আজকে

  • ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
  • ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং
  • ২রা জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

হবিগঞ্জে বোনকে বিয়ে ও প্রেমের প্রস্তাব দেয়ায় স্কুলছাত্রের পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যা!

Published: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮ ৩:১২ অপরাহ্ণ    |     Modified: বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮ ৮:৫০ পূর্বাহ্ণ
 

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের বাহুবলে ‘বোনকে বিয়ে’ ও ‘বোনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করার কথা বলা’র জের ধরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রকে প্রথমে পুরুষাঙ্গ কেটে ও পরে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার দায় স্বীকার করেছে শামীম মিয়া (১৮) নামের এক যুবক। ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে ওই যুবক। ঘাতক শামীম উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের খুজারগাও গ্রামের আমির আলীর ছেলে।

সোমবার রাত ৮টায় হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

ঘাতক শামীমের দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ি উপজেলার খুঁজেরগাও গ্রামের জৈন উল্লাহর ছেলে জুয়েল মিয়া (১১) ও একই গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে শাহজাহান মিয়া (১২) নামের আরো দুই সহপাঠিকে সোমবার দিবাগত রাতে তাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে এক প্রেস বিফিংয়ে হবিগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নাজিম উদ্দিন (মিডিয়া) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বোনকে বিয়ে করার কথা বলা ও বোনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক করার কথা বলার জের ধরে উপজেলার খোঁজারগাও গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে ও স্থানীয় বিহারীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র হাবিব মিয়াকে (১২) হত্যা করে আটককৃতরা। শনিবার বিকালে উপজেলার বানিয়াগাও মাদ্রসায় তাফসির মাহফিল শুনতে যায় স্কুলছাত্র হাবিব। কৌশলে হাবিবকে তাফসির মাহফিল থেকে বানিয়াগাও এলাকার ধানী জমির মধ্যে মাঠে নিয়ে আসে আটককৃতরা। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হাবিবকে উলঙ্গ করে পুরুষাঙ্গ কাটে শামীম। পরে তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে তিনজন। পরে তারা সেখান থেকে বাড়িতে চলে আসে।

তিনি আরো জানান, রাতে শামীম নিজে গিয়ে তার সহযোগি জুয়েল ও শাহজাহানের বাড়িতে তাদের পৌঁছে দিয়ে আসে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বানিয়াগাও হাওরের ধানী জমির মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

শামীম প্রায় এক মাস ধরে হাবিবকে হত্যার পরিকল্পনা করে আসছিল বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

ঘটনার পরপরই ঘাতক শামীমসহ পুলিশ ৫ শিশুকে আটক করে। তাদের দেয়া তথ্যের সূত্র ধরে তদন্তে অগ্রসর হয় পুলিশ। পরে শামীমকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

বাহুবল মডেল থানায় অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী, ওসি (তদন্ত) দস্তগীর আহমদ।

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার