আজকে

  • ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২৫শে মে, ২০১৮ ইং
  • ৮ই রমযান, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

মালয়েশিয়ায় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালিত

Published: শনিবার, মার্চ ১৭, ২০১৮ ১:৫৬ অপরাহ্ণ    |     Modified: শনিবার, মার্চ ১৭, ২০১৮ ১:৫৬ অপরাহ্ণ
 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৮ উদযাপিত হয়েছে।

দিনের কার্যসূচির প্রারম্ভেই ছিল শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এবং জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ। প্রথমেই পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মহ. শহীদুল ইসলাম। এরপর পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও মোনাজাতের মাধ্যমে।

শনিবার সকাল ১০ টায় রাজধানী কুয়ালালামপুরে অবস্থিত মালয়েশিয়ান ট্যুরিজম সেন্টারে (ম্যাটিক) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশটিতে নিযুক্ত হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্ব করেন। শ্রম কাউন্সেলর সায়েদুল ইসলামের অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন এয়ার কমডোর মো. হুমায়ূন কবির, প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতালয় প্রধান ওয়াহিদা আহমেদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন মিনিস্টার (পলিটিক্যাল) রইছ হাসান সারোয়ার।

দিবসটির ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত প্রথমেই শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু তার সমগ্র জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন বাংলাদেশের মানুষকে একটি শোষণহীন, সুখী ও সমৃদ্ধ জীবন উপহার দিতে। শত জুলুম, অত্যাচার ও অবিচার কোনো কিছুই তাকে তার লক্ষ্য হতে বিচ্যুত করতে পারেনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, জীবনের দীর্ঘ একটি সময় বঙ্গবন্ধুর কেটেছে কারাগারে। শ্রেষ্ঠ সময়ের এত বছর তিনি কারাগারের ভেতরে কাটিয়ে দিয়েছেন একটা আদর্শকে, একটা স্বপ্নকে ধারণ করে মানুষের কাছে সেগুলো পৌঁছে দিতে!

বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা অনুকরণীয় উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে আগত শিশুদের রাষ্ট্রদূত বঙ্গবন্ধুর জীবনী পাঠ করার আহ্বান জানান। তিনি শিশুদের বঙ্গবন্ধুর দুটি গুণ আত্মস্থ করতে বলেন, একটি হলো অন্যায়কে না মেনে নেয়া, অন্যটি হলো দেশকে ভালোবাসা।

অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের কেট কাটেন এবং ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া সেরা তিন বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি মাসুদ হোসাইন, ফার্স্ট সেক্রেটারি শ্রম মো. হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডল, পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার ফার্স্ট সেক্রেটারি মশিউর রহমান তালুকদার, কমার্শিয়াল উইং রাজিবুল আহসান, ফার্স্ট সেক্রেটারি তাহমিনা ইয়াছমিন, দ্বিতীয় সচিব সচিব শ্রম মো. ফরিদ আহমদসহ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা,ব্যবসায়ী,সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা।

যুগান্তর

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার