আজকে

  • ৫ই ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২০শে আগস্ট, ২০১৮ ইং
  • ৮ই জিলহজ্জ, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

বিধ্বস্ত ফ্লাইটের ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার, তদন্ত শুরু

Published: মঙ্গলবার, মার্চ ১৩, ২০১৮ ৮:২৩ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: মঙ্গলবার, মার্চ ১৩, ২০১৮ ৮:২৩ পূর্বাহ্ণ
 

জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্ল্যাকবক্সটি উদ্ধার করা হয়েছে। নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলার বিএস২১১ ফ্লাইটের সংগৃহীত ডাটা রেকর্ডার নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরের জেনারেল ম্যানেজার রাজ কুমার ছেত্রী। রাজ কুমার ছেত্রীর বরাত দিয়ে নেপালের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। রাজ কুমার ছেত্রী জানিয়েছেন, ইউএস-বাংলার ফ্লাইটটির ধ্বংসাবশেষ থেকে ডাটা রেকর্ডার উদ্ধার করা হয়। এটি তাদের কাছে নিরাপদে রাখা হয়েছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্লেন বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ হিসেবে সেখানকার বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) ভুলকেই সন্দেহ করা হচ্ছে। ডাটা রেকর্ডার নিয়ে তদন্তের পর এ নিয়ে পরিস্কার তথ্য পাওয়া যাবে। এদিকে প্লেন বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ জানতে সোমবার রাতেই ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নেপাল সরকার।

নেপালি কর্তৃপক্ষ বলছে, ফ্লাইট ২১১কে রানওয়ের দক্ষিণ দিক থেকে অবতরণ করতে বলা হলেও পাইলট উত্তর দিক থেকে অবতরণ করে। তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স নেপালি কর্তৃপক্ষের দাবি অস্বীকার করে বলেছে, কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে পাইলটকে ভুল নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। তবে এই জটলতা খুব তাড়াতাড়িই খুলে যাবে। কেননা বিমানের ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করা গেছে। আর এর মাধ্যমেই জানা যাবে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আসল কারণ।

বিমানের ব্ল্যাক বক্স আসলে এমন একটি যন্ত্র যাতে ককপিটের যাবতীয় কথাবার্তা এবং বিমানের কারিগরি তথ্য রেকর্ড করা হয়। ব্ল্যাক বক্সের তথ্য যাচাই করেই দুর্ঘটনার কারণও জানা যায়। ব্ল্যাক বক্স নামে ডাকা হলেও এর আসল নাম হলো ফ্লাইট রেকর্ডার। যেটি বিমান চলাচলের সর্বশেষ সব তথ্য রেকর্ড করে রাখে। এভিয়েশন বা বিমান নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা কিন্তু এটিকে ব্ল্যাক বক্স নামে ডাকেন না, তারা বলেন ফ্লাইট রেকর্ডার।

ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (সিভিআর) নামের আরেকটি অংশে ককপিটের ভেতর পাইলদের নিজেদের মধ্যের কথাবার্তা, পাইলটদের সঙ্গে বিমানের অন্য ক্রুদের কথা, ককপিট এর সঙ্গে এয়ার কন্ট্রোল ট্রাফিক বা বিভিন্ন বিমান বন্দরের সঙ্গে রেডিও যোগাযোগের কথা রেকর্ড হতে থাকে। ফলে কোন বিমান দুর্ঘটনায় পড়লে এই ব্ল্যাক বক্সটি খুঁজে বের করাই হয়ে পড়ে উদ্ধারকারীদের প্রধান লক্ষ্য। কারণ এটি পাওয়া গেলে সহজেই ওই দুর্ঘটনার কারণ বের করা সম্ভব হয়। বাক্সটির বক্স উজ্জ্বল কমলা হওয়ায় সেটি খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। সমুদ্রের তলদেশেও ৩০দিন পর্যন্ত ব্লাক বক্স অক্ষত থাকতে পারে।

কালের কন্ঠ

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার