আজকে

  • ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২৩শে মে, ২০১৮ ইং
  • ৭ই রমযান, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

সিলেটে এইডস আক্রান্ত মায়েরা জন্ম দিচ্ছেন সুস্থ শিশু!

Published: শনিবার, ডিসেম্বর ২, ২০১৭ ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ    |     Modified: শনিবার, ডিসেম্বর ২, ২০১৭ ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
 

ইউকে বিডিটাইমস ডেস্কঃসিলেটের কানাইঘাটের বকুল মিয়া (ছদ্মনাম) ছিলেন মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। নিজের অজান্তেই শরীরে এইচআইভি জীবাণু নিয়ে দেশে যাওয়া-আসা করতে থাকেন তিনি। ২০০৭ সালে দেশে ফেরার কিছুদিন পর অসুস্থ হয়ে পড়লে ভর্তি হন হাসপাতালে। সেখানেই ধরা পড়ে, বকুলের শরীরে বাসা বেঁধেছে মরণব্যধি এইডস। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে বকুলের স্ত্রীর শরীরেও এইচআইভির জীবাণু পান। ওই সময় বকুলের মেয়ে পারুলের (ছদ্মনাম) বয়স ছিল পাঁচ বছর; তার শরীরেও ধরা পড়ে জীবন বিধ্বংসী এই জীবাণু। এরপর থেকেই নিয়মিত চলতে থাকে তাদের চিকিৎসা। কিন্তু বাঁচানো যায়নি বকুলকে।

২০১৫ সালে এইচআইভি পজিটিভ এক যুবকের সাথে বিয়ে হয় পারুলের। গেল বছর এই দম্পতি সুস্থ বাচ্চা নিতে ভর্তি হন ওসমানী হাসপাতালে। চলতি বছরের ৮ মার্চ এইচআইভিমুক্ত সুস্থ এক শিশুর জন্ম দেন পারুল। এ যেন আধার ভেঙে আলোর পথে যাত্রার এক সাফল্যময় গল্প।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (সিওমেক) চিকিৎসকদের এই সফলতার কাহিনী শুরু হয়েছে আরো আগে থেকেই। সিলেট বিভাগের কোটি মানুষের চিকিৎসার ভরসাস্থল ওসমানী হাসপাতালে ২০১৩ সাল থেকে এইচআইভি পজিটিভ মায়েদের গর্ভ থেকে সুস্থ (এইচআইভি জীবাণুমুক্ত) শিশুর জন্ম নিচ্ছে।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এইচআইভি সেবা জোরদারকরণ কার্যক্রম-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোতাহের হোসেন সিলেনিউজ ডটকমকে জানান, ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ওসমানীতে এইচআইভি পজিটিভ ৩২ জন অন্তঃসত্ত্বা মা ভর্তি হয়েছেন। তন্মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে ৩০ জন মা এইচআইভিমুক্ত সুস্থ শিশুর জন্ম দিয়েছেন। অপর দুই মা বর্তমানে হাসপাতালে সন্তান জন্মদানের অপেক্ষায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে মাহবুবুল হক বলেন, ‘ওসমানী হাসপাতালে এইচআইভি আক্রান্তদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।’

 
 
 

এই বিভাগের আরও সংবাদ

 

ক্যালেন্ডার