আজকে

  • ৩রা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
  • ৭ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

‘অনৈতিক ক্ষমতার যাঁতাকলে মানুষ, প্রবাসীরা উদ্বিগ্ন’

Published: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৮ ১:১৭ অপরাহ্ণ    |     Modified: বৃহস্পতিবার, মার্চ ১, ২০১৮ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
 

প্রবাস ডেস্ক:

সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং এর থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) যুক্তরাষ্ট্র শাখার উদ্যোগে রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের টক অব দি টাঊনে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির কেন্দীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি ও বাপস্নিউজ এডিটর হাকিকুল ইসলাম খোকন, আইঅন বাংলাদশ টিভি পরিচালক রিমন ইসলাম, আওয়ামী লীগনেতা জাহাঙ্গীর কবির ও লক্ষীপুর জেলা সমিতির সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া।

এ সময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) যুক্তরাষ্ট্র শাখার সহ-সভাপতি সুভাষ মজুমদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক রফিক উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক তছলিম উদ্দিন খান।

জেএসডি কেন্দীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল বলেন, দেশ গভীর সংকটকাল অতিক্রম করছে। বারাবারি, কাটাকাটি, হানাহানি। দুই বড় দলই কেবল ক্ষমতার জন্য দেশ ও দেশের মানুষকে জিম্মিকরে রাজনীতি করছে। স্বাধীনতাত্তোর স্বাধীন দেশের উপযোগী রাষ্ট্র কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ, স্বাধীন দেশের অনুকূলীয় প্রশাসন গড়ে তুলতে ব্যর্থ, বৃটিশ ও পাকিস্তানী রাষ্ট্র কাঠামোয় দেশ পরিচালিত হওয়ার কারণে গত ৪৬ বছরে আমরা এ দূরাবস্থায় পৌছেছি।

তিনি বলেন, আমরা ৪৬ বছরে শুধু সুশাসন, সুবিচারের দাবিই জানিয়ে গেলাম, প্রতিষ্ঠা করতে পারলাম না। আমরা বাহ্যিক স্বাধীনতা পেলেও এখনও অভ্যন্তরীন পরাধীনতার মধ্যেই বসবাস করছি। স্বাধীন দেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা আজও অনুপস্থিত। মুক্তিযুদ্ধের সরিষার ভূত ছিল বলেই সম্ভবত স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই আমরা অভ্যন্তরীনভাবে পরাধীনই থেকে গেলাম।

সব দলের দিকে তাকালেই দেখা যায় কোথাও গণতন্ত্র নেই। দলে গণতন্ত্র থাকলে দেশ পরিচালনাতেও গণতন্ত্র কাজ করে। এছাড়া সংবিধান ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অনুকূল নয়। সরকার প্রধানকে এতটাই একচেটে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, তা স্বৈরাচারে পরিণত হতে উৎসাহিত করে। গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তন হওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে। একটি কেন্দ্র থেকে ১৬ কোটির মতো মানুষকে সুশাসন দেয়া ও সেবা করা সম্ভব নয়। তাই ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে।

বিএনপি, আওয়ামীলীগ ও জামায়াত শিবিরকে বাংলাদেশের জন্য রাহু উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, এই রাহু থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়। তাই এই মুহুর্তে তৃতীয় শক্তির উথ্থান জরুরী। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, বিচার ব্যবস্থা এবং স্বাধীনভাবে ভোটদানের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরী হয়ে পড়েছে। আগামী নির্বাচনের জন্য সকল দলের মধ্যে আলোচনা, সংলাপ ও সমঝোতা অত্যাবশ্যক।

সভার শুরুতে ৭১ এর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, ৫২’র মহান ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের স্মরনে দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

যুগান্তর

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার