আজকে

  • ১০ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২৪শে জুন, ২০১৮ ইং
  • ৮ই শাওয়াল, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

‘ফেকঅ্যাপ’ দিয়ে তৈরি হচ্ছে ভুয়া পর্নো

Published: সোমবার, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৮ ৮:০১ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: সোমবার, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৮ ৮:০১ পূর্বাহ্ণ
 

সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে অনলাইনে এক ধরণের পর্নো ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়াতে শুরু করেছে। সেখানে কোন একজন অভিনেত্রীর মাথা আরেক নারীর দেহে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। একে বলা হচ্ছে ‘ডিপ ফেক।’

অবস্থা এমন হয়েছে যে জিফিক্যাট নামের একটি ইমেজ হোস্টিং সাইট এসব ভিডিও মুছে দেবার কাজে নেমেছে। সানফ্রান্সিসকো ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি বলছে তারা এরকম অনেক ‘আপত্তিকর’ ভিডিও ইন্টারনেট থেকে মুছে দিয়েছে। খবর- বিবিসির।

নাটালি পোর্টম্যান, নাটালি ডোরমার, এমা ওয়াটসন -এরকম একাধিক অভিনেত্রী বা গায়িকা আরিয়ানা গ্রান্ডে-র মুখ আরেকজনের ঘাড়ে বসিয়ে দিয়ে তৈরি করা পর্ন ভিডিও ইন্টারনেটে এসে গেছে। কেউ বা ব্যবহার করছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেহারা।

এমনকি সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকা ট্রাম্প, প্রিন্স উইলিয়ামের স্ত্রী কেট মিডলটনের চেহারা জুড়ে দিয়েও এরকম ভিডিও বানানো হয়েছে।

এ ধরণের ভুয়া ভিডিও তৈরির এক নতুন প্রযুক্তি এখন সহজপ্রাপ্য হয়ে যাবার ফলে এখন লোকে তাদের যৌন কল্পনাকে ‘বাস্তবে’ পরিণত করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিতে পারছে।

এতে অনেক সময় ব্যবহার করা হচ্ছে ‘ফেকঅ্যাপ’ নামের একটি সফটওয়্যার।

একজনের শরীরে আরেক জনের মাথা বসানোর এই ভিডিও সফটওয়্যারের ডিজাইনার বলেছেন, তার তৈরি সফটওয়্যারটি একমাসেরও কম সময় আগে ছাড়া হয়েছে। এবং এর মধ্যেই তা ডাউনলোড হয়েছে এক লক্ষেরও বেশি।

এ রকম ছবি বা ভিডিও আগেও বানানো যেতো, কিন্তু তা করতে হলে আপনার দরকার হতো হলিউডের একজন সিনেমা সম্পাদকের দক্ষতা এবং বিপুল পরিমাণ টাকা। কিন্তু এখন এই প্রযুক্তি ব্যবহার অনেক সহজ হয়ে গেছে।

আপনার দরকার হবে একজনের কয়েকশ’ ছবি, আর একটি পর্নোগ্রাফিক ভিডিও। আপনার কম্পিউটারই বাকি কাজটা করে দেবে। তবে সময় লাগবে, একটা ছোট ভিডিও ক্লিপ বানাতে সময় লাগে ৪০ ঘন্টা বা তারও বেশি।

দেখা গেছে বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে এসব ডিপ ফেক বা ভুয়া পর্নো ভিডিওর জন্য সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট সার্চ দেওয়া খুব বেড়ে গেছে।

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার