আজকে

  • ১১ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২৫শে জুন, ২০১৮ ইং
  • ৯ই শাওয়াল, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

শামীম ওসমান আর আইভি রহমানের মারামারি বন্ধ হয়নি গত ৭ বছর!কেউ কথা রাখেনি

Published: শুক্রবার, জানুয়ারি ২৬, ২০১৮ ৫:০৭ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: শুক্রবার, জানুয়ারি ২৬, ২০১৮ ৫:০৮ পূর্বাহ্ণ
 

রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী

নারায়নগঞ্জের শামীম ওসমান আর আইভি রহমানের চর দখলকে (শহর নয়) কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলা যখন ঘটছিল আমি তখন লন্ডনের চ্যানেল আই ষ্টুডিওতে গভীর কাজে মগ্ন। আমি জানতামনা ঘটনা। রাতে আমার এক বন্ধু ফোন করে বললেন শুনেছেন কি ঘটেছে নারায়নগঞ্জে? বললাম না, কি হয়েছে? বললেন হকারদের পূর্ণবাসনকে কেন্দ্র করে—-। বললেন শামীম ওসমান সাহেবের লোকেরা আইভির উপর হামলা করেছে। আমার মনটা খারাপ হয়। আমার মন খারাপ হলে আমি বাসার পাশে টেমস নদীর সামনে গিয়ে দাড়াঁই। পূর্ব লন্ডনের  লাইম হাউস ব্রীজের উপর দাড়িয়ে নদীর কোলাহল দেখছি আর ভাবছি শীতলক্ষা নদীর পাড়ের মানুষগুলো কবে মুক্ত হবে এই শামীম ওসমান, আইভি, কবরী সরওয়ারদের হাত থেকে? গভীর রাত টেমস নদীকে কেমন জানি আমার ভয় হচ্ছিল, শামীম ওসমান সাহেবের কথা মনে হলে আমার সাত খুনের কথা মনে পড়ে! রাব্বীর কথা মনে পড়ে, শামীম ওসমান সাহেবের কথা মনে হলে আমার মনে পড়ে তার বক্তব্য “গাল ফুলা কামাল“, এবার খেলা হবে“, আয় তোদের সব কিছু নিয়ে, কেমন করে মাথা ঝুলিয়ে শামীম ওসমান ইন্ডিয়ান ফিল্মের কদর খানের মত এক্টিং করে বক্তৃতা করেন, কিভাবে টেলিফোনে তিনি বলেন তুই এগিয়ে যা, কিছুই হবেনা, আমি দেখছি, যে খুন করেছে সে বলে ভাই আপনি আমার বড় ভাই হন, আপনি আমার বাপ হন। শীতলক্ষা নদীতে কত লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে নারায়নগঞ্জের গড ফাদাররা তার কি হিসেব কেউ রেখেছে? শীতলক্ষা আর টেমস দুটিই নদী, আমি ছোট বেলায় একবার গিয়েছিলাম নারায়নগঞ্জে, সর্বশেষ গেলাম ২০১৭ তে, একা একা দেখেছি অনেক কিছু। ২০১৩ অথবা ২০১৪ সালে নারায়নগঞ্জের তৈমুর আলম খন্দকার সাহেব লন্ডনে এসেছিলেন আমার টক শো ষ্ট্রেইট ডায়লগে, তখন তিনি বলেছিলেন নারায়নগঞ্জে আইভি অনেক কিছুই করতে পারছেননা, উন্নয়ন হচ্ছেনা, আভ্যন্তরীন কারনে, ইত্যাদি। স্বচক্ষে দেখার জন্য গত বছর যাওয়া।  ছোট বেলায় যখন প্রথম শীতলক্ষা নদীকে আমি খুবই কাছ থেকে দেখেছিলাম, নদী বন্দর। নদীর পাশে প্রজাপাতিরা উড়ছে, উড়ছিল ফরিং, সে সময় হয়তো শামীম ওসমান সাহেব সৃষ্টি হননি, গুন্ডামী, সন্ত্রাস হয়তো ছিলনা, ছিলনা আধিপত্যের কোনো মারামারি! সময় বদলেছে, শামীম ওসমান—– হয়েছেন, আইভি রহমান হয়েছেন গডফাদারদের চোখের বেদনা।

সে যাক,  টেমস কত শান্ত সৌম্য, টেমস পাড়ের মানুষগুলো শামীম ওসমানের মত হতে পারেনা। এ যুগে টেমসে কখনো ৭ খুনের লাশ বন্তায় ভরে কি কেউ ফেলে দিয়েছিল ? আমি শুনিনি, একবার শুনেছিলাম, টেমসের পাশের ছোট একটি খাল শুকিয়ে যাওয়ার পর কাঁদার মধ্যে বেশ কিছু গাড়ী পাওয়া গিয়েছিল, পুলিশ ধারনা করেছিল পুরোনো গাড়ীর মালিকরা গাড়ী খালের পানির মধ্যে ফেলে দিয়ে  ইনুসরেন্স কোম্পানীর  কাছ থেকে মিথ্যা ক্লেইম করে টাকা নিয়েছে! মানুষ আসলেও মানুষকেই ঠকায়। কেন ঠকায়? আমি জানিনা।  শামীম ওসমান কেন আইভী রহমানের সাথে মারামারি করেন? একজন শামীম ওসমান কি পারেননা ভালো নেতা হতে? একজন শামীম ওসমান কি পারেননা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ করে দিতে? বাংলাদেশ অদ্ভুদ এক দেশ. যে দেশে নেতা হতে হলে গুন্ডা হতে হয়? যে দেশের ছাত্র রাজনীতি করতে হলে গুন্ডা পুষতে হয়? অথচ এসবের কোনোই দরকার ছিলনা। বঙ্গবন্ধন্ধু , মওলানা ভাসানী, তাজ উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান সাহেব এমনকি শামীম ওসমান সাহেবের বাবা যখন রাজনীতি করেছেন তখন কি তারা মন্তান পুষেছেন? ৮০ দশকের বাংলাদেশ আর ২০১৮ সালের বাংলাদেশের মধ্যে এত পার্থক্য কেন? কেনই বা রাজনীতিতে এত পার্থক্য? কেন একজন আরেকজনকে মেরে ফেলতে চায়? কেন শামীম ওসমান একজন পুরুষ হয়ে মহিলাদের সাথে মারামারি করেন? আজ আইভি গতকাল কবরী, এটা কেন? শুনেছি পুরুষরা নাকি মহিলাদেরকে সম্মান করে কথা বলে, অথচ নারায়নগঞ্জে? আমি গভীর চিন্তায় পড়ে যাই,  আমার এসব চিন্তার মধ্যে গভীর রাতে মোবাইল ফোন বেজে উঠে। ওপার থেকে মহিলা কন্ট ভেসে উঠে। কবিতা শুনবেন? ইদানিং আমার কবিতা শুনতে হয়, ভালোই লাগে,  কেউ কথা রাখেনি, সুনিল গঙ্গোপধ্যায়ের কবিতা, আমি শুনি, “পঁচিশ বছর প্রতিক্ষায় আছি, মামা বাড়ীর মাঝি নাদের আলী বলেছিল বড় হও দাদা ঠাকুর , তোমাকে আমি বিল দেখাতে নিয়ে যাবো, সেখানে পদ্ম ফুলের মাথায় সাপ আর ভ্রমর খেলা করে, নাদের আলী আমি আর কত বড় হবো? আমার মাথা এ ঘরের ছাদ, ফুঁড়ে আকাশ স্পর্শ করলে তারপর তুমি আমায় তিন প্রহরের বিল দেখাবে?—–।

সে যাক লন্ডনে আমার এক বন্ধু দীর্ঘদিন ধরে এক লোককে থাপ্পর মারার চেষ্টা করছেন কিন্তু পারছেননা। মনে হয় থাপ্পর মারলে সে যদি পুলিশকে বলে তাহলে শারীরীক আঘাতের জন্য সর্ব্বোচ্চ  ৬ মাসের জেল  হতে পারে, অথচ খুনের পর খুন হয় বাংলাদেশে কিন্তু বিচার হয় না! কয়েকদিন পর পরই শীতলক্ষা অশান্ত হয়ে উঠে। রাষ্ট্রতাদের পিছনে দৌড়ায়। রাষ্ট্রপক্ষে বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যায়, শুনেছি সেতু মন্ত্রী শামীম ওসমানের পক্ষে, আর মোশারফ সাহেব আইভির পক্ষে। একটি অনলাইন পত্রিকা শামীম ওসমানের বাবার কাহিনী ছাপিয়েছে, লিখেছে খন্দকার মোশতাক ফোন করেছিলেন শামীম ওসমান সাহেবের বাবাকে মন্ত্রী হওয়ার জন্য, শামীম ওসমান সাহেবের মা নাকি নিষেধ করেছেন, বলে দিয়েছেন তার স্বামাী মন্ত্রী হলে তিনিই প্রথম প্রতিবাদ করবেন। বঙ্গবন্ধুর রক্তের সাথে ওসমান পরিবার কখনো বেইমানী করতে পারেনা। তাহলে কি ধরে নিতে হবে বঙ্গবন্ধুর রক্তের সাথে বেঈমানী করেননি বলে এখন গোটা শীতলক্ষা পাড়ের মানুষের সাথে বেঈমানী করবেন? এসব আষাঢ়ে গল্প পত্রিকাগুলো ছাপে কি করে? লন্ডনে জন-মেজরের সরকারের সময় এক লর্ডকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল পতিতালয় থেকে, লর্ড গ্রেফতার হওয়ার পর ফোন করেছিলেন জন মেজকে, বলেছিলেন বন্ধু আমাকে সাহায্য করো? বন্ধু জন মেজর বলেছিলেন অপরাধ কি বন্ধু? বন্ধুর খাছিলত খারাপ যত্রতত্র মেয়ে মানুষের সাথে ফস্টি নস্টি করে বেড়ান। বন্ধু জন মেজর বলেছিলেন বন্ধু পাপ যখন করেছ তখন প্রায়শ্চিত্ত করে আসো। বছর খানেক জেল খেটেছিলেন লর্ড, তারপর আর রাজনীতিতে তিনি আসেননি। লর্ড লেখালেখি করেন অনেকগুলো বই লিখেছেন। কিন্তু রাজনীতি সেখানেই ইতি টেনেছিলেন সেই লর্ড  বন্ধু। টনি ব্লেয়ারের সময় পিঠার মেন্ডেলসেন ও অপরাধ করেছিলেন হিন্ধুজা পাসপোর্ট কেলেংকারীতে জড়িয়ে পড়েছিলেন মেন্ডেলসেন, টনি ব্লেয়ার ঘনিষ্ট বন্ধু হওয়া সত্বেও মেন্ডেলসেনকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। এটাই নিয়ম, রাজনীতি নিয়ম মাফিক চলে, কিন্তু বাংলাদেশের এ কি রাজনীতি? তিনি গড ফাদার, তিনি নেত্রীর আর্শীবাদপুষ্ট তাকে কিছু বলা যাবেনা। নারায়নগঞ্জের ঘটনার পর পরই সেতু মন্ত্রী উবায়দুল কাদের সাহেব শামীম ওসমান সাহেবকে বলেছেন “কি শামীম আমাকে বিক্রি করো কেন“? শামীম ওসমান বলেছেন তিনি কাদের সাহেবের নির্দেশ পাওয়ার পরই ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। আজব এক দেশ আল্লাহ তালাহ বানিয়েছেন। আইন নেই কানুন নেই, দুজন জনপ্রতিনিধি যেখানে মানুষের কল্যানে কাজ করবে সেখানে তারা দিনের পর দিন ফাজলামী করে। অথচ রাষ্ট্র নির্বীকার!!

 প্রিয় পাঠক আমার কিছু প্রশ্ন ছিল, ভাবছি কার কাছে করবো এ সব প্রশ্নের কে দিবে সঠিক  উত্তর ? তারপর ও করি?

  1. লেগুনার পিছনে লেখা সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাননীয় সাংসদ শামীম ওসমান!! এটা কে লিখেছে কেন লিখেছে????? সার্বিক তত্ত্ববধানে তো সিটি কর্পোরেশন হবে শামীম ওসমান হন কি করে?
  2. শহরের প্রবেশ পথের মুখে নারায়নগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও রাইফেলস ক্লাবের সম্মুখে অবৈধ অটো ও সিএনজি ষ্টেন্ড কার ইঙ্গিতে গড়ে উঠেছে??? এ অবৈধ ষ্টেন্ড কি আইভি করেছেন? না শামীম ওসমান করেছেন? শহরের রিকসার লাইসেন্স কে দেয়? সিটি কর্পোরেশন না শামীম ওসমান???
  3. ঢাকা নারায়নগঞ্জ মাত্র ১৩ কিলোমিটার দুরত্ব, বাস ভাড়া মাত্র ৫৫ টাকা, সেখানে বিআরটিসি সার্ভিসকে লস দেখিয়ে কারা বন্ধ করেছে?
  4. ওয়ান ইলেভেনের সময় নারায়ানগঞ্জের সকল হকারকে হকার মাকেটে পূর্ণবাসন করা হয়, বঙ্গবন্ধু সড়কের সকল হকারকে নয়ামাটি সড়কে পূণবাসন করা হয়। ঢাকা থেকে বিতাড়িত হকারদেরকে বঙ্গবন্ধু সড়ক বাদে অন্য সড়কে বসতে বলা হলেও কেন হকারদের নিয়ে এই নোংরা রাজনীতিতে মেতে উঠলেন শামীম ওসমান?
  5. ১৬ জানুয়ারী ২০১৮ মেয়র আইভির উপর হামলার তথ্য গোয়েন্দা সংস্থা জানতো কি-না? যদি জেনে থাকে তাহলে পুলিশ বাহিনী কেন যথাযত ব্যবস্থা নেয়নি?  নাসিক মেয়রের উন্নয়ন কাজে কেন বার বার শামীম ওসমান প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন?
  6. সর্বশেষ প্রশ্নের জন্য আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্চি সবার কাছে আমাকে ক্ষমা করবেন।  বর্তমান নারায়নগঞ্জের ডিসি  পুরুষ না মহিলা? ভদ্রলোক কার কথায় উঠ বস করেন? মাননীয় ডিসি সাহেব আপনাকে তো রাষ্ট্রপড়ালেখা করিয়ে ডিসি পর্যন্ত পৌছে দিয়েছে! আপনার কি কোনো ব্যাক্তিত্ব নেই??

বিঃদ্রঃ

মেয়র আইভি সুস্থ হয়ে বাড়ী যাওয়ার আগে যে বক্তব্য রেখেছেন সেখানে অনেকটা অহংকার ফুঠে  উঠেছে। আইভী বলেছেন তার কথায় নারায়নগঞ্জ চলবে। না কথা এভাবে বললে হবেনা আইভি রহমান। আপনাকেও অনেকটা সহনশীল হতে হবে। সবাইকে সাথে নিয়েই নারায়নগঞ্জকে গড়ে তুলতে হবে, তবে যারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে তাদেরকে কমিটি থেকে বাদ দিতে হবে, সেখানে শামীম ওসমান হোন আর আমাদের কবরী সরওয়ার হোন, আর তৈমুর আলম খন্দকার হোন।

তৈমুর আলম খন্দকার সাহেব আমার টক শো শেষ হওয়ার পর অব দ্যা রেকোর্ডে বলেছিলেন আপনি নারায়নগঞ্জে আসুন, আসলে দেখতে পারবেন অবস্থা। আমি যদি কখনো মেয়র হতে পারি তাহলে দেখবেন নারায়নগঞ্জ অনেক বড় হবে। আপনিও নারায়নগঞ্জকে দেখে গর্বিত হবেন। সম্মানীত হবেন। আজ লন্ডনে বসে বুঝতে পারছি নারায়নগঞ্জ কত বড় হয়েছে। সুনিল গঙ্গপধ্যায়ের সেই কবিতার মতই, “মামা বাড়ীর মাঝি নাদের আলী বলেছিল বড় হও দাদা ঠাকুর তোমাকে আমি তিন প্রহরের বিল দেখাতে নিয়ে যাবো, সেখানে পদœফুলের মাথায় সাপ আর ভ্রমর খেলা করে—। নাদের আলী আমি আর কত বড় হবো—-।

আমার আজ বলতে ইচ্ছে করছে তৈমুর আলম খন্দকার সাহেবকে আমি আর কতদিন অপেক্ষা করবো নারায়নগঞ্জকে শান্ত সৌম্য একটি শহর দেখতে, যেখানে সাপ আর ভ্রমর খেলা করবেনা, যেখানে ৭ খুনের লাশ বস্তায় ভরে শীতলক্ষায় ফেলে দেয়া হবেনা। কবে বন্ধ হবে শামীম ওসমান আর আইভির এই সর্বনাশা খেলা, আমি আর কত বড় হবো জনাব তৈমুর আলম খন্দকার  আর কতদিন—। আমি আর চিন্তা করতে পারিনা। টেমসের পাড়ে লাইম হাউস ব্রীজ থেকে নেমে বাসার দিকে রওয়ানা হই——দেখি শিয়াল হাটছে। লন্ডনে শিয়ালের ডাক শুনিনা। বাংলাদেশে সন্ধ্যা হলেই শিয়ালের ডাক শুনতে পেতাম। এক শিয়াল ডাক দিলেই সব শিয়াল সব প্রান্ত থেকেই ডাক শুরু করে দেয়। বাচ্চাদেরও তখন পড়া লেখা করতে কষ্ট হতো,  বিকট এই ডাক শুনলে আমার মাথা খারাপ হওয়ার উপক্রম হতো। আমি ভাবি লন্ডনের মানুষ যেমন, পশুরা ও তেমন অথচ বাংলাদেশে মানুষ যেমন চেচামেচি করে গরু ছাগল শিয়াল কুকুর রা ও তেমনি চেচামেচি করে। এসব কবে বন্ধ হবে???

লেখক:ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চ্যানেল আই ইউরোপ

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি,বাংলা স্টেইটমেন্ট ডট কম

তারিখ ২৪/১/২০১৮ লন্ডন 

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার