আজকে

  • ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
  • ১২ই মুহাররম, ১৪৪০ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

কেমন যাবে ২০১৮সাল?

Published: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৮, ২০১৮ ২:৩৫ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৮, ২০১৮ ২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
 

দেওয়ান ফয়সলঃ

বিভিন্ন ধরণের চড়াই উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে আমরা কাটালাম ২০১৭ সাল। প্রত্যেকের জীবন থেকেই খসে পড়লো একটি বছর। আমরা সব সময়ই আশা নিয়ে থাকি, এ বছর যেভাবেই হোক তো গেল, আগামী বছরটা ভালোয় ভালোয় গেলেই হলো। ভালো আর কতজনের জীবনে আসে? ক্যালেন্ডারের পাতা ঠিকই উল্টে গিয়ে মাসের পর মাস তারপর বছরও চলে যায় কিন্তু আমাদের চাওয়া পাওয়ার আর শেষ হযনা। আর এভাবেই পৌছে যাই আমরা জীবনের শেষ প্রান্তে। আশায় আশায় বিদায় নিতে হয় এই পৃথিবী থেকে।
চলে গেলো ২০১৭ সাল। আর নতুন বছর ২০১৮ সালকে স্বাগত জানাতে সারা বিশের মানুষ¦ কিই না আনন্দ উৎসবে চিরাচরিত নিয়মে মেতে উঠেছিল সেই থার্টিফার্ষ্ট নাইটে। লাখ লাখ টাকার আতশবাজি আর বিভিন্ন রঙ্গে রাঙ্গিয়ে তুলেছিলো বিশ্বের বিভিন্ন শহরগুলোকে। দেখতে খুবই সুন্দর লেগেছে। একদিকে ব্যবসায়ীরা আতশবাজী বিক্রি করে লাখ লাখ পাউন্ড আয় করেছে আর অন্যদিকে সাধারণ লোকজন আনন্দ উপভোগ করেছে। যাই হোক সারা বছরে আর কিছু না পাক অন্তত: আনন্দটা তো উপভোগ করেছে, এটাও তো মনের একটা শান্তি। আসলে নতুন বছরের শুরুতে মানুষ কিভাবে যে আনন্দ উপভোগ করবে তা যেন খুঁজে পায়না। ওয়েলসও এর থেকে পেছনে নয়। ওয়েলস এর বেরি আইল্যান্ড গ্রীষ্মের সময় সাঁতার কাটার এক অপূর্ব জায়গা। এই বেরী আইল্যান্ডে নববর্ষকে স্বাগত জানাতে হাজার হাজার লোক সমবেত হয়। এ বছর ব্রেইন টিউমার ক্যাম্পেইনের পক্ষ থেকে এক সাঁতার এর আয়োজন করে। তাদের হিসেব অনুযায়ী প্রায় ৫০০‘রও বেশী লোক ব্রেইন টিউমার ক্যাম্পেইন এর অংশ হিসেবে চ্যারিটির জন্য টাকা তুলতে গিয়ে ১০ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যে সাগরের জলে সাঁতার কাটে। বেরি আইল্যান্ডের অর্গেনাইজাররা বলছেন কয়েক বছরের মধ্যে এটি হচ্ছে একটি বৃহত্তম জনসমাবেশ। সকলেই বিভিন্ন ধরণের রঙ-বেরঙের কাপড় পরে পানিতে সাঁতার কাটে আর কেউবা সাগরের পানিতে নেমে তাদের সাথে আনন্দে শরীক হয়। সাঁতার শুরুর প্রথম দিকে কিছু কিছু বৃষ্টি হলেও পরে তা থেমে যায় যার ফলে ফ্যানদের আনন্দ আরও বেড়ে যায়। এভাবেই আতশবাজি আর সাঁতারের মধ্য দিয়ে নববর্ষকে স্বাগত জানালো ওয়েলসবাসী।
শৃুধু ওয়েলসই নয়, ইংল্যান্ডেরও বিভিন্ন শহরেও মহা ধুমধামের সাথে নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে। লন্ডন টেমস নদীর পাড়ে বিশাল আয়োজনে আতশবাজী ফোটানো সহ নবর্ষকে স্বাগত জানিয়ে নাচ আর গানবাজনার আয়োজন করা হয়। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে লন্ডন শহর। উপভোগ করেছে সবাই। এছাড়াও এবছর হবে রাজ পরিবারের প্রিন্স হ্যারি আর মিগান মারকেলের বিয়ে আগামী ১৯শে মে শনিবার। বিয়েটি অনুষ্ঠিত হবে উইন্ডসর ক্যাসেলের সেন্ট জর্জ চ্যাপেলে। এই বিয়েতে খরচ হবে হাফ- এ মিলিয়ন পাউন্ড। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরপরই ফিরে আসবেন তারা দুজন লন্ডননের কেনসিংটন প্যালেসের নটিংহাম কটেজে এবং এখানেই তারা কাটাবেন বাসর রাত । এই বিয়ের অনুষ্ঠান দেখার জন্য বিলেতের লাখ লাখ মানুষ যাদের উইন্ডসর প্যালেসে যাওয়ার সুযোগ হবেনা তারা টিভিতে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করবে। এটাও বৃটেনবাসীদের জন্য নববর্ষের এক উপহার বলা যায়।
এতো গেলো নববর্ষ উদযাপনের কথা। নতুন এই বছরে কি ঘটতে চলেছে তা আমরা কেউ জানিনা। তবে এই বছর অর্থাৎ ২০১৮ সাল নিয়ে প্রায় ৪০০ বছর আগে বেশ কিছু ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছেন ফরাসী ভবিষ্যৎ বক্তা নস্ত্রাদামুস। ২০১৮ সাল সম্পর্কে ৬টি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন নস্ত্রাদামুস। বিডিমর্র্নিং ডেস্ক এ খবরটি প্রকাশিত হয়েছে ৩১ শে ডিসেম্বর।
১ . ২০১৮ সালে বিশ্বের অর্থব্যবস্তা ভেঙ্গে পড়বে।
২. চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির জন্য মানুষের আয়ূ ২০০ বছরও হতে পারে।
৩. ’লেস প্রফেইতেস’ নামে একটি বইতে ২০১৮ সালে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আভাস দিয়েছেন নস্ত্রাদামুস। ফ্রান্সে শুরু হয়ে এ যুদ্ধ সমগ্র ইউরোপে ছড়িয়ে পড়বে।
৪. ইতালির মাউন্ট ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরিতে ভয়াবহ অগ্নুৎপাত হবে। এতে নিহত হবে ৬ হাজার মানুষ। এমনিটি যে হতে পারে তা ২০১৬ সালেই জানিয়েছেন ভূতাত্ত্বিকরা।
৫. ২০১৮ সালে প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠবে যুক্ত্রাষ্ট্র। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।
৬. নস্ত্রাদামুসের মতে, ২০১৮ সালে ধুমকেতু বা ক্ষুদ্র কোনো গ্রহ পৃথিবীর সঙ্গে ধাক্কা খাবে। এ ছাড়া পরমাণু যুদ্ধে ছারখার হবে পৃথিবী।প্রসঙ্গত, এর আগের বছরগুলো নিয়েও কিন্তু অনেক ঘটনার আগাম আভাস দিয়ে গেছেন এই মানুষটি। এর মধ্যে অনেক বাণীই ফলেছে অক্ষরে অক্ষরে। নমÍ্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণীর মাধ্যে রয়েছে হিটলার, নেপোলিয়ান এমন কি ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্টের ওয়ার্লড ট্রেড সেন্টারে বিমান হামলার কথাও। সাম্প্রতি সময়ে মাথা তোলা ইসলামিক স্টেটের (আই এস) কথাও ৪০০ বছর আগে জানিয়ে গেছেন নস্ত্রাদামুস।
এতো গেলো নস্ত্রাদামুসের কথা। এবার দেখা যাক জনপ্রিয় গণৎকার ক্রেগ হ্যামিলটনের ভবিষ্যৎবাণী। ক্রেগ হ্যামিলটন হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদের জন্য নির্বাচনের সময় নির্ভুল ভাবে বলে দিয়েছিলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পই হোয়াইট হাউসের আসনে বসবেন। সেট্ইা তো সত্যে পরিণত হলো। শুধু এটাই নয়, প্যারিসের নিস হামলার আগেও আগাম সতর্কবাণী শুনিয়েছিলেন তিনি। ক্রেগ হ্যামিলটন পার্কারের ভবিষ্যৎবাণী, এ বছর খুব বড় ধরণের বন্যা হবে, যার ফল হবে মারাত্বাক। প্রাণহানী ও সম্পত্তির প্রভুত ক্ষয়ক্ষতি হবে। তবে কি ফের সুনামীর মতো কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ নেমে আসবে? সে বিষয়ে অবশ্য খোলাসা করেন নি তিনি। এছাড়াও পার্কার আরও জানিয়েছেন, ২০১৮ তে উত্তর কোরিয়ার সাধারণ মানুষ সে দেশের সর্বাধিডনায়ক কিম জং উনকে ক্ষমতাচ্যুত করবে। প্রবল বিদ্রোহ হবে, যাতে কিমের একাধিপত্য খান খান হয়ে যাবে।
তিিিন আরও বলেছেন, বৃটেনের এক জনপ্রিয় রাস্তায় বড়সড় হামলা হবে। পুলিশ ও প্রশাসন যথেষ্ট সতর্ক না থাকলে বহু মানুষের প্রাণহানি হবে বলেও সর্তর্ক করে দিয়েছেন পার্কার। কি ভাবে এই হামলা হবে সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। আত্মঘাতী বোমা নয়, জঙ্গীরা এবার ব্যবহার করবে ড্রোন। ড্রোনে মজুত থাকবে রাসায়নিক অস্ত্র। সেই অস্ত্রই আছড়ে পড়বে বৃটেনের রাজপথে। গত বছর পার্কার বলেছিলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে বেরিয়ে যাবে বৃটেন। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে তাঁর ভবিষ্যৎবাণী কতটুকু সত্যে পরিণত হয়।
সুতরাং উপরের ভবিষদ্বাণীগুলো লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ২০১৮ সাল বিশ্ববাসীর জন্য মহা দুশ্চিন্তার। কোন সময় যে কি ঘটে যায় কেউ বলতে পারবেনা। বিশেষ করে আমেরিকা এবং উত্তর কোরিয়ার যে দুই শক্তিধর নেতা একে অপরের প্রতি হুমকি-ধুমকি দিচ্ছেন তাতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিপদ কোন মতেই উড়িয়ে দেয়া যায়না। শুধু তারাই নয়, দক্ষিন কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, ফ্রান্স তারাও পরমাণু ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষার মাধ্যমে শক্তি পরীক্ষায় পিছেয়ে নেই। সেই সঙ্গে রয়েছে ইরানও। উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উন বলেছেন, তার টেবিলেই রয়েছে এসব পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের বোতাম। যখনই তিনি দরকার মনে করেন, তার টেবিলে বসেই বোতাম টিমে ধ্বংস করে দিতে পারেন বিশ্বকে। আমেরিকাও প্রত্যুত্তরে বলেছে তারাও এদিক দিয়ে পেছনে নয়। যদিও আমেরিকা খোলাসা করে এর বেশি কিছু বলেনি। তাদের এ্ই হুমকি-ধুমকি আর শক্তি পরীক্ষা করতে করতে যেকোন দিন বেজে উঠতে পারে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের দামামা। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে এটা হবে পারমাণূ অস্ত্রের খেলা। সুতরাং তারা অফিসে বসে বসে বোতাম টিপবে আর ধ্বংস হবে শহরের পর শহর আর মারা যাবে লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ। আমাদের দেশে একটা কথা আছে, পাটা পুতালে ঘষাঘষি আর মাঝখানে মরিচ গুড়া। অর্থৎ তারা করবে বোতাম টিপাটিপি আর মার মাঝখানে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের হবে মৃত্যু।

বাংলাদেশে ডেইলি যুগান্তর পত্রিকার খবরে প্রকাশ, চীনেতো এরই মধ্যে পরমাণূ যুদ্ধ লেগে গেলে তাদের নেতাদের বাঁচানোর জন্য ভূগর্ভে ব্যাঙ্কার তৈরী করে রেখেছে। চীনা দৈনিক সাউথ চায়না মর্নিং পোষ্ট-এসসিএমপি’র এক প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে। রাজধানী বেইজিংয়ের কাছে জাতীয় পার্কের নীচে এই ব্যাঙ্কারটি তৈরী করা হয়েছে। সেখানেই রয়েছে চীন সরকারের সদর দফতর। জানা গেছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে দুই কিলোমিটারের বেশি নীচে এই ব্যাঙ্কারটি তৈরী করা হয়েছে। এতে রয়েছে পুরু পাথরের শক্ত স্তর। পত্রিকাটি আ্রও উল্লেখ করেছে, এ ব্যাঙ্কারকে চীনের পিপলস লিবারেশন আমির ’মস্তিষ্ক’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। কারন, যুদ্ধের সময় সব সিদ্ধান্ত এ ব্যাঙ্কার থেকে নেয়া হবে। পাশাপাশি বোমা হামলার পর যাতে ব্যাঙ্কারে তেজক্রিয় পদার্থ ঢুকতে না পারে সে জন্য বিশেষ ধরণের বায়ু চলাচল ও অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে।
শুধু চীনই নয়, অন্যান্য দেশের শাসনকর্তারাও নিশ্চয় এ ধরণের ব্যবস্থা করে রেখেছেন, তা এখনও নিরাপত্তার খাতিরে প্রকাশিত না হলেও অদূর ভবিষ্যতে হয়তো জানতে পারবো। সুতরাং অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যুদ্ধের জন্য সবাই প্রস্তুত। তাহলে কি নস্ত্রাদামুসের ভবিষদ্বাণীই সত্যে পরিণত হতে চলেছে?
আমরা যদি বৃটেনের অর্থনীতির দিকে লক্ষ্য করি তাহলে দেখা যায়, বৃটেনে চলছে অঘোষিত অর্থনিিতর মন্তা অবস্থা। জিনিস পত্রের দাম হুহু করছে বাড়ছে। সাধারণ মানুষ নিত্যা প্রয়োজনীয় জিনিষ পত্র কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। ঘরের এসব খরচপত্র করতে গিয়ে যেভাবে মানুষের আয় করা দরকার তা তাদের নেই। শপিং সেন্টারগুলোতে গেলে দেখা যায় অনেক দোকানে ’সেইল’ অথবা ’রেন্ট’ সাইনবোর্ড লাগানোর হিড়িক। অনেক অফিস এমন কি ছোট ছোট শহরগুলোতে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ হচ্ছে। এর ফলে শত শত মানুষ হচ্ছে বেকার, হন্যে হয়ে খুঁজছে কাজ সংসার চালানোর তাগিদে। এসব সামাল দিতে গিয়েই বৃটিশ সরকার ইমিগ্রেশন আইনে কড়াকড়ি আরোপ করেছে এবং করছে। যার ফলে ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্টগুলো এখন স্টাফের অভাবে চালাতে না পেরে অনেকটাই বন্ধ হচ্ছে। এতে সরকারের এখন প্রতি বছরই তাদের রিজার্ভে রেভেনিউ কমে আসছে। কারণ ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্টগুলো তাদের দেশের ইকোনমিতে বিরাট অবদান রাখছে এবং এটা তাদের সরকার স্বীকৃত। এছাড়াও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে একেবারে বের হয়ে গেলে অন্যান্য দেশের সাথে ব্যবসা বানিজ্যের প্রতি বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। সুতরাং এদেশের মানুষ এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছে। মানুষ এখন চেয়ে আছে সেই বেক্সিটের ফলফলের দিকে।

এবার দেখা যাক বাংলাদেশের অবস্থা। ২০১৮ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নির্বাচনের ফলাফলের উপরই নির্ভর করবে বাংলাদেশের মানুষের মুখে কে হাসি ফোটাবে। বিএনপি সহ অন্যান্য ছোট ছোট রাজনৈতিকদলগুলো নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে পড়েছে। এই ছোট ছোট দলগুলো অবশ্য ঝুপ বুঝে কোপ মারবে। যদিও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের ভবিষ্যৎ প্লান মানুষকে জানিয়ে দিয়েছে কিন্তু বিএনপি’র কাছ থেকে মানুষ এখনও তা পায়নি। বিএনপির একটাই লক্ষ্য যা সকল সভ সমাবেশে বলছে এ সরকারকে সরাতে হবে এবং গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোরও একই স্লোগান! এখন দেখা যাক, কার শ্লোগান বাংলার মানুষ গ্রহণ করে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ অপেক্ষায় আছে ২০১৮ সাল তাদের জন্য কি বার্তা নিয়ে আসে।

দেওয়ান ফয়সল
সাংবাদিক ও লেখক
কার্ডিফ,ইউকে।

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার