আজকে

  • ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২২শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং
  • ১২ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যুতে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

Published: বুধবার, জানুয়ারি ১০, ২০১৮ ৩:১১ অপরাহ্ণ    |     Modified: বুধবার, জানুয়ারি ১০, ২০১৮ ৩:১১ অপরাহ্ণ
 

ইউকেবিডি টাইমসডেস্কঃগ্রুপিং কোন্দলে বিপর্যস্ত সিলেটে আরো একজন মেধাবী ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যুতে সিলেটের প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিলেট-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ফেসবুকে এক আবেগপ্রবণ  স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

সোমবার সিলেটের টিলাগড়ে তানিম খান নামক এক ছাত্রলীগ নেতা প্রতিপক্ষ গ্রুপের হাতে ছুড়িকাঘাতে নির্মম ভাবে খুন হোন। এতে সমগ্র সিলেটে উত্তপ্ত অবস্থার সৃষ্টি হয়। এর ফলশ্রুতিতে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন।

তিনি গ্রুপিং রাজনীতিকে অপরাজনীতি, স্বার্থবাদী বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন কেউ যেন তার উপর অর্পিত দায়িত্বের খেয়ানত না করে। ব্যক্তিদ্বন্দে কেন সংগঠন ক্ষতিগ্রস্থ হবে, কেন দেশ গড়ার শপথ নিয়ে রাজনীতি করতে আসা ছেলেগুলোকে নির্মম পরিনতি ভোগ করতে হবে?

পাঠকদের জন্যে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর ফেসবুক  স্ট্যাটাস হুবহু নীচে তুলে ধরা হলো। অসংখ্য মানুষ লাইক শেয়ার কমেন্টস এর মাধ্যমে তাঁর সাথে সহমত জানিয়েছেন।


মনের ভেতর বারবার ভেসে উঠছে ছেলেটির কথা ! এমন মেধাবী, এমন শান্ত, এমন উদীয়মান তরুণের এমন নির্মম মৃত্যু কোন ভাবেই কাম্য ছিল না।

সিলেট জেলা ছাত্রলীগ নেতা তানিম খান গতকাল খুন হয়েছে টিলাগড়ে। ওর বাবা ঈসমাইল খান বুরুঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, ভাই বাবলু খান বুরুঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক। আমি স্বাক্ষী যেদিন থেকে তানিম বুঝতে শিখেছে সেদিন থেকেই সে ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেছে। আওয়ামী পরিবারের পরীক্ষিত এই ছাত্রলীগ নেতার এমন মৃত্যু কীভাবে মেনে নিবো? কেউ কী মানতে পারবে ?

এরও আগে ওমর আহমদ মিয়াদ, তারও আগে জাকারিয়া মাসুম…… পাশবিক মৃত্যুর শিকার হয়ে গ্রুপিং অপরাজনীতির কারনে পৃথিবী থেকে তাদের চলে যেতে হয়েছে !

তানিম, মিয়াদ, মাসুম শুধু এক একটা নাম নয়। তাদের পরিবার ছিলো, ভাই বোন বাবা মা ছিলো, বন্ধু সহপাঠী ছিল। বুকের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা, শেখ হাসিনার প্রতি ভালবাসা ও প্রাণপ্রিয় সংগঠন ছাত্রলীগের প্রতি বিশ্বস্থতা ছিল। আমি বিশ্বাস করি এই মৃত্যুগুলোতে কেউ যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে সেটি হচ্ছে সংগঠন, সেটি হচ্ছে তাদের পরিবার।

এখানে কেউই লাভবান নয়। ব্যাক্তিদ্বন্দে কেন সংগঠন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কেন দেশ গড়ার শপথ নিয়ে রাজনীতি করতে আসা ছেলেগুলোকে নির্মম পরিনতি ভোগ করতে হবে।

সন্তানসম এই ছেলেগুলোর মৃত্যুতে তীব্র প্রতিবাদ জানাই। হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, কেউ যেন তার উপর অর্পিত দায়িত্বের খেয়ানত না করে। একজন তানিমের শরীরে উনিশটি ছুড়ির আঘাতে মৃত্যু নিশ্চিত করা যায়, কিন্তু শেখ হাসিনার জন্যে, বঙ্গবন্ধুর জন্যে, ছাত্রলীগের জন্যে সহজেই একজন তানিম কে সৃষ্টি করা যায়না।

দয়াকরে দায়িত্ববান ব্যক্তিবর্গ সজাগ হোন, সংগঠনের গায়ে কুড়াল মারা হতে বিরত থাকুন ।

আল্লাহর কাছে তানিমের জন্যে দোয়া করি। এই নিষ্পাপ ছেলেটির সংগঠনের প্রতি ত্যাগ ভালবাসা শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করছি। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা। তানিম জান্নাতুল ফেরদৌস লাভ করুক।

অপরাজনীতি, স্বার্থের রাজনীতি, ব্যাক্তি রাজনীতির বলি তানিম খান। খুব অল্প বয়সে সে চলে গেলো, পৃথিবীর সুখটা কেমন তা উপলদ্ধিও করতে পারলো না!

তোমরা আমাদের ক্ষমা করো !

Anwaruzzaman chowdhury

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার