আজকে

  • ৫ই ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২০শে আগস্ট, ২০১৮ ইং
  • ৮ই জিলহজ্জ, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

বরইকান্দির কাজী বাড়ি পুরুষ শূন্য ,গৃহ বন্দি নারী এবং শিশু ,দুটি হত্যা মামলায় ৫ শত জনের বেশি আসামি

Published: বুধবার, মার্চ ১৪, ২০১৮ ৩:৩৩ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: বুধবার, মার্চ ১৪, ২০১৮ ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
 

সিলেট প্রতিনিধি: আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সিলেটের বরইকান্দি। হামলা পাল্টা হামলার পর ভুতুড়ে পরিস্থিতি বিরাজ করছে পুরোটা এলাকা জুরে । যার ভুক্তভুগি হচ্ছেন নিরপরাধ শতশত মানুষ। দুটি হত্যা কান্ডকে কেন্দ্র করে বরইকান্দির দুঘিরপাড়ার কাজীবাড়ির প্রায় ৫ শতাদিক বাসিন্দাদের ওপর করা হয়েছে পৃথক দুটি হত্যা মামলা। যাদের ওপর মামলা করা হয়েছে তাদের অনেকেই উক্তভুগী।অত্র এলাকার মানুষের সাধারণ জীবন যাত্রা ব্যাহত হওয়া ছাড়াও হয়রানির ভয়ে এলাকা পুরুষশুন্য হয়ে পড়েছে এবং আতংকিত মানুষজন ভয়ে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়া এমনকি অসুস্থ কিংবা বয়োঃবৃদ্ধদের চিকিৎসার জন্যও ঘর থেকে বেরুচ্ছেন না। শিশু কিশোরদের স্কুলে যাওয়া আসার পথও অনিরাপদ হওয়ায় যেতে পারছেনা ইস্কুলে । এমন পরিস্তিতিতে প্রশাসনের পর্যাপ্ত সহযোগিতা পাচ্ছেননা অত্র এলাকার জনগণ। ধারণা করা হচ্ছে এই অবস্থা যদি চলতে থাকে তবে অচিরেই মানবধিকার পরিস্থিতির অবনতি হয়ে গঠতে পারে মানবিক বিপর্যয়। তাই প্রশাসনের উচিত অনতি বিলম্বে অত্র এলাকার পরিস্তিতি স্বাবাবিক করণে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে কাজ করা। বিষয়টি নিয়ে শীঘ্রই প্রশাসনের উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করা উচিত বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সিলেটের বরইকান্দির দুঘিরপাড়ার কাজী আলফু মিয়া চেয়ারম্যানের বাড়ীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতা গউসের নেতৃত্বে সশস্র সন্ত্রাসী হামলা পরিচালিত হয় উক্ত হামলায় কাজী বাড়ি এবং বাড়ীর সামনের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্টানে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পতিক্রিয়ায় পাল্টা হামলা চালানো হলে ব্যাপক সংঘর্ষ সংগঠিত হয়।গত ৬ মার্চ মঙ্গলবার সকালে সংগঠিত এই সংঘর্ষ এলাকার ১০নং রোডের বাসিন্দা এবং ৩নং রোডের বাসিন্দাদের মধ্যে হয় এক পর্যয় বাবুল আহমদ ও মাসুক মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় প্রায় অর্ধশত লোক আহত হন।
নিহতেরকে নিজেদের লোক দাবীকরে দুটি হত্যা মামলা দায়ের করেন গউসের অংশের লোকজন এবং তারা কাজী আলফু মিয়া চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে পৃথক দুটি হত্যা মামলা করেন । অন্য দিকে কাজী বাড়ির পক্ষথেকে দাবিকরা হচ্ছে গউস বাহিনীর সদস্যের দ্বারা নিহত হয়েছেন দুই জন। মূলত হয়রানির উদ্দেশ্যে তাদেরকে এই মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। গত ১১ মার্চ বার্মিংহামের বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারে অনুষ্টিত প্রতিবাদ সভায় তারা এই দাবি করেন ।

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার