বে কমবেশি প্রচলিত ছিল। এর একটা হলো দাসপ্রথা। হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ এর পদতলে পিষ্ট হয়েছে। কিন্ত শেষ পর্যন্ত মানুষই তার নিজের আকাঙ্ক্ষা আর চেষ্টার কারণে এই অমানবিক দাসপ্রথা থেকে দুনিয়াকে মুক্ত করতে পেরেছে।

বর্তমান রাজনৈতিক নৈরাজ্য দুর্বৃত্তপনা আর তার ঊপর ভর করে সম্পদ কামানোর প্রচলিত জনপ্রিয় ধারারও একদিন অবসান ঘটতে বাধ্য। এটাই জগতের নিয়ম। কিন্ত এর পূর্বশর্ত হলো নীতিবান আদর্শবান দেশপ্রেমিক সৎ যোগ্য এবং সাহসী মানুষদের ‘নিরাশ’ হলে চলবে না। হতাশ হয়ে তারা যদি মাঠ ছেড়ে ‘বেড়ায়’ ঊঠে বসে শুধু তামাশা দেখে তাহলে তো সব শেষ হয়ে গেল। ধান্ধাবাজ রাজনীতিজীবিদের তাতে পোয়াবারো হবে। সৎ যোগ্য দেশপ্রেমিক নেতাকর্মীদের শক্তি যতই দুর্বল হোক, কণ্ঠ যতই ক্ষীণ হোক, মাঠে থেকেই তাঁদের আরো বেশি সরব হতে হবে। তা না হলে ‘ফুল টাইম’ লাইসেন্স পারমিট কন্ট্রাক্টরি আর ধান্ধা নিয়ে ব্যস্ত ‘সৌখিন’ রাজনীতিজীবিরা আনন্দে বগল বাজাতেই থাকবে আর লুটপাটের কাঁড়িকাঁড়ি টাকা নিয়ে হাসতে হাসতে ব্যাংকে যেতেই থাকবে – যেতেই থাকবে। এই সিলসিলার লাগাম টেনে ধরার করার আর কোন মানুষ থাকবে না, ঊপায় তো না-ই। 

মন্দ মানুষ মন্দ নেতারা যেভাবে একজোট হয়ে সমাজে তাদের অপকর্ম চালিয়ে যায়, অর্থ-বাণিজ্য-পদ-পদবি সবকিছু দখলে নিতে চায়, ঠিক তেমনি সৎ যোগ্য দেশপ্রেমিক নেতাকর্মীদেরও একজোট হতে হবে তাদের রুখে দেওয়ার জন্য । সেটাই একমাত্র পথ। তা না হলে আমাদের কারো রক্ষে নেই। ঘরে খিল দিয়ে বসে থাকলেও এদের অশুভ থাবা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না। তা না হলে সবকিছু একদিন সত্যি সত্যি নষ্টদের দখলে যাবে। 

লেখক : আবির রায়হান

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার

    আগষ্ট ২০১৮
    রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
    « জুলাই    
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০৩১