আজকে

  • ৯ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২৩শে জুন, ২০১৮ ইং
  • ৭ই শাওয়াল, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালন

Published: বৃহস্পতিবার, মার্চ ৮, ২০১৮ ১২:৫৭ অপরাহ্ণ    |     Modified: বৃহস্পতিবার, মার্চ ৮, ২০১৮ ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সুইডেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এ বুধবার উৎসাহ, উদ্দীপনা এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত হয়েছে। পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত ও সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। বঙ্গবন্ধুর কালোত্তীর্ণ ভাষণটি প্রদর্শিত হয় যা উপস্থিত সুধীবৃন্দের মধ্যে গভীর আবেগের সঞ্চার করে।

আলোচনা পর্বে বক্তারা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন এবং পরবর্তী ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনে এ ভাষণের গভীর তাৎপর্য ও অব্যর্থ অনুপ্রেরণার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।

রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম তার বক্তব্যের শুরুতেই বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি উল্লেখ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু অসীম সাহসিকতায় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ যে যুগান্তকারী ভাষণ দিয়েছিলেন তা ছিল মূলত বাঙ্গালি জাতির মুক্তির সনদ এবং স্বাধীনতার সুস্পষ্ট ও প্রকৃত ঘোষণা। ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’- বঙ্গবন্ধুর এই প্রত্যয়ী উচ্চারণ কিভাবে মুক্তিকামী বাংলার নিরস্ত্র গণমানুষকে সুসজ্জিত পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যে তা স্থান পায়।

তিনি উল্লেখ করেন ইউনেস্কো-এর স্বীকৃতি বিশ্ববাসীকে বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও পাক হানাদার বাহিনীর নারকীয় গণহত্যা সস্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে উৎসাহিত করবে।  রাষ্ট্রদূত ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের এই স্বীকৃতি অর্জন এবং সার্বিকভাবে বিশ্বসভায় বাংলাদেশের মর্যাদাকে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধ করায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান, কৃতজ্ঞতা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দূতাবাসের কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান শেখ মো. শাহরিয়ার মোশাররফ ও দ্বিতীয় সচিব সায়মা রাজ্জাকী যথাক্রমে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক-এর ‘আমার পরিচয়’ও কবি নির্মলেন্দু গুনের ‘স্বাধীনতা- এ শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো’আবৃত্তি করেন।

ইত্তেফাক

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার